পাটকেলঘাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ঝগড়ার জেরে সাগর ফারুক হোসেন (৪২) নামের এক অভিভাবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার ধানদিয়া কাটাখালী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত সাগর ফারুক হোসেন ধানদিয়ার বেগম খালেদা জিয়া কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী সাগর হোসেন বাদশার বাবা। তাঁর বাড়ি উপজেলার কাটাখালী গ্রামে।
নিহতের প্রতিবেশী ময়নুল আমিন মিঠু বলেন, আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ফারুকের ছেলে বাদশা এইচএসসি (ব্যবহারিক) পরীক্ষা দিতে যাচ্ছিলেন। পথে অশোক মোড় এলাকায় সহপাঠী নয়ন ও লাকীর সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয়। এ সময় তাঁরা তাঁকে মারধর করেন। বাদশা কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরে ঘটনাটি তাঁর বাবাকে জানান। পরে তাঁর বাবা ফারুক গিয়ে মারধরের কারণ জানতে চাইলে নয়ন তাঁর মামা কৃষ্ণনগর গ্রামের রুবেল হোসেনকে মোবাইল ফোনে ডেকে আনেন। একপর্যায়ে তাঁরা তিনজন মিলে ফারুককে মারধর করেন। তাতে তিনি মারাত্মক আহত হন।
স্থানীয়দের উদ্ধৃতি দিয়ে পুলিশ জানায়, রুবেল কয়েকজন সন্ত্রাসীকে নিয়ে ফারুককে বেধড়ক পেটান। তাতে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসার জন্য তাঁকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে ত্রিশমাইল এলাকায় তিনি মারা যান।
ঘটনার পর থেকে হামলাকারীরা পলাতক রয়েছেন। এ কারণে তাঁদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ফারুকের মৃত্যুর খবর শুনে আমি ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে রয়েছি। পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

সাতক্ষীরার পাটকেলঘাটায় এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ঝগড়ার জেরে সাগর ফারুক হোসেন (৪২) নামের এক অভিভাবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার ধানদিয়া কাটাখালী এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
নিহত সাগর ফারুক হোসেন ধানদিয়ার বেগম খালেদা জিয়া কলেজের এইচএসসি পরীক্ষার্থী সাগর হোসেন বাদশার বাবা। তাঁর বাড়ি উপজেলার কাটাখালী গ্রামে।
নিহতের প্রতিবেশী ময়নুল আমিন মিঠু বলেন, আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ফারুকের ছেলে বাদশা এইচএসসি (ব্যবহারিক) পরীক্ষা দিতে যাচ্ছিলেন। পথে অশোক মোড় এলাকায় সহপাঠী নয়ন ও লাকীর সঙ্গে বাগ্বিতণ্ডা হয়। এ সময় তাঁরা তাঁকে মারধর করেন। বাদশা কাঁদতে কাঁদতে বাড়ি ফিরে ঘটনাটি তাঁর বাবাকে জানান। পরে তাঁর বাবা ফারুক গিয়ে মারধরের কারণ জানতে চাইলে নয়ন তাঁর মামা কৃষ্ণনগর গ্রামের রুবেল হোসেনকে মোবাইল ফোনে ডেকে আনেন। একপর্যায়ে তাঁরা তিনজন মিলে ফারুককে মারধর করেন। তাতে তিনি মারাত্মক আহত হন।
স্থানীয়দের উদ্ধৃতি দিয়ে পুলিশ জানায়, রুবেল কয়েকজন সন্ত্রাসীকে নিয়ে ফারুককে বেধড়ক পেটান। তাতে তিনি গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। চিকিৎসার জন্য তাঁকে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে নেওয়ার পথে ত্রিশমাইল এলাকায় তিনি মারা যান।
ঘটনার পর থেকে হামলাকারীরা পলাতক রয়েছেন। এ কারণে তাঁদের বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পাটকেলঘাটা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ হোসেন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ফারুকের মৃত্যুর খবর শুনে আমি ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে রয়েছি। পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হচ্ছে। এ বিষয়ে মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

এবার রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছ থেকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পেলেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ (সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুই ইউনিয়ন) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন, ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করে...
২৩ মিনিট আগে
খুব সকালে কড়া নিরাপত্তার মাধ্যমে চিন্ময়সহ ২৩ আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি মিলিয়ে শতাধিক সদস্য আদালত প্রাঙ্গণে মোতায়েন করা হয়। খুব কম সময়ের মধ্যে আদালতে মামলার কার্যক্রম শেষ করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ফাওজুল কবির খান বলেন, ‘আপনি যদি বাংলাদেশের মঙ্গল চান, আপনি যদি রাজপথের সহিংসতা দেখতে না চান, যদি মানুষের খুন দেখতে না চান—তাহলে অবশ্যই ‘হ্যাঁ’ ভোট দেবেন। দেশের চাবি আপনার হাতে। এই জন্যই আমাদের গণভোটের প্রচারণায় ভোটের গাড়ি।
১ ঘণ্টা আগে
বাড্ডায় সড়ক ছেড়ে গেছেন অবরোধরত ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকেরা। এতে কুড়িল-রামপুরা সড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে। আজ সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বাড্ডার ফুজি টাওয়ার এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন তাঁরা।
১ ঘণ্টা আগে