শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুরে পাহাড়ি সব নদ-নদীর পানি বেড়েছে। এর মধ্যে নালিতাবাড়ীতে চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
আজ সোমবার বিকেলে এই তথ্য জানিয়েছে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। পাহাড়ি ঢলে জেলার নিম্নাঞ্চল ও খাল-বিলে পানি বেড়েছে। তবে এখনো কোনো বাড়িঘর প্লাবিত হয়নি।
এদিকে সকালে ঝিনাইগাতীর ধানশাইল ইউনিয়নের কাড়াগাঁও এলাকায় সোমেশ্বরী নদীর পাড় ভেঙে নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করেছে। তখন সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হলেও ঘণ্টাখানেক পরে নেমে যায়।
পাউবোর তথ্যমতে, ভারতের মেঘালয়ে গত কয়েক দিন বৃষ্টিপাত হওয়ায় আজ সোমবার সকালে চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ১২৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। তবে দুপুর নাগাদ পানি কমতে শুরু করে। বিকেল পৌনে ৪টায় পানি বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
তবে বেড়েছে ভোগাই নদীর পানি। নাকুগাঁও পয়েন্টে ১৩৪ সেন্টিমিটার ও নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ৬৬ সেন্টিমিটার এবং সদরে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপৎসীমার ৫৯৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর ঝিনাইগাতীতে সোমেশ্বরী ও মহারশি নদীর পানি সকালে বাড়লেও দুপুর থেকে কমতে শুরু করে।
উজানের পানি নেমে নালিতাবাড়ীর কলসপাড় ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে প্রবেশ করেছে। একই সঙ্গে খাল-বিলে পানি বেড়েছে। যেকোনো সময় পানি আরও বেড়ে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে জেলা প্রশাসন।
জেলা পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আখিনুজ্জামান বলেন, উজানে বৃষ্টিপাত হওয়ায় শেরপুরের নদ-নদীর পানি সমতল বেড়েছে। তবে আগামী ১২ ঘণ্টায় পানি কমতে শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ ছাড়া সোমেশ্বরী নদীর পাড়ের ভাঙা অংশ দিয়ে নিম্নাঞ্চলে কিছুটা পানি প্রবেশ করেছে। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

শেরপুরে পাহাড়ি সব নদ-নদীর পানি বেড়েছে। এর মধ্যে নালিতাবাড়ীতে চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
আজ সোমবার বিকেলে এই তথ্য জানিয়েছে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। পাহাড়ি ঢলে জেলার নিম্নাঞ্চল ও খাল-বিলে পানি বেড়েছে। তবে এখনো কোনো বাড়িঘর প্লাবিত হয়নি।
এদিকে সকালে ঝিনাইগাতীর ধানশাইল ইউনিয়নের কাড়াগাঁও এলাকায় সোমেশ্বরী নদীর পাড় ভেঙে নিম্নাঞ্চলে পানি প্রবেশ করেছে। তখন সড়কের ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হলেও ঘণ্টাখানেক পরে নেমে যায়।
পাউবোর তথ্যমতে, ভারতের মেঘালয়ে গত কয়েক দিন বৃষ্টিপাত হওয়ায় আজ সোমবার সকালে চেল্লাখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ১২৮ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হয়। তবে দুপুর নাগাদ পানি কমতে শুরু করে। বিকেল পৌনে ৪টায় পানি বিপৎসীমার ৩৩ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল।
তবে বেড়েছে ভোগাই নদীর পানি। নাকুগাঁও পয়েন্টে ১৩৪ সেন্টিমিটার ও নালিতাবাড়ী পয়েন্টে ৬৬ সেন্টিমিটার এবং সদরে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপৎসীমার ৫৯৩ সেন্টিমিটার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আর ঝিনাইগাতীতে সোমেশ্বরী ও মহারশি নদীর পানি সকালে বাড়লেও দুপুর থেকে কমতে শুরু করে।
উজানের পানি নেমে নালিতাবাড়ীর কলসপাড় ইউনিয়নের নিম্নাঞ্চলে প্রবেশ করেছে। একই সঙ্গে খাল-বিলে পানি বেড়েছে। যেকোনো সময় পানি আরও বেড়ে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রস্তুত রয়েছে জেলা প্রশাসন।
জেলা পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আখিনুজ্জামান বলেন, উজানে বৃষ্টিপাত হওয়ায় শেরপুরের নদ-নদীর পানি সমতল বেড়েছে। তবে আগামী ১২ ঘণ্টায় পানি কমতে শুরু করবে বলে আশা করা হচ্ছে। এ ছাড়া সোমেশ্বরী নদীর পাড়ের ভাঙা অংশ দিয়ে নিম্নাঞ্চলে কিছুটা পানি প্রবেশ করেছে। তবে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৫ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
৯ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
১১ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
১৪ মিনিট আগে