তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় চুরির অপবাদে মো. সাইদুর রহমান সানা (৩৫) নামে এক যুবককে গাছে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার রাঢ়ীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
সাইদুর রহমান সানা ওই গ্রামের আজগর আলী সানার ছেলে। বর্তমানে তিনি তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
চিকিৎসাধীন সাইদুর রহমান সানা আজ রোববার দুপুরে আজকের পত্রিকাকে জানান, তিনি কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। রাঢ়ীপাড়া গ্রামের রেজাউল ইসলাম ময়নার কাছে পাঁচ হাজার টাকা পান। টাকা চাইলেই টালবাহানা করেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাঁর বাড়িতে টাকা চাইতে যান। এ সময় ময়না মোটর চুরির অপবাদ দেয় তাঁর ওপর। একপর্যায়ে ময়নার নেতৃত্বে একই এলাকার সোবহান মোল্যা, সাগর মোড়ল, হাশেম মোড়ল, একরামুল, জসিম, সজীবসহ কয়েকজন তাঁকে গাছে বেঁধে নির্যাতন চালান। এ সময় সানার স্ত্রী ও মা পায়ে ধরলেও নির্যাতন বন্ধ করেননি রেজাউল ও তাঁর লোকজন।
পরে পাটকেলঘাটা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে। গত শুক্রবার সকালে পুলিশ সাইদুর রহমান সানাকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জিম্মায় দেয়। এ সময় পরিবারের লোকজন তাঁকে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাজীব সরদার বলেন, সানার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
অভিযুক্ত রেজাউল ইসলাম ময়নার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাঁকে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মফিদুল ইসলাম বলেন, ‘এলাকায় সাইদুর একজন ভালো ছেলে হিসেবে পরিচিত। সে চুরির মতো ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে না।’
পাটকেলঘাটা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আমির জানান, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাইদুর রহমান সানা নামের এক ব্যক্তিকে আহত অবস্থায় রাঢ়ীপাড়া গ্রাম থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে চুরির কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

সাতক্ষীরার তালা উপজেলায় চুরির অপবাদে মো. সাইদুর রহমান সানা (৩৫) নামে এক যুবককে গাছে বেঁধে নির্যাতন করা হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় উপজেলার রাঢ়ীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
সাইদুর রহমান সানা ওই গ্রামের আজগর আলী সানার ছেলে। বর্তমানে তিনি তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন।
চিকিৎসাধীন সাইদুর রহমান সানা আজ রোববার দুপুরে আজকের পত্রিকাকে জানান, তিনি কৃষিকাজ করে জীবিকা নির্বাহ করেন। রাঢ়ীপাড়া গ্রামের রেজাউল ইসলাম ময়নার কাছে পাঁচ হাজার টাকা পান। টাকা চাইলেই টালবাহানা করেন তিনি। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাঁর বাড়িতে টাকা চাইতে যান। এ সময় ময়না মোটর চুরির অপবাদ দেয় তাঁর ওপর। একপর্যায়ে ময়নার নেতৃত্বে একই এলাকার সোবহান মোল্যা, সাগর মোড়ল, হাশেম মোড়ল, একরামুল, জসিম, সজীবসহ কয়েকজন তাঁকে গাছে বেঁধে নির্যাতন চালান। এ সময় সানার স্ত্রী ও মা পায়ে ধরলেও নির্যাতন বন্ধ করেননি রেজাউল ও তাঁর লোকজন।
পরে পাটকেলঘাটা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁকে উদ্ধার করে। গত শুক্রবার সকালে পুলিশ সাইদুর রহমান সানাকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিদের জিম্মায় দেয়। এ সময় পরিবারের লোকজন তাঁকে তালা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রাজীব সরদার বলেন, সানার শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁকে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
অভিযুক্ত রেজাউল ইসলাম ময়নার সঙ্গে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তাঁকে পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. মফিদুল ইসলাম বলেন, ‘এলাকায় সাইদুর একজন ভালো ছেলে হিসেবে পরিচিত। সে চুরির মতো ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে না।’
পাটকেলঘাটা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. আমির জানান, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সাইদুর রহমান সানা নামের এক ব্যক্তিকে আহত অবস্থায় রাঢ়ীপাড়া গ্রাম থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে চুরির কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে