শ্যামনগর (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় মোখার কোনো ধরনের প্রভাব দেখা যায়নি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের প্রস্তুতি থাকলেও মোখার ন্যূনতম বিপদ আঁচ করতে পারেনি এখানকার মানুষ। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা ও সুন্দরবন রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে মোখার প্রভাব না পড়ার কথা জানা গেছে।
পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক ইকবাল হোসাইন চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নৌযান নিয়ে মান্দারবাড়িয়া পর্যন্ত ঘুরেও কোথাও কোনো সমস্যা চোখে পড়েনি।’
নদী সম্পূর্ণ শান্ত অবস্থায় রয়েছে জানিয়ে বন সংরক্ষক আরও বলেন, ‘সুন্দরবনের মধ্যে অস্বাভাবিক কোনো জোয়ারের সৃষ্টি না হওয়ায় প্রাণীকুলের ওপর প্রভাব পড়েনি।’
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এক সপ্তাহ ধরে আতঙ্ক বিরাজ করলেও আজ (রোববার) সকাল থেকে শ্যামনগর ও সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকার পরিবেশ স্বাভাবিক ছিল। মাঝেমধ্যে মেঘ-রৌদ্রের লুকোচুরি চললেও সারা দিনে কোথাও দমকা বাতাস কিংবা জড়ো আবহাওয়ার দেখা যায়নি।
এমনকি পার্শ্ববর্তী নদ-নদীর পানি জোয়ারে দু-এক ফুট বৃদ্ধি পেলেও তা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছায়নি। এ ছাড়া দিনভর কোথাও সামান্যতম বৃষ্টি না হলেও বেলা সাড়ে ৩টার দিকে পদ্মপুকুর ও গাবুরা উপকূলীয় এলাকায় সামান্য দমকা বাতাস বইতে থাকে।
আটুলিয়া গ্রামের জুবায়ের মাহমুদ বলেন, এক সপ্তাহ আগে পূর্বাভাস দেওয়ার পর থেকে মোখা নিয়ে তাঁরা চরম দুশ্চিন্তায় ছিলেন। তবে শনিবারের স্বাভাবিক আবহাওয়ার পর আজ সারা দিন তাঁরা মোখার ন্যূনতম প্রভাব বুঝতে পারেননি।
গাবুরা দৃষ্টিনন্দন এলাকার মোবাশ্শির বিল্লাহ জানান, প্রতিদিনের মতো আজ তাঁরা নির্বিঘ্নে কাটিয়ে দিয়েছেন। তাঁদের ইউনিয়নকে চারপাশে ঘিরে থাকা উপকূল রক্ষা বাঁধ নিয়ে চরম আতঙ্ক থাকলেও মোখা কক্সবাজারের দিকে সরে যাওয়ায় এ যাত্রায় তাঁদের রক্ষা মিলেছে।
শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আক্তার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘স্বেচ্ছাসেবকসহ ১০৩টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুতের পাশাপাশি নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড আর অপরাপর প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি ছিল। তবে প্রভাব না থাকায় কেউ এসব আশ্রয়কেন্দ্রে আসেনি, প্রবল শক্তিশালী মোখার কোনো প্রভাব স্থানীয়দের ওপর পড়েনি।’

সাতক্ষীরার শ্যামনগর ও সুন্দরবন উপকূলীয় এলাকায় ঘূর্ণিঝড় মোখার কোনো ধরনের প্রভাব দেখা যায়নি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের প্রস্তুতি থাকলেও মোখার ন্যূনতম বিপদ আঁচ করতে পারেনি এখানকার মানুষ। উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দা ও সুন্দরবন রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলে মোখার প্রভাব না পড়ার কথা জানা গেছে।
পশ্চিম সুন্দরবনের সাতক্ষীরা রেঞ্জের সহকারী বন সংরক্ষক ইকবাল হোসাইন চৌধুরী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নৌযান নিয়ে মান্দারবাড়িয়া পর্যন্ত ঘুরেও কোথাও কোনো সমস্যা চোখে পড়েনি।’
নদী সম্পূর্ণ শান্ত অবস্থায় রয়েছে জানিয়ে বন সংরক্ষক আরও বলেন, ‘সুন্দরবনের মধ্যে অস্বাভাবিক কোনো জোয়ারের সৃষ্টি না হওয়ায় প্রাণীকুলের ওপর প্রভাব পড়েনি।’
স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, এক সপ্তাহ ধরে আতঙ্ক বিরাজ করলেও আজ (রোববার) সকাল থেকে শ্যামনগর ও সুন্দরবনসংলগ্ন এলাকার পরিবেশ স্বাভাবিক ছিল। মাঝেমধ্যে মেঘ-রৌদ্রের লুকোচুরি চললেও সারা দিনে কোথাও দমকা বাতাস কিংবা জড়ো আবহাওয়ার দেখা যায়নি।
এমনকি পার্শ্ববর্তী নদ-নদীর পানি জোয়ারে দু-এক ফুট বৃদ্ধি পেলেও তা বিপজ্জনক পর্যায়ে পৌঁছায়নি। এ ছাড়া দিনভর কোথাও সামান্যতম বৃষ্টি না হলেও বেলা সাড়ে ৩টার দিকে পদ্মপুকুর ও গাবুরা উপকূলীয় এলাকায় সামান্য দমকা বাতাস বইতে থাকে।
আটুলিয়া গ্রামের জুবায়ের মাহমুদ বলেন, এক সপ্তাহ আগে পূর্বাভাস দেওয়ার পর থেকে মোখা নিয়ে তাঁরা চরম দুশ্চিন্তায় ছিলেন। তবে শনিবারের স্বাভাবিক আবহাওয়ার পর আজ সারা দিন তাঁরা মোখার ন্যূনতম প্রভাব বুঝতে পারেননি।
গাবুরা দৃষ্টিনন্দন এলাকার মোবাশ্শির বিল্লাহ জানান, প্রতিদিনের মতো আজ তাঁরা নির্বিঘ্নে কাটিয়ে দিয়েছেন। তাঁদের ইউনিয়নকে চারপাশে ঘিরে থাকা উপকূল রক্ষা বাঁধ নিয়ে চরম আতঙ্ক থাকলেও মোখা কক্সবাজারের দিকে সরে যাওয়ায় এ যাত্রায় তাঁদের রক্ষা মিলেছে।
শ্যামনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আক্তার হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘স্বেচ্ছাসেবকসহ ১০৩টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুতের পাশাপাশি নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড আর অপরাপর প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রস্তুতি ছিল। তবে প্রভাব না থাকায় কেউ এসব আশ্রয়কেন্দ্রে আসেনি, প্রবল শক্তিশালী মোখার কোনো প্রভাব স্থানীয়দের ওপর পড়েনি।’

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
৩ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে