কাজীপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে কর্মরত বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকেরা। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে এই মানববন্ধন করেন তাঁরা।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকেরা ১৩তম গ্রেডে বেতন পান। তাঁদের দেওয়া ১২তম গ্রেডের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরে বক্তব্য দেন ওই মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষকেরা। উপজেলার একটি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় দাবি আদায়ের পক্ষে বক্তব্য দেন আরও অনেকে।
বক্তব্যে সহকারী শিক্ষক আজিজুর রহমান রাজু বলেন, ‘যদি যোগ্যতার ভিত্তিতে আমাদের মূল্যায়ন করা হতো, তাহলে আগেই আমরা ১০ম গ্রেড পেয়ে যেতাম। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি, সরকারি চাকরিতে গ্রেডের বৈষম্য দূর করে আমাদের ১০ম গ্রেড দিতে হবে।’
হুমায়ুন কবির নামের আরেক সহকারী শিক্ষক বলেন, ‘উপসহকারী পুলিশ কর্মকর্তা, নার্স, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, ডিপ্লোমা পাস করা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের ১০ম গ্রেড দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা অনার্স মাস্টার্স পা, করে শিক্ষকতা করেও ১৩তম গ্রেডের অন্তর্ভুক্ত। আমাদের অধিকার আদায়ে এক দফা দাবিতে আজকে মানববন্ধন করছি। আমাদের ১০ম গ্রেড দিতে হবে।’
এ সময় ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যৌক্তিকতা তুলে ধরে আরও বক্তব্য দেন সহকারী শিক্ষক তহমিনা খাতুন, হেদায়েতুল আলম, মিজানুর রহমান হেলাল, লাইলী বেগম প্রমুখ।
উপজেলার ২৩৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে আসা সহকারী শিক্ষকেরা দাবি আদায়ের বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন হাতে মানববন্ধনে অংশ নেন।

১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন করেছেন সিরাজগঞ্জের কাজীপুরে কর্মরত বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকেরা। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে উপজেলা পরিষদের সামনের সড়কে এই মানববন্ধন করেন তাঁরা।
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকেরা ১৩তম গ্রেডে বেতন পান। তাঁদের দেওয়া ১২তম গ্রেডের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবির যৌক্তিকতা তুলে ধরে বক্তব্য দেন ওই মানববন্ধনে অংশ নেওয়া শিক্ষকেরা। উপজেলার একটি বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক জাকির হোসেনের সঞ্চালনায় দাবি আদায়ের পক্ষে বক্তব্য দেন আরও অনেকে।
বক্তব্যে সহকারী শিক্ষক আজিজুর রহমান রাজু বলেন, ‘যদি যোগ্যতার ভিত্তিতে আমাদের মূল্যায়ন করা হতো, তাহলে আগেই আমরা ১০ম গ্রেড পেয়ে যেতাম। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি, সরকারি চাকরিতে গ্রেডের বৈষম্য দূর করে আমাদের ১০ম গ্রেড দিতে হবে।’
হুমায়ুন কবির নামের আরেক সহকারী শিক্ষক বলেন, ‘উপসহকারী পুলিশ কর্মকর্তা, নার্স, ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, ডিপ্লোমা পাস করা উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তাদের ১০ম গ্রেড দেওয়া হয়েছে। কিন্তু আমরা অনার্স মাস্টার্স পা, করে শিক্ষকতা করেও ১৩তম গ্রেডের অন্তর্ভুক্ত। আমাদের অধিকার আদায়ে এক দফা দাবিতে আজকে মানববন্ধন করছি। আমাদের ১০ম গ্রেড দিতে হবে।’
এ সময় ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের লক্ষ্যে যৌক্তিকতা তুলে ধরে আরও বক্তব্য দেন সহকারী শিক্ষক তহমিনা খাতুন, হেদায়েতুল আলম, মিজানুর রহমান হেলাল, লাইলী বেগম প্রমুখ।
উপজেলার ২৩৭টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে আসা সহকারী শিক্ষকেরা দাবি আদায়ের বিভিন্ন ব্যানার-ফেস্টুন হাতে মানববন্ধনে অংশ নেন।

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
৫ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে