নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি

শেরপুরের নকলায় পরিত্যক্ত একটি ডোবা থেকে এক দরজির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে গৌড়দ্বার ইউনিয়নের রুণীগাঁও মধ্যপাড়া গ্রামের এক ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহের মুখ ও গলায় একাধিক ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে।
এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে আজ শুক্রবার পর্যন্ত পুলিশ চারজনকে আটক করেছে। তাঁদের মধ্যে নিহতের তিন ভাতিজা রয়েছেন।
নিহত ব্যক্তির নাম আইয়ুব আলী (৬৩)। তিনি স্থানীয় ফছির উদ্দিন মেম্বারের ছেলে। তাঁর চার সন্তান রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নকলা পৌরশহরে একটি ভাড়ার দোকানে দরজির কাজ করতেন।
গতকাল রাতে আটক ব্যক্তিরা হলেন—আইয়ুব আলীর ভাই ছমেদ আলীর ছেলে মুকুল মিয়া (৪৫), মহসিন হাসান (২৩) ও জিহান হাসান (২০)।
আজ শুক্রবার সকালে আটক করা হয় সেতু রবিদাস (২৩) নামে আইয়ুব আলীর এক ঘনিষ্ঠ সহচরকে। সেতু স্থানীয় রামলাল রবিদাস ওরফে আবুয়া রবিদাসের ছেলে। সেতু আইয়ুব আলীর প্রতিবেশী হলেও বেশ কিছুদিন ধরে তিনি পরিবার পরিজন নিয়ে নকলা পৌরসভার বাদাগৈড় মহল্লায় বাস করেন।
আইয়ুব আলী ছেলে কলেজশিক্ষার্থী রাজন আহমেদ (১৯) জানায়, আইয়ুব আলী ও ছমেদ আলীর বোন নুরজাহান বেগমের বিয়ে হয়েছিল উরফা ইউনিয়নের লয়খা গ্রামের মির্জা কাসেমের সঙ্গে। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা ঢাকায় বাস করেন। সেখানেই বার্ধক্যজনিত রোগে মারা যান নুর জাহান। পরবর্তী নুরজাহানের রেখে যাওয়া জমিজমা বিক্রির উদ্যোগ নেন মির্জা কাসেম ও তাঁর সন্তানেরা।
সেই জমি ক্রয় করা নিয়ে বিরোধ তৈরি হয় আইয়ুব আলী ও ছমেদ আলীর পরিবারের মধ্যে। সেই জেরে তাঁর বাবাকে হত্যা করা হতে পারে।
রাজন আহমেদ আরও বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে আইয়ুব আলী দরজির কাজ শেষ করে নকলা পৌরশহর থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। কিন্তু গভীর রাত অবধি আইয়ুর আলী বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন খোঁজ করতে শুরু করেন। পরবর্তীতে অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাড়ির কাছাকাছি একটি পরিত্যক্ত ডোবায় আইয়ুব আলীর মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে রাতেই আইয়ুব আলীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আইয়ুব আলীর তিন ভাতিজা ও তাঁর এক ঘনিষ্ঠ সহচরকে আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

শেরপুরের নকলায় পরিত্যক্ত একটি ডোবা থেকে এক দরজির গলাকাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে গৌড়দ্বার ইউনিয়নের রুণীগাঁও মধ্যপাড়া গ্রামের এক ডোবা থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহের মুখ ও গলায় একাধিক ক্ষতের চিহ্ন রয়েছে।
এ ঘটনায় গতকাল বৃহস্পতিবার থেকে আজ শুক্রবার পর্যন্ত পুলিশ চারজনকে আটক করেছে। তাঁদের মধ্যে নিহতের তিন ভাতিজা রয়েছেন।
নিহত ব্যক্তির নাম আইয়ুব আলী (৬৩)। তিনি স্থানীয় ফছির উদ্দিন মেম্বারের ছেলে। তাঁর চার সন্তান রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে নকলা পৌরশহরে একটি ভাড়ার দোকানে দরজির কাজ করতেন।
গতকাল রাতে আটক ব্যক্তিরা হলেন—আইয়ুব আলীর ভাই ছমেদ আলীর ছেলে মুকুল মিয়া (৪৫), মহসিন হাসান (২৩) ও জিহান হাসান (২০)।
আজ শুক্রবার সকালে আটক করা হয় সেতু রবিদাস (২৩) নামে আইয়ুব আলীর এক ঘনিষ্ঠ সহচরকে। সেতু স্থানীয় রামলাল রবিদাস ওরফে আবুয়া রবিদাসের ছেলে। সেতু আইয়ুব আলীর প্রতিবেশী হলেও বেশ কিছুদিন ধরে তিনি পরিবার পরিজন নিয়ে নকলা পৌরসভার বাদাগৈড় মহল্লায় বাস করেন।
আইয়ুব আলী ছেলে কলেজশিক্ষার্থী রাজন আহমেদ (১৯) জানায়, আইয়ুব আলী ও ছমেদ আলীর বোন নুরজাহান বেগমের বিয়ে হয়েছিল উরফা ইউনিয়নের লয়খা গ্রামের মির্জা কাসেমের সঙ্গে। দীর্ঘদিন ধরে তাঁরা ঢাকায় বাস করেন। সেখানেই বার্ধক্যজনিত রোগে মারা যান নুর জাহান। পরবর্তী নুরজাহানের রেখে যাওয়া জমিজমা বিক্রির উদ্যোগ নেন মির্জা কাসেম ও তাঁর সন্তানেরা।
সেই জমি ক্রয় করা নিয়ে বিরোধ তৈরি হয় আইয়ুব আলী ও ছমেদ আলীর পরিবারের মধ্যে। সেই জেরে তাঁর বাবাকে হত্যা করা হতে পারে।
রাজন আহমেদ আরও বলেন, গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে আইয়ুব আলী দরজির কাজ শেষ করে নকলা পৌরশহর থেকে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন। কিন্তু গভীর রাত অবধি আইয়ুর আলী বাড়িতে না ফেরায় পরিবারের লোকজন খোঁজ করতে শুরু করেন। পরবর্তীতে অনেক খোঁজাখুঁজির পর বাড়ির কাছাকাছি একটি পরিত্যক্ত ডোবায় আইয়ুব আলীর মরদেহ দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।
নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান জানান, খবর পেয়ে রাতেই আইয়ুব আলীর মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য শেরপুর জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আইয়ুব আলীর তিন ভাতিজা ও তাঁর এক ঘনিষ্ঠ সহচরকে আটক করা হয়েছে। পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।

জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরে বিএনপি ও জামায়াতের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় পাল্টাপাল্টি মামলা করা হয়েছে। এর মধ্যে জামায়াতের মামলায় ১৭০ এবং বিএনপির মামলায় ২১৭ জনকে আসামি করা হয়। গত শনিবার রাতে জামায়াত নেতা হেজবুল্লাহ এবং বিএনপির কর্মী কামাল হোসেন বাদী হয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানায় মামলা দুটি করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
২ ঘণ্টা আগে