কামারখন্দ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ছেলের ঋণের টাকা পরিশোধ ও জমি লিখে না দেওয়ায় বৃদ্ধ মাকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে। আহত বৃদ্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
গতকাল শুক্রবার দুপুরে উপজেলার হায়দারপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত বৃদ্ধা ওই গ্রামের শহিদুল ইসলামের স্ত্রী শাহানাজ খাতুন (৫৭)।
স্থানীয়রা জানান, জমি ও ঋণের টাকা পরিশোধ না করায় ওই বৃদ্ধার বড় ছেলে শাহ আলম ও তাঁর স্ত্রী মর্জিনা খাতুন মারপিট করেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ওই বৃদ্ধাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তাঁর মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন রয়েছে।
শাহ আলমের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার স্বামীকে শাশুড়ি ঘর থেকে বের করে দেয়। জমিজমা ও টাকা তাঁর ছোট ছেলে ও তাঁর মেয়ে দিয়েছে। আমার স্বামী ঋণ করে ঘর দিয়েছে সেই ঘর থেকে এখন বের করে দিতে চাই। এটা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে ঝামেলা চলছে। শুক্রবার দুপুরে এ বিষয়গুলো নিয়ে আবারও কথা-কাটাকাটি হয়। তখন আমার স্বামী তাঁকে ধাক্কা দেয় এবং আমার শাশুড়িকে মারপিট করে। তবে আমি শাশুড়িকে মারপিট করিনি কিন্তু ধাক্কা দিয়েছিলাম। এতে মাথায় একটু কেটে গেছে।’
রায়দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ফরহাদুল ইসলাম হ্যাপি বলেন, ‘ঘটনাটি কেউ আমাকে বলেনি। আপনাদের মাধ্যমেই শুনলাম। আমি হাসপাতালে গিয়ে খোঁজ নিব এবং এই ছেলে ও তাঁর স্ত্রীর বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিব।’
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মিথিলা আক্তার বলেন, ‘মাথায় সেলাই দেওয়া হয়েছে শরীরের বিভিন্ন অংশে জখমের দাগ রয়েছে। আগের চেয়ে অবস্থা ভালো তবে পুরোপুরি সুস্থ হতে সময় লাগবে।’
কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহা রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব। আর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাচ্ছি।’

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে ছেলের ঋণের টাকা পরিশোধ ও জমি লিখে না দেওয়ায় বৃদ্ধ মাকে পিটিয়ে আহত করার অভিযোগ উঠেছে ছেলের বিরুদ্ধে। আহত বৃদ্ধা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
গতকাল শুক্রবার দুপুরে উপজেলার হায়দারপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। আহত বৃদ্ধা ওই গ্রামের শহিদুল ইসলামের স্ত্রী শাহানাজ খাতুন (৫৭)।
স্থানীয়রা জানান, জমি ও ঋণের টাকা পরিশোধ না করায় ওই বৃদ্ধার বড় ছেলে শাহ আলম ও তাঁর স্ত্রী মর্জিনা খাতুন মারপিট করেন। পরে স্থানীয়দের সহযোগিতায় ওই বৃদ্ধাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। তাঁর মাথায় ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখমের চিহ্ন রয়েছে।
শাহ আলমের স্ত্রী মর্জিনা খাতুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমার স্বামীকে শাশুড়ি ঘর থেকে বের করে দেয়। জমিজমা ও টাকা তাঁর ছোট ছেলে ও তাঁর মেয়ে দিয়েছে। আমার স্বামী ঋণ করে ঘর দিয়েছে সেই ঘর থেকে এখন বের করে দিতে চাই। এটা নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরে ঝামেলা চলছে। শুক্রবার দুপুরে এ বিষয়গুলো নিয়ে আবারও কথা-কাটাকাটি হয়। তখন আমার স্বামী তাঁকে ধাক্কা দেয় এবং আমার শাশুড়িকে মারপিট করে। তবে আমি শাশুড়িকে মারপিট করিনি কিন্তু ধাক্কা দিয়েছিলাম। এতে মাথায় একটু কেটে গেছে।’
রায়দৌলতপুর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ফরহাদুল ইসলাম হ্যাপি বলেন, ‘ঘটনাটি কেউ আমাকে বলেনি। আপনাদের মাধ্যমেই শুনলাম। আমি হাসপাতালে গিয়ে খোঁজ নিব এবং এই ছেলে ও তাঁর স্ত্রীর বিষয়ে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নিব।’
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মিথিলা আক্তার বলেন, ‘মাথায় সেলাই দেওয়া হয়েছে শরীরের বিভিন্ন অংশে জখমের দাগ রয়েছে। আগের চেয়ে অবস্থা ভালো তবে পুরোপুরি সুস্থ হতে সময় লাগবে।’
কামারখন্দ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহা রেজাউল ইসলাম বলেন, ‘লিখিত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিব। আর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠাচ্ছি।’

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ ঘণ্টা আগে