Ajker Patrika

শেরপুর-৩ আসনে বিএনপির মাহমুদুল হক বিপুল ব্যবধানে নির্বাচিত

শেরপুর প্রতিনিধি
শেরপুর-৩ আসনে বিএনপির মাহমুদুল হক বিপুল ব্যবধানে নির্বাচিত
মো. মাহমুদুল হক রুবেল। ছবি: সংগৃহীত

জামায়াত প্রার্থীর মৃত্যুজনিত কারণে স্থগিত থাকা শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী-ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচনে বিপুল ব্যবধানে জামায়াত প্রার্থীকে হারিয়ে বেসরকারিভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী, তিনবারের সাবেক এমপি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য মো. মাহমুদুল হক রুবেল। তিনি পোস্টাল ভোটসহ মোট ১২৮টি কেন্দ্রে পেয়েছেন ১ লাখ ৬৬ হাজার ১১৭ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত মাসুদুর রহমান মাসুদ পেয়েছেন ৪৭ হাজার ৫১ ভোট। এ ছাড়া অপর প্রার্থী বাসদ মনোনীত মিজানুর রহমান পেয়েছেন ৪৮০ ভোট। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন।

এর আগে কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ছাড়া শান্তিপূর্ণভাবেই শেষ হয় ভোট গ্রহণ। এই আসনে মোট ভোট পড়েছে ৫২.১৯ শতাংশ। বাতিল হয়েছে ২ হাজার ৮৬ ভোট।

এদিকে এক সংবাদ সম্মেলনে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে বেলা সোয়া ৩টার দিকে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন জামায়াত প্রার্থী মাসুদুর রহমান মাসুদ। এ সময় তিনি কিছু কেন্দ্র থেকে তাঁর এজেন্ট বের করে দেওয়া, হুমকিসহ জাল ভোট দেওয়ার অভিযোগ তোলেন।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে বিএনপির প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল বলেছেন, নিশ্চিত পরাজয় জেনে এসব অভিযোগ করছেন জামায়াত প্রার্থী। উৎসবমুখর পরিবেশে ভোটাররা ভোট দিয়েছেন।

নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন জামায়াতের প্রার্থী। ছবি: আজকের পত্রিকা
নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার বিকেলে সংবাদ সম্মেলন করে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন জামায়াতের প্রার্থী। ছবি: আজকের পত্রিকা

১৭ ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা নিয়ে গঠিত শেরপুর-৩ আসনে ১২৮টি ভোটকেন্দ্রে ৭৫১ ভোটকক্ষ ছিল। মোট ভোটার ৪ লাখ ১৩ হাজার ৩৭৭ জন।

এদিকে নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে বিপুলসংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী কাজ করেছে। পুরো জেলায় ৩২টি মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করেছে। প্রতিটি কেন্দ্রে ৫ জন এবং গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে ৬ জন করে পুলিশ সদস্য ও ১৩ জন করে আনসার সদস্য দায়িত্ব পালন করেছেন।

এই আসনের দুটি উপজেলায় ১৪ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, দুজন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, নির্বাচন কমিশনের ১৮ জন পর্যবেক্ষক এবং নির্বাচনী অনুসন্ধান (ইনকোয়ারি) কমিটির ৩ জন যুগ্ম জেলা জজ দায়িত্ব পালন করেছেন। এ ছাড়া সেনাবাহিনীর ৮টি মোবাইল টিমে ২০০-এর বেশি সদস্য, ১৬ প্লাটুন বিজিবি, র‌্যাবের ১৪টি টিম এবং পুলিশের প্রায় ১ হাজার ১৫০ সদস্য মোতায়েন ছিলেন।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে শেরপুর-৩ আসনে জামায়াতের প্রার্থী নুরুজ্জামান বাদলের মৃত্যুর কারণে এই আসনে নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছিল। পরে তাঁর ছোট ভাই মাসুদুর রহমানকে প্রার্থী করে জামায়াত।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

জামুকা সংশোধনে বিল পাস, জামায়াতের আপত্তি, এনসিপির সমর্থন

নীরবতার চরম মূল্য: ভারতের উচ্চাকাঙ্ক্ষা যেভাবে হারিয়ে গেল উপসাগরীয় অঞ্চলে

কর্মস্থল খাগড়াছড়ির পানছড়ি, চিকিৎসাসেবা দেন টাঙ্গাইলের ক্লিনিকে ক্লিনিকে

‘বিসিবিতে স্ত্রী কোটায় রাখা হয়েছে রাশনা ইমামকে’

নির্যাতনে স্ত্রীর আত্মহনন, স্বামী গ্রেপ্তার

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত