কামারখন্দ, (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে মোছা. সালমা খাতুন নামের এক নারীর নগদ অ্যাকাউন্ট থেকে দুই দফায় ৪২ হাজার ২৫০ টাকা গায়েব হয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আজ শুক্রবার (১ আগস্ট) তিনি কামারখন্দ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেল ৫টা ৫২ মিনিটে সালমা খাতুনের অজ্ঞাতসারে তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ১০ হাজার ১৫০ টাকা একটি মোবাইল ফোন নম্বরে চলে হয়। পরদিন ৩০ জুলাই সকাল ১১টা ৪৯ মিনিটে আরও ৩২ হাজার ১০০ টাকা আরও একটি নম্বরে চলে যায়। পরে টাকা তুলতে গিয়ে অ্যাকাউন্ট চেক করে কোনো অর্থ না থাকায় বিষয়টি তাঁর নজরে আসে।
জানা গেছে, ভুক্তভোগী সালমা খাতুনের নামে থাকা নগদ অ্যাকাউন্টটি ব্যবহার করতেন বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) মাঠকর্মী ও কামারখন্দের বাসিন্দা নার্গিস পারভীন। এ ব্যাপারে আজকের পত্রিকার প্রতিনিধিকে নার্গিস পারভীন বলেন, ‘নগদ অ্যাকাউন্টটি খোলা হয়েছিল সালমা খাতুনের নামে, তার সম্মতিতেই। আমি নিয়মিত অন্যান্য গ্রাহকের কিস্তির টাকা এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আদায় করতাম। কিন্তু গত ২৯ ও ৩০ জুলাই দুই ধাপে অ্যাকাউন্টে মোট ৪২ হাজার ৩৫০ টাকা আসার পর টাকা তুলতে গিয়ে দেখি অ্যাকাউন্টে কোনো অর্থ নেই।’ তিনি জানান, বিষয়টি জানতে পেরে নগদ কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করলে তাঁকে জানানো হয়, অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছে।
ভুক্তভোগী নার্গিস পারভীন বলেন, ‘আমি কোনো ওটিপি কাউকে দিইনি, কোনো এসএমএস বা ফোনও আসেনি। অথচ অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চলে গেছে। নগদের গাফিলতির কারণেই প্রতারকেরা টাকা তুলতে সক্ষম হয়েছে। আমি আমার টাকা ফেরত চাই।’
কামারখন্দ থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মাসুদ রানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। আমি ওসি স্যারের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। তবে ভুক্তভোগী যদি সরাসরি নগদ অফিসে যোগাযোগ করেন, তাহলে দ্রুত সমাধান পাওয়া যেতে পারে।’ এ বিষয়ে কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ বলেন, বিষয়টি নিয়ে এএসআই মাসুদ বিস্তারিত বলতে পারবেন।

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে মোছা. সালমা খাতুন নামের এক নারীর নগদ অ্যাকাউন্ট থেকে দুই দফায় ৪২ হাজার ২৫০ টাকা গায়েব হয়ে গেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় আজ শুক্রবার (১ আগস্ট) তিনি কামারখন্দ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, গত ২৯ জুলাই বিকেল ৫টা ৫২ মিনিটে সালমা খাতুনের অজ্ঞাতসারে তাঁর অ্যাকাউন্ট থেকে ১০ হাজার ১৫০ টাকা একটি মোবাইল ফোন নম্বরে চলে হয়। পরদিন ৩০ জুলাই সকাল ১১টা ৪৯ মিনিটে আরও ৩২ হাজার ১০০ টাকা আরও একটি নম্বরে চলে যায়। পরে টাকা তুলতে গিয়ে অ্যাকাউন্ট চেক করে কোনো অর্থ না থাকায় বিষয়টি তাঁর নজরে আসে।
জানা গেছে, ভুক্তভোগী সালমা খাতুনের নামে থাকা নগদ অ্যাকাউন্টটি ব্যবহার করতেন বাংলাদেশ পল্লী উন্নয়ন বোর্ডের (বিআরডিবি) মাঠকর্মী ও কামারখন্দের বাসিন্দা নার্গিস পারভীন। এ ব্যাপারে আজকের পত্রিকার প্রতিনিধিকে নার্গিস পারভীন বলেন, ‘নগদ অ্যাকাউন্টটি খোলা হয়েছিল সালমা খাতুনের নামে, তার সম্মতিতেই। আমি নিয়মিত অন্যান্য গ্রাহকের কিস্তির টাকা এই অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে আদায় করতাম। কিন্তু গত ২৯ ও ৩০ জুলাই দুই ধাপে অ্যাকাউন্টে মোট ৪২ হাজার ৩৫০ টাকা আসার পর টাকা তুলতে গিয়ে দেখি অ্যাকাউন্টে কোনো অর্থ নেই।’ তিনি জানান, বিষয়টি জানতে পেরে নগদ কাস্টমার কেয়ারে যোগাযোগ করলে তাঁকে জানানো হয়, অ্যাকাউন্টটি হ্যাক হয়েছে।
ভুক্তভোগী নার্গিস পারভীন বলেন, ‘আমি কোনো ওটিপি কাউকে দিইনি, কোনো এসএমএস বা ফোনও আসেনি। অথচ অ্যাকাউন্ট থেকে টাকা চলে গেছে। নগদের গাফিলতির কারণেই প্রতারকেরা টাকা তুলতে সক্ষম হয়েছে। আমি আমার টাকা ফেরত চাই।’
কামারখন্দ থানার সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মাসুদ রানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) হয়েছে। আমি ওসি স্যারের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব। তবে ভুক্তভোগী যদি সরাসরি নগদ অফিসে যোগাযোগ করেন, তাহলে দ্রুত সমাধান পাওয়া যেতে পারে।’ এ বিষয়ে কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল লতিফ বলেন, বিষয়টি নিয়ে এএসআই মাসুদ বিস্তারিত বলতে পারবেন।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৯ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে