কলারোয়া (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার কলারোয়া সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে জমির দলিল রেজিস্ট্রেশন স্টাম্প কর, লোকাল পৌর কর ও স্থানীয় সরকার কর থেকে গত এক মাসে ১ কোটি ১৫ লাখ ৩৮ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়েছে। আজ বুধবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার কর্মকর্তা মো. মঞ্জুরুল হাসান।
মো. মঞ্জুরুল হাসান বলেন, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে কলারোয়া সাব-রেজিস্ট্রার অফিস থেকে সরকার রাজস্ব পেয়েছে ১ কোটি ১৫ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৫ টাকা ৫০ পয়সা। উপজেলার পৌর কর, লোকাল কর, জমি রেজিস্ট্রেশন স্ট্যাম্প করসহ অফিসের আনুষঙ্গিক অর্থ আসে এমন সব স্থান থেকে এই রাজস্ব উত্তোলন করা হয়েছে। গত ডিসেম্বর মাসে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা মোট ৮৬৮টি দলিল রেজিস্ট্রি করা হয়। কলারোয়া উপজেলায় জমির মূল্য কম। এ জন্য রাজস্ব অনেকাংশে কম হয়। তবে ছোট উপজেলা হলেও কলারোয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিস জনগুরুত্বপূর্ণ।
সরকারি রাজস্ব আহরণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য জমির দলিল রেজিস্ট্রেশন থেকে ২০ লাখ ২৪ হাজার ৪৩৮ টাকা এবং স্থানীয় সরকার কর থেকে ৪৭ লাখ ৮৮ হাজার ৮৮০ টাকা ৫ পয়সা আয় হয়েছে।
সাব রেজিস্ট্রার কর্মকর্তা আরও বলেন, কোনো দালালের দৌরাত্ম্যে না পড়ে সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে সরকারনির্ধারিত জমির ভ্যাট-ট্যাক্স ও কর পরিশোধ করলে নিজের অর্থের অপচয় যেমন কম হবে, তেমনি দেশের উন্নয়নের অগ্রগতি আরও ত্বরান্বিত হবে। সাব রেজিস্ট্রার অফিস থেকে রাজস্ব আহরণ করা অর্থ জেলা কোষাগারে নথিবদ্ধ করে জমা দেওয়া হয়।

সাতক্ষীরার কলারোয়া সাব-রেজিস্ট্রার অফিসে জমির দলিল রেজিস্ট্রেশন স্টাম্প কর, লোকাল পৌর কর ও স্থানীয় সরকার কর থেকে গত এক মাসে ১ কোটি ১৫ লাখ ৩৮ হাজার টাকা রাজস্ব আদায় করা হয়েছে। আজ বুধবার সকালে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার কর্মকর্তা মো. মঞ্জুরুল হাসান।
মো. মঞ্জুরুল হাসান বলেন, গত বছরের ডিসেম্বর মাসে কলারোয়া সাব-রেজিস্ট্রার অফিস থেকে সরকার রাজস্ব পেয়েছে ১ কোটি ১৫ লাখ ৩৮ হাজার ৬৮৫ টাকা ৫০ পয়সা। উপজেলার পৌর কর, লোকাল কর, জমি রেজিস্ট্রেশন স্ট্যাম্প করসহ অফিসের আনুষঙ্গিক অর্থ আসে এমন সব স্থান থেকে এই রাজস্ব উত্তোলন করা হয়েছে। গত ডিসেম্বর মাসে উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে আসা মোট ৮৬৮টি দলিল রেজিস্ট্রি করা হয়। কলারোয়া উপজেলায় জমির মূল্য কম। এ জন্য রাজস্ব অনেকাংশে কম হয়। তবে ছোট উপজেলা হলেও কলারোয়া সাব-রেজিস্ট্রি অফিস জনগুরুত্বপূর্ণ।
সরকারি রাজস্ব আহরণের মধ্যে উল্লেখযোগ্য জমির দলিল রেজিস্ট্রেশন থেকে ২০ লাখ ২৪ হাজার ৪৩৮ টাকা এবং স্থানীয় সরকার কর থেকে ৪৭ লাখ ৮৮ হাজার ৮৮০ টাকা ৫ পয়সা আয় হয়েছে।
সাব রেজিস্ট্রার কর্মকর্তা আরও বলেন, কোনো দালালের দৌরাত্ম্যে না পড়ে সরাসরি ব্যাংকের মাধ্যমে সরকারনির্ধারিত জমির ভ্যাট-ট্যাক্স ও কর পরিশোধ করলে নিজের অর্থের অপচয় যেমন কম হবে, তেমনি দেশের উন্নয়নের অগ্রগতি আরও ত্বরান্বিত হবে। সাব রেজিস্ট্রার অফিস থেকে রাজস্ব আহরণ করা অর্থ জেলা কোষাগারে নথিবদ্ধ করে জমা দেওয়া হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে