সাতক্ষীরা প্রতিনিধি

বাইকে চড়ে ২৯টি দেশ ঘুরে ৩০তম দেশ বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছেন রোমানিয়ার এক তরুণী। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন দুই বন্ধু। ভারত থেকে ভোমরার স্থলবন্দর দিয়ে সাতক্ষীরায় ঢোকেন তাঁরা। এখন থাকছেন শহরের অদূরে বিনেরপোতা এলাকার ঋশিল্পী ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি বেসরকারি সংস্থার কোয়ার্টারে।
আজ শুক্রবার ঋশিল্পীতে তাঁদের সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তাঁদের একজন আন্দ্রেয়া। তিনি অবশ্য ইতালির নাগরিক। এসেছেন এক মাস আগেই। মূলত তাঁর আমন্ত্রণেই পরে এসেছেন দুই বন্ধু এলেনা এক্সিন্তে ও ইলেরিও লাভাররা। আন্দ্রেয়া শুনিয়েছেন সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খলিশখালী ইউনিয়নের হরিণখোলা গ্রামের শিশু কাকলির সঙ্গে তাঁর পরিচয় ও পড়াশোনার ব্যয়ভার কাঁধে নেওয়ার গল্প।
রোমানীয় তরুণী এলেনা ২০১৯ সালে ইতালির মিলান সিটি থেকে যাত্রা শুরু করেন। রোমানিয়ায় জন্মালেও পরিবারসহ এখন বাস করেন ইতালিতে। তাঁর বাহন ৮৫০ সিসির মোটরসাইকেল। এই বাইকেই তিনি পুরো পৃথিবী ঘুরতে চান।
এলেনা আসার এক মাস আগে ইতালি থেকে বাইকে চড়ে সাতক্ষীরায় এসেছেন তাঁর বন্ধু আন্দ্রেয়া। তিনি ঋশিল্পী ইন্টারন্যাশনালের একজন ডোনার। এই সংস্থা গরিব ও অসহায় এবং ঝরে পড়া শিশুদের জন্য একটি কমিউনিটি বিদ্যালয় পরিচালনা করে। কাকলি সেই বিদ্যালয়েই পড়ে। সে হরিণখোলা গ্রামের গোবিন্দ সরকারের দুই মেয়ের মধ্যে বড়। ছোট মেয়ের বয়স চার বছর।
আন্দ্রেয়া জানান, কাকলি নামের একটি মেয়েকে তিনি বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেন। কাকলির জন্যই তাঁর সাতক্ষীরায় আসা। আন্দ্রেয়া বলেন, ‘আমার আহ্বানে বন্ধু এলেনা ও ইলেরিও ৩১ জানুয়ারি ভোমরা স্থলবন্দর হয়ে সাতক্ষীরায় এসেছেন। এখানকার সংস্কৃতি ও মানুষদের মিশুক স্বভাব খুব ভালো লেগেছে।’ জীবনে সুযোগ পেলে আবারও বাংলাদেশে আসতে চান আন্দ্রেয়া।
ঋশিল্পী ইন্টারন্যাশনালের প্রজেক্ট ম্যানেজার মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘সাতক্ষীরার হরিণখোলা গ্রামের কাকলি সরকার নামের ৯ বছরের একটি মেয়ের লেখাপড়ার জন্য সহযোগিতা করেন ইতালির নাগরিক আন্দ্রেয়া দেলসোলভাতর (৩২)। কাকলি পাঁচ বছর বয়স থেকে ঋশিল্পী স্কুলে পড়ালেখা করে। আন্দ্রেয়া ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একজন ডোনার। প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আন্দ্রেয়ার কাছে ছয় বছর বয়সে চিঠি লেখে কাকলি। সেই থেকে আন্দ্রেয়ার সঙ্গে চিঠি ও ছবি পাঠানো চলছে তার। বর্তমানে কাকলি তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ছে।’
কাকলি ও সংস্থাটিকে দেখতে এক মাস আগে সাতক্ষীরায় এসেছেন ইতালির নাগরিক আন্দ্রেয়া। আন্দ্রেয়া ইতালিতে লেখাপড়া করেছেন পরিবেশবিজ্ঞান নিয়ে। ভেসপা স্কুটি চালিয়ে এত পথ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন তিনি।
আন্দ্রেয়া বলেন, ‘আমি মাঝেমধ্যে কাকলিদের বাড়িতে যাচ্ছি। কয়েক দিন আগে সরস্বতী পূজায় ওদের বাড়িতে গিয়েছিলাম। বাংলাদেশের গ্রামের সৌন্দর্য অসাধারণ। কাকলিকে দেখতে আমি বাংলাদেশে এসেছি। সে যত দিন পড়তে চায়, আমি তার আর্থিক সহযোগিতা দেব।’
আন্দ্রেয়ার আরেক বন্ধু ইলেরিও লাভাররা ইতালির নাগরিক। তিনি অর্থনীতিতে পিএইচডি করেছেন। আন্দ্রেয়ার আমন্ত্রণে বাংলাদেশে এসেছেন এলেনার সঙ্গে। বাংলাদেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে বই লিখবেন বলে জানান তিনি।

বাইকে চড়ে ২৯টি দেশ ঘুরে ৩০তম দেশ বাংলাদেশে এসে পৌঁছেছেন রোমানিয়ার এক তরুণী। তাঁর সঙ্গে রয়েছেন দুই বন্ধু। ভারত থেকে ভোমরার স্থলবন্দর দিয়ে সাতক্ষীরায় ঢোকেন তাঁরা। এখন থাকছেন শহরের অদূরে বিনেরপোতা এলাকার ঋশিল্পী ইন্টারন্যাশনাল নামের একটি বেসরকারি সংস্থার কোয়ার্টারে।
আজ শুক্রবার ঋশিল্পীতে তাঁদের সঙ্গে কথা হয় এই প্রতিবেদকের। তাঁদের একজন আন্দ্রেয়া। তিনি অবশ্য ইতালির নাগরিক। এসেছেন এক মাস আগেই। মূলত তাঁর আমন্ত্রণেই পরে এসেছেন দুই বন্ধু এলেনা এক্সিন্তে ও ইলেরিও লাভাররা। আন্দ্রেয়া শুনিয়েছেন সাতক্ষীরার তালা উপজেলার খলিশখালী ইউনিয়নের হরিণখোলা গ্রামের শিশু কাকলির সঙ্গে তাঁর পরিচয় ও পড়াশোনার ব্যয়ভার কাঁধে নেওয়ার গল্প।
রোমানীয় তরুণী এলেনা ২০১৯ সালে ইতালির মিলান সিটি থেকে যাত্রা শুরু করেন। রোমানিয়ায় জন্মালেও পরিবারসহ এখন বাস করেন ইতালিতে। তাঁর বাহন ৮৫০ সিসির মোটরসাইকেল। এই বাইকেই তিনি পুরো পৃথিবী ঘুরতে চান।
এলেনা আসার এক মাস আগে ইতালি থেকে বাইকে চড়ে সাতক্ষীরায় এসেছেন তাঁর বন্ধু আন্দ্রেয়া। তিনি ঋশিল্পী ইন্টারন্যাশনালের একজন ডোনার। এই সংস্থা গরিব ও অসহায় এবং ঝরে পড়া শিশুদের জন্য একটি কমিউনিটি বিদ্যালয় পরিচালনা করে। কাকলি সেই বিদ্যালয়েই পড়ে। সে হরিণখোলা গ্রামের গোবিন্দ সরকারের দুই মেয়ের মধ্যে বড়। ছোট মেয়ের বয়স চার বছর।
আন্দ্রেয়া জানান, কাকলি নামের একটি মেয়েকে তিনি বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেন। কাকলির জন্যই তাঁর সাতক্ষীরায় আসা। আন্দ্রেয়া বলেন, ‘আমার আহ্বানে বন্ধু এলেনা ও ইলেরিও ৩১ জানুয়ারি ভোমরা স্থলবন্দর হয়ে সাতক্ষীরায় এসেছেন। এখানকার সংস্কৃতি ও মানুষদের মিশুক স্বভাব খুব ভালো লেগেছে।’ জীবনে সুযোগ পেলে আবারও বাংলাদেশে আসতে চান আন্দ্রেয়া।
ঋশিল্পী ইন্টারন্যাশনালের প্রজেক্ট ম্যানেজার মাহমুদুর রহমান বলেন, ‘সাতক্ষীরার হরিণখোলা গ্রামের কাকলি সরকার নামের ৯ বছরের একটি মেয়ের লেখাপড়ার জন্য সহযোগিতা করেন ইতালির নাগরিক আন্দ্রেয়া দেলসোলভাতর (৩২)। কাকলি পাঁচ বছর বয়স থেকে ঋশিল্পী স্কুলে পড়ালেখা করে। আন্দ্রেয়া ওই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের একজন ডোনার। প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আন্দ্রেয়ার কাছে ছয় বছর বয়সে চিঠি লেখে কাকলি। সেই থেকে আন্দ্রেয়ার সঙ্গে চিঠি ও ছবি পাঠানো চলছে তার। বর্তমানে কাকলি তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ছে।’
কাকলি ও সংস্থাটিকে দেখতে এক মাস আগে সাতক্ষীরায় এসেছেন ইতালির নাগরিক আন্দ্রেয়া। আন্দ্রেয়া ইতালিতে লেখাপড়া করেছেন পরিবেশবিজ্ঞান নিয়ে। ভেসপা স্কুটি চালিয়ে এত পথ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসেছেন তিনি।
আন্দ্রেয়া বলেন, ‘আমি মাঝেমধ্যে কাকলিদের বাড়িতে যাচ্ছি। কয়েক দিন আগে সরস্বতী পূজায় ওদের বাড়িতে গিয়েছিলাম। বাংলাদেশের গ্রামের সৌন্দর্য অসাধারণ। কাকলিকে দেখতে আমি বাংলাদেশে এসেছি। সে যত দিন পড়তে চায়, আমি তার আর্থিক সহযোগিতা দেব।’
আন্দ্রেয়ার আরেক বন্ধু ইলেরিও লাভাররা ইতালির নাগরিক। তিনি অর্থনীতিতে পিএইচডি করেছেন। আন্দ্রেয়ার আমন্ত্রণে বাংলাদেশে এসেছেন এলেনার সঙ্গে। বাংলাদেশ ভ্রমণের অভিজ্ঞতা নিয়ে বই লিখবেন বলে জানান তিনি।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে