শেরপুর প্রতিনিধি

খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর বলেছেন, বর্তমানে দেশে খাদ্যের কোনো ঘাটতি নেই। স্বাধীনতার পর এবারই দেশে প্রথমবারের মতো রেকর্ড পরিমাণ ধান-চাল মজুত রয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন গুদামে ২২ লাখ ৫০ হাজার টন চাল মজুত আছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এটি সম্ভব হয়েছে।
আজ শনিবার দুপুরে শেরপুর জেলা সার্কিট হাউস মিলনায়তনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডিজি এ কথা বলেন। সেখানে তিনি চলমান খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়ন-বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন।
আবুল হাছানাত বলেন, যেকোনো দুর্যোগকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলা, বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখাসহ কৃষকেরা যাতে ন্যায্যমূল্য পান, সে জন্য সরকার প্রতিবছর খাদ্য মজুত রাখে।
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি বিষয়ে ডিজি জানান, ১৭ আগস্ট থেকে সারা দেশে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণ শুরু হয়েছে, যা চলবে ছয় মাসব্যাপী। সারা দেশে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৫৫ লাখ কার্ডধারী উপকারভোগী রয়েছেন। শেরপুরে কার্ডধারীর সংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজন হলে জেলা প্রশাসক মন্ত্রণালয় বরাবর আবেদন পাঠালে তা বাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।
ডিলার নিয়োগ নিয়ে আবুল হাছানাত বলেন, ‘সরকার পরিবর্তনের পর ডিলার পরিবর্তনের জন্য সার্কুলার দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কিছু কিছু জায়গায় মামলা জটিলতায় স্থগিতাদেশের কারণে ডিলার পরিবর্তন করা যায়নি। আশা করছি, মামলা শেষ হওয়ার পর দ্রুতই সেগুলোও পরিবর্তন করা হবে।’
সাংবাদিকদের উদ্দেশে ডিজি বলেন, সরকার চায় প্রান্তিক জনসাধারণ যাতে সঠিকভাবে সরকারি সুযোগ-সুবিধাগুলো পায়। এ জন্য আপনাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ভুলত্রুটি বা অসংগতি পেলে সেগুলো তুলে ধরবেন।
জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহের আঞ্চলিক খাদ্যনিয়ন্ত্রক মো. আশরাফুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোসা. হাফিজা জেসমিন, শেরপুর জেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক মো. নাজমুল হক ভূঁইয়াসহ শেরপুরের পাঁচ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও খাদ্য অধিদপ্তরের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (ডিজি) মো. আবুল হাছানাত হুমায়ুন কবীর বলেছেন, বর্তমানে দেশে খাদ্যের কোনো ঘাটতি নেই। স্বাধীনতার পর এবারই দেশে প্রথমবারের মতো রেকর্ড পরিমাণ ধান-চাল মজুত রয়েছে। বর্তমানে বিভিন্ন গুদামে ২২ লাখ ৫০ হাজার টন চাল মজুত আছে। সবার সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এটি সম্ভব হয়েছে।
আজ শনিবার দুপুরে শেরপুর জেলা সার্কিট হাউস মিলনায়তনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ডিজি এ কথা বলেন। সেখানে তিনি চলমান খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি বাস্তবায়ন-বিষয়ক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে অংশ নেন।
আবুল হাছানাত বলেন, যেকোনো দুর্যোগকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলা, বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখাসহ কৃষকেরা যাতে ন্যায্যমূল্য পান, সে জন্য সরকার প্রতিবছর খাদ্য মজুত রাখে।
খাদ্যবান্ধব কর্মসূচি বিষয়ে ডিজি জানান, ১৭ আগস্ট থেকে সারা দেশে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির চাল বিতরণ শুরু হয়েছে, যা চলবে ছয় মাসব্যাপী। সারা দেশে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ৫৫ লাখ কার্ডধারী উপকারভোগী রয়েছেন। শেরপুরে কার্ডধারীর সংখ্যা বাড়ানোর প্রয়োজন হলে জেলা প্রশাসক মন্ত্রণালয় বরাবর আবেদন পাঠালে তা বাড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হবে।
ডিলার নিয়োগ নিয়ে আবুল হাছানাত বলেন, ‘সরকার পরিবর্তনের পর ডিলার পরিবর্তনের জন্য সার্কুলার দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কিছু কিছু জায়গায় মামলা জটিলতায় স্থগিতাদেশের কারণে ডিলার পরিবর্তন করা যায়নি। আশা করছি, মামলা শেষ হওয়ার পর দ্রুতই সেগুলোও পরিবর্তন করা হবে।’
সাংবাদিকদের উদ্দেশে ডিজি বলেন, সরকার চায় প্রান্তিক জনসাধারণ যাতে সঠিকভাবে সরকারি সুযোগ-সুবিধাগুলো পায়। এ জন্য আপনাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। কোনো ভুলত্রুটি বা অসংগতি পেলে সেগুলো তুলে ধরবেন।
জেলা প্রশাসক তরফদার মাহমুদুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ময়মনসিংহের আঞ্চলিক খাদ্যনিয়ন্ত্রক মো. আশরাফুল আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মোসা. হাফিজা জেসমিন, শেরপুর জেলা খাদ্যনিয়ন্ত্রক মো. নাজমুল হক ভূঁইয়াসহ শেরপুরের পাঁচ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও খাদ্য অধিদপ্তরের অন্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৩৯ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৪২ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে