
সিরাজগঞ্জের কাজীপুর উপজেলায় জুয়া খেলার জন্য স্থান প্রদান ও জুয়ার কার্যক্রমে সহায়তার দায়ে দুজনকে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ১০টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত উপজেলার গান্ধাইল ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের আকন্দবাড়ি মোড়ে একটি দোকানে অভিযান চালিয়ে এ দণ্ড দেওয়া হয়।
দণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন উপজেলার গান্ধাইল গ্রামের মৃত শমশের আলী শেখের ছেলে দোকানমালিক মো. জয়নাল আবেদীন (৬৮) এবং একই এলাকার মৃত হাবিবউল্লাহর ছেলে মো. শহিদ সরোয়ার (৫৩)।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে এ দণ্ড দেন কাজীপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান।
ভ্রাম্যমাণ আদালত সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই এলাকায় জুয়া খেলার খবর পেয়ে কাজীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহ মো. এনায়েতুর রহমানের নেতৃত্বে পুলিশ ও উপজেলা আনসার সদস্যদের সমন্বয়ে একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। অভিযানে জুয়ার আসর থেকে দুজনকে হাতেনাতে আটক করা হয়।
আদালত জয়নাল আবেদীনকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ২০০ টাকা অর্থদণ্ড দেন। অনাদায়ে তাঁকে আরও ১০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। শহিদ সরোয়ারকে ২৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১০০ টাকা অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ১০ দিনের কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অভিযানস্থল থেকে নগদ ২২০ টাকা, ৪৬টি তাস, দুটি খাতা, দুটি কলম, দুটি গ্যাস লাইটার ও দুটি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে। জব্দ করা মালামাল কাজীপুর থানার জিম্মায় রাখা হয়েছে।
আজ বুধবার সকালে কাজীপুর থানার এএসআই মোখলেস আজকের পত্রিকাকে বলেন, আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুজনকে কারাগারে পাঠানো হবে।

‘বড় ছাওয়াল গেছে সাত বছর হচ্ছে, আর মেজো ছাওয়াল গেছে দুই বছর। কোনোদিনও ছুটিতে আসেনি। ছাওয়ালটা বলছিল, “মা, কষ্ট করে খেয়ে দেনা শোধ করছি কেবল। বাড়ির কাজটা শুরু করছি, বাড়ি এসে বিল্ডিংয়ের কাজটা শেষ করব।” আমার বাবার আর বাড়ি আসা হলো না। কী সর্বনাশ হলো বাবা আমার।’
৩ ঘণ্টা আগে
নরসিংদীর রায়পুরায় বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) সেচপাম্পের দুটি বৈদ্যুতিক ট্রান্সফরমার চুরি হয়েছে। ১৬ দিন ধরে এতে প্রায় ২০০ বিঘা জমিতে সেচ দেওয়া বন্ধ হয়ে গেছে। আমনের মৌসুমে জমিতে পানি দিতে না পেরে বিপাকে পড়েছেন শতাধিক কৃষক। দ্রুত ট্রান্সফরমার দুটি প্রতিস্থাপন এবং চোরদের শনাক্ত করে আইনের
৩ ঘণ্টা আগে
ভরা বর্ষায় নদ-নদী পানিতে টইটম্বুর, নেই ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞাও। তবু বরিশালে নদ-নদীগুলোতে মিলছে না কাঙ্ক্ষিত রুপালি ইলিশ। যা ধরা পড়ছে, তার বেশির ভাগই ছোট; দামও চড়া। মৎস্য বিভাগের তথ্যেও মিলছে উৎপাদন কমার চিত্র। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ইলিশের উৎপাদন কমার পেছনে এবার চারটি কারণ গুরুত্বপূর্ণ—নদী থেকে সাগর পর্যন্
৩ ঘণ্টা আগে
মাদক সেবনের পর শুভ্র অস্বাভাবিক আচরণ করতেন এবং বিভিন্ন সময় পরিবারের সদস্য ও অন্যদের মারধর করতেন। মাদক না পেলে নিজের শরীরেও আঘাত করে রক্তাক্ত করতেন। তাঁর আচরণে পরিবারের সদস্যরা অতিষ্ঠ হয়ে পড়েন। এ কারণে প্রায় দুই মাস ধরে তাঁকে ঘরের একটি কক্ষে শিকলে বেঁধে তালাবদ্ধ করে রাখা হতো।
৫ ঘণ্টা আগে