শেরপুর প্রতিনিধি

শেরপুরে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে শহরের নবীনগর এলাকায় এ ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি জাতীয় সংসদের হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আতিউর রহমান আতিক।
এ সময় জাতীয় সংসদের হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেন, ‘মায়ের কোলে শিশুরা যেমন নিরাপদ থাকে, ঠিক তেমনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতেও দেশ ও জনগণ নিরাপদে রয়েছে। কাজেই বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মধ্যম আয়ের দেশ প্রতিষ্ঠা করে এখন স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ গড়ার কাজ করছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘শেরপুরে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এ জেলার আরও একটি স্বপ্ন পূরণ হলো। প্রধানমন্ত্রী দেশের জনশক্তিকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে কাজ করছেন। ওই দক্ষ জনশক্তিকে কাজে লাগানোর মাধ্যম হলো পাসপোর্ট অফিস। যা এত দিন শেরপুরে ছিল না।’
ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. নূরুল আনোয়ারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন—পাসপোর্ট অফিস নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. ছারোয়ার হোসেন, শেরপুরের পুলিশ সুপার মোনালিসা বেগম পিপিএম ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুকতাদিরুল আহমেদ।
পরে প্রধান অতিথি অন্যান্যদের নিয়ে ফলক উন্মোচন করে নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন করেন।
ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. শরীফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক লে. কর্নেল জামাল, শেরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রশীদ, শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহনাজ ফেরদৌস, শেরপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক বিল্লাল হোসেন, পৌর প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, ১৭টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ভবন নির্মাণ ও ৪টি পাসপোর্ট অফিস ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় প্রটোটাইপ ডিজাইনে শেরপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ভবনটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন করেছে করেছে গণপূর্ত বিভাগ। ২৫ শতক জায়গার ওপর পাঁচ তলা ফাউন্ডেশন বিশিষ্ট ৩ তলা ভবনটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩ কোটি ৬৬ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। মূল ভবনের আয়তন ৮৮২৬ বর্গফুট। ভবনটি নির্মাণ হওয়ায় জেলার প্রায় ১৭ লাখ নাগরিক সানন্দে ও সহজভাবে পাসপোর্ট সংক্রান্ত সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

শেরপুরে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকালে শহরের নবীনগর এলাকায় এ ভবনের উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি জাতীয় সংসদের হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আতিউর রহমান আতিক।
এ সময় জাতীয় সংসদের হুইপ বীর মুক্তিযোদ্ধা বলেন, ‘মায়ের কোলে শিশুরা যেমন নিরাপদ থাকে, ঠিক তেমনি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাতেও দেশ ও জনগণ নিরাপদে রয়েছে। কাজেই বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার কোনো বিকল্প নেই। তিনি ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে মধ্যম আয়ের দেশ প্রতিষ্ঠা করে এখন স্মার্ট বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে উন্নত সমৃদ্ধ দেশ গড়ার কাজ করছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘শেরপুরে আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এ জেলার আরও একটি স্বপ্ন পূরণ হলো। প্রধানমন্ত্রী দেশের জনশক্তিকে দক্ষ করে গড়ে তুলতে কাজ করছেন। ওই দক্ষ জনশক্তিকে কাজে লাগানোর মাধ্যম হলো পাসপোর্ট অফিস। যা এত দিন শেরপুরে ছিল না।’
ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. নূরুল আনোয়ারের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন—পাসপোর্ট অফিস নির্মাণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক (যুগ্ম সচিব) মো. ছারোয়ার হোসেন, শেরপুরের পুলিশ সুপার মোনালিসা বেগম পিপিএম ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মুকতাদিরুল আহমেদ।
পরে প্রধান অতিথি অন্যান্যদের নিয়ে ফলক উন্মোচন করে নবনির্মিত ভবনের উদ্বোধন করেন।
ইমিগ্রেশন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের প্রধান কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. শরীফুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে ই-পাসপোর্ট প্রকল্পের উপ-প্রকল্প পরিচালক লে. কর্নেল জামাল, শেরপুর সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. আব্দুর রশীদ, শেরপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মেহনাজ ফেরদৌস, শেরপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক বিল্লাল হোসেন, পৌর প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলাম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
জানা গেছে, ১৭টি আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ভবন নির্মাণ ও ৪টি পাসপোর্ট অফিস ভবনের ঊর্ধ্বমুখী সম্প্রসারণ প্রকল্পের আওতায় প্রটোটাইপ ডিজাইনে শেরপুর আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস ভবনটি নির্মাণকাজ সম্পন্ন করেছে করেছে গণপূর্ত বিভাগ। ২৫ শতক জায়গার ওপর পাঁচ তলা ফাউন্ডেশন বিশিষ্ট ৩ তলা ভবনটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৩ কোটি ৬৬ লাখ ৭৪ হাজার টাকা। মূল ভবনের আয়তন ৮৮২৬ বর্গফুট। ভবনটি নির্মাণ হওয়ায় জেলার প্রায় ১৭ লাখ নাগরিক সানন্দে ও সহজভাবে পাসপোর্ট সংক্রান্ত সেবা গ্রহণ করতে পারবেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে