নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি

কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী এমপি বলেছেন, ‘যখন মন্ত্রী ছিলাম, তখন মন্ত্রী হিসেবে কখনো অতিরিক্ত বরাদ্দ নিইনি। কোনো এলাকার উন্নয়নে বাধা হয়ে দাঁড়াইনি। যখন যা সহায়তা পেয়েছি তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে আপনাদের মাঝে বিতরণের চেষ্টা করেছি। এমপি হিসেবে এখনো তা-ই করি।’
আজ বুধবার সকালে শেরপুরের নকলায় উরফা ইউনিয়নে বারমাইসা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন মতিয়া চৌধুরী। উরফা ইউনিয়নের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সমমান ইবতেদায়ি মাদ্রাসার মেধাক্রমানুসারে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির প্রথম ১০ জন করে শিক্ষার্থীর মধ্যে সৌর বাতি ও বৈদ্যুতিক ফ্যান এবং এসএসসি ও সমমান দাখিল টেস্ট পরীক্ষায় মেধাক্রমানুসারে প্রথম ১০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে মাথাপিছু ১ হাজার টাকা আর্থিক প্রণোদনা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তিনি।
মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আছেন বলেই দেশের মানুষ সুখে-শান্তিতে আছে। মানুষ উন্নয়নের স্বাদ ভোগ করছে। আপনারা শেখ হাসিনার ওপর আস্থা রাখুন, নৌকায় আস্থা রাখুন, মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তিতে আস্থা রাখুন, আবারও নৌকায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করুন। শেখ হাসিনার হাত ধরে দেশ একদিন উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছে যাবে।’
এ সময় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মো. বোরহান উদ্দিন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ, পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান লিটন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুশফিকুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান নুরে আলম তালুকদার ভুট্টো, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম সোহেলসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী এমপি বলেছেন, ‘যখন মন্ত্রী ছিলাম, তখন মন্ত্রী হিসেবে কখনো অতিরিক্ত বরাদ্দ নিইনি। কোনো এলাকার উন্নয়নে বাধা হয়ে দাঁড়াইনি। যখন যা সহায়তা পেয়েছি তা ন্যায্যতার ভিত্তিতে আপনাদের মাঝে বিতরণের চেষ্টা করেছি। এমপি হিসেবে এখনো তা-ই করি।’
আজ বুধবার সকালে শেরপুরের নকলায় উরফা ইউনিয়নে বারমাইসা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে এ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন মতিয়া চৌধুরী। উরফা ইউনিয়নের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও সমমান ইবতেদায়ি মাদ্রাসার মেধাক্রমানুসারে তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির প্রথম ১০ জন করে শিক্ষার্থীর মধ্যে সৌর বাতি ও বৈদ্যুতিক ফ্যান এবং এসএসসি ও সমমান দাখিল টেস্ট পরীক্ষায় মেধাক্রমানুসারে প্রথম ১০ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে মাথাপিছু ১ হাজার টাকা আর্থিক প্রণোদনা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন তিনি।
মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আছেন বলেই দেশের মানুষ সুখে-শান্তিতে আছে। মানুষ উন্নয়নের স্বাদ ভোগ করছে। আপনারা শেখ হাসিনার ওপর আস্থা রাখুন, নৌকায় আস্থা রাখুন, মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষের শক্তিতে আস্থা রাখুন, আবারও নৌকায় ভোট দিয়ে শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করুন। শেখ হাসিনার হাত ধরে দেশ একদিন উন্নতির চরম শিখরে পৌঁছে যাবে।’
এ সময় উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মো. বোরহান উদ্দিন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোস্তাফিজুর রহমান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ, পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান লিটন, থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মুশফিকুর রহমান, ইউপি চেয়ারম্যান নুরে আলম তালুকদার ভুট্টো, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক রফিকুল ইসলাম সোহেলসহ দলীয় নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৪ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
৪ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৪ ঘণ্টা আগে