শরীয়তপুর প্রতিনিধি

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শিশু দুই ভাইবোনের পর বড় বোন মীমও (১৪) মারা গেছে। আজ মঙ্গলবার বেলা ১টায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এর আগে ঢাকা নেওয়ার পথে গভীর রাতে মারা যায় ছোট বোন সামীয়া (১২) ও ভাই আরাফাত (৭)। নিহত শিশুরা উপজেলার সখিপুর থানার আশ্রাফ আলী ব্যাপারী কান্দী গ্রামের অটোরিকশাচালক মনসুর ঢালীর সন্তান। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান হাওলাদার।
পুলিশ বলছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডটি ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুর ১২টার দিকে শিশু সামিয়া ও আরাফাতের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। বিকেলে বাড়ির পাশে তাদের দাফন করা হয়। বেলা ১টার দিকে খবর আসে বড় বোন মীমও মারা গেছে। মীমের মরদেহ এখনো বাড়ি গিয়ে পৌঁছেনি।
মনসুর ঢালী ও রেহানা বেগমের তিন ছেলেমেয়েই। সবাইকে হারিয়ে বাবা মনসুর ঢালী ও রেহানা বেগম এখন পাগলপ্রায়। তাঁরা আহাজারি করছেন আর বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। তিন শিশুর মৃত্যুতে এলাকায়ও যেন শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয়রা বলছেন, সোমবার রাত ১০টার দিকে মীম, সামীয়া ও আরাফাত তাদের টিনশেড ঘরে ঘুমাচ্ছিল। তাদের মা রেহানা বেগম পাশের আরেকটি ঘরে তারাবিহর নামাজ পড়ছিলেন। বাবা মনসুর ঢালী মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে তখনো বাড়ি ফেরেননি।
হঠাৎ ওই ঘরটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘরটিতে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। প্রতিবেশী ও স্বজনেরা আগুন নেভাতে ছুটে যান। সেখানে তিন ভাইবোনকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত ভেদরগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের দ্রুত শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠিয়ে দেন। তাদের ঢাকা নেওয়ার পথে ভোররাত ৪টার দিকে সামীয়া ও আরাফাত মারা যায়। মীমকে নিয়ে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। আজ বেলা ১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মীমও মারা যায়।

শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় শিশু দুই ভাইবোনের পর বড় বোন মীমও (১৪) মারা গেছে। আজ মঙ্গলবার বেলা ১টায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।
এর আগে ঢাকা নেওয়ার পথে গভীর রাতে মারা যায় ছোট বোন সামীয়া (১২) ও ভাই আরাফাত (৭)। নিহত শিশুরা উপজেলার সখিপুর থানার আশ্রাফ আলী ব্যাপারী কান্দী গ্রামের অটোরিকশাচালক মনসুর ঢালীর সন্তান। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন সখিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আসাদুজ্জামান হাওলাদার।
পুলিশ বলছে, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে অগ্নিকাণ্ডটি ঘটে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, আজ দুপুর ১২টার দিকে শিশু সামিয়া ও আরাফাতের মরদেহ বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। বিকেলে বাড়ির পাশে তাদের দাফন করা হয়। বেলা ১টার দিকে খবর আসে বড় বোন মীমও মারা গেছে। মীমের মরদেহ এখনো বাড়ি গিয়ে পৌঁছেনি।
মনসুর ঢালী ও রেহানা বেগমের তিন ছেলেমেয়েই। সবাইকে হারিয়ে বাবা মনসুর ঢালী ও রেহানা বেগম এখন পাগলপ্রায়। তাঁরা আহাজারি করছেন আর বারবার মূর্ছা যাচ্ছেন। তিন শিশুর মৃত্যুতে এলাকায়ও যেন শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
স্থানীয়রা বলছেন, সোমবার রাত ১০টার দিকে মীম, সামীয়া ও আরাফাত তাদের টিনশেড ঘরে ঘুমাচ্ছিল। তাদের মা রেহানা বেগম পাশের আরেকটি ঘরে তারাবিহর নামাজ পড়ছিলেন। বাবা মনসুর ঢালী মসজিদ থেকে নামাজ পড়ে তখনো বাড়ি ফেরেননি।
হঠাৎ ওই ঘরটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। ঘরটিতে দাউ দাউ করে আগুন জ্বলতে থাকে। প্রতিবেশী ও স্বজনেরা আগুন নেভাতে ছুটে যান। সেখানে তিন ভাইবোনকে দগ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে দ্রুত ভেদরগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের দ্রুত শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে পাঠিয়ে দেন। তাদের ঢাকা নেওয়ার পথে ভোররাত ৪টার দিকে সামীয়া ও আরাফাত মারা যায়। মীমকে নিয়ে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়। আজ বেলা ১টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মীমও মারা যায়।

মাদারীপুরের শিবচরে এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। এই ঘটনায় নিহত নারীর স্বামীকে আটক করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দিবাগত গভীর রাতে শিবচর উপজেলার কুতুবপুর ইউনিয়নের আব্দুর রহমান ব্যাপারী কান্দি এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
১৪ মিনিট আগে
টানা শৈত্যপ্রবাহের প্রভাবে জেলার হাসপাতালগুলোতে শীতজনিত রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। সর্দি-কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, নিউমোনিয়া, ডায়রিয়াসহ নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে বয়স্ক, শিশুসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছে।
২১ মিনিট আগে
উপকূলীয় দ্বীপ জেলা ভোলায় পুকুরে ডুবে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় সেই ঝুঁকি কমানোর উদ্যোগ নিয়েছে এক শিক্ষার্থী। মো. তাহাসিন নামের ওই শিক্ষার্থী উদ্ভাবন করেছে ‘চাইল্ড সেফটি ডিভাইস’ নামের একটি বিশেষ যন্ত্র, যা পানিতে ডুবে গেলেই শিশুর অভিভাবকের মোবাইল ফোনে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সংকেত পাঠাবে।
২৬ মিনিট আগে
গভীর রাতে হঠাৎ বিএনপি কার্যালয় থেকে আগুনের শিখা উঠতে দেখে এক ব্যক্তি চিৎকার শুরু করেন। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেলেও কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পুড়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে