
সাতক্ষীরা কারাগার থেকে পালিয়ে যাওয়ার প্রায় দুই বছর পর দুই সাজাপ্রাপ্ত আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার রাতে শ্যামনগর উপজেলার পৃথক এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার দুজন হলেন শ্যামনগরের শ্রীফলকাটি গ্রামের মৃত মোহাম্মদ গাজীর ছেলে মোজাম গাজী (৪৯) ও নওয়াবেঁকী গ্রামের আবের গাজীর ছেলে রফিকুল ইসলাম গাজী (৩৮)।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাফিউল ইসলাম পাটোয়ারী জানান, গতকাল মঙ্গলবার রাত সাড়ে ৮টার দিকে শ্রীফলকাটি এলাকায় অভিযান চালিয়ে মোজাম গাজীকে এবং রাত সাড়ে ১০টার দিকে নওয়াবেঁকী এলাকায় অভিযান চালিয়ে রফিকুল ইসলাম গাজীকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা দুজনই সাতক্ষীরা কারাগারের হাজতি ছিলেন এবং পালিয়ে যাওয়ার পর নিজ নিজ এলাকায় আত্মগোপনে ছিলেন।
পুলিশ জানায়, চেক ডিজঅনারের মামলায় মোজাম গাজীর এক বছরের এবং রফিকুল ইসলাম গাজীর ১০ মাসের সাজা হয়েছিল। তাঁদের আজ বুধবার আদালতে হাজির করা হবে।
প্রসঙ্গত, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর সাতক্ষীরা কারাগারে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটে। এ সময় ৮৭ জন বন্দী পালিয়ে যান। এ ঘটনায় কারাগারের তৎকালীন জেলার হাসনাহেনা বিথী বাদী হয়ে তাঁদের বিরুদ্ধে ওই বছরের ১৫ আগস্ট মামলা সদর থানায় মামলা করেন।
পুলিশের তথ্য অনুযায়ী, ওই মামলায় মোজাম, রফিকুলসহ ৪৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এখনো ৩৯ জন পলাতক রয়েছেন।

উন্নয়নকাজের দীর্ঘসূত্রতায় দুর্ভোগে রয়েছে রাজশাহীর নগরবাসী। চারটি ফ্লাইওভার নির্মাণ এবং ওয়াসার পাইপলাইন সম্প্রসারণকাজে শহরের প্রধান সড়কগুলোর কোথাও বন্ধ, কোথাও সংকুচিত হয়ে পড়েছে চলাচলের পথ। কোথাও বড় বড় গর্ত, কোথাও কাদাপানি; সামান্য বৃষ্টিতেই বাড়ছে ভোগান্তি।
১ ঘণ্টা আগে
বগুড়ার ধুনটে যমুনা নদীর অব্যাহত ভাঙনরোধে নেওয়া হচ্ছে না কোনো স্থায়ী ব্যবস্থা। ফলে ভয়াবহ রূপ নিয়েছে যমুনার ভাঙন। গত কয়েক দিনের ভাঙনে বহু মানুষের আবাদি জমি, বসতভিটা বিলীন হয়েছে। যমুনায় সব হারিয়ে এখন অথৈ সাগরে পড়েছেন নদীপারের বাসিন্দারা।
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) মহাব্যবস্থাপক (অর্থ) মুহাম্মদ মোরশেদ হোসাইন আজাদ বয়স জালিয়াতি করে ১৭ বছর ধরে প্রতিষ্ঠানটিতে চাকরি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। অফিস অর্গানোগ্রামের (প্রতিষ্ঠানের জনবলকাঠামো) বাইরে গিয়ে তিনি পদোন্নতিও পেয়েছেন বলে জানা গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
বগুড়ার ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট মোহাম্মদ আলী হাসপাতালে প্রায় ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মাণ করা হয়েছিল ১০ শয্যার বার্ন ইউনিট। এর নির্মাণকাজ শেষ হয় ২০১৯ সালের অক্টোবরে। সাত বছর পেরিয়ে গেলেও এই ইউনিট চালু হয়নি। নেই বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, প্রয়োজনীয় নার্স ও চিকিৎসা সরঞ্জাম। এমনকি হাসপাতালের অর্গানোগ্রামেও বার্ন ইউনিটের অ
১ ঘণ্টা আগে