তালা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ভিডব্লিউভি (চাল) কার্ডের উপকারভোগী তালিকায় ইউপি সদস্য মো. মফিজুল ইসলামের স্ত্রীসহ ধনী ও আত্মীয়স্বজনের নাম অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে তালা উপজেলা নাগরিক কমিটি।
বুধবার (১৮ জুন) অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইউএনও শেখ মো. রাসেল উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তাকে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, গত ৪ জুন সদর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে প্যানেল চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তার উপস্থিতিতে যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। সেদিন ৮২ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হলেও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে জনসংখ্যা অনুপাতে মাত্র ৪২ জনকে ভাতা প্রদানের কথা ছিল।
সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী, কোনো চাকরিজীবীর পরিবারের সদস্য, চলমান কোনো ভাতাভোগী, দুটির বেশি সন্তানের মা কিংবা ধনী পরিবারের কেউ এই ভাতার আওতায় আসতে পারেন না। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, এসব নীতিমালা উপেক্ষা করে ইউপি সদস্য মফিজুল ইসলাম তাঁর স্ত্রী জুলিয়া খাতুনসহ ধনী ও চলমান ভাতাভোগীদের তালিকাভুক্ত করেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, ৪২ নম্বর ক্রমিক নম্বরে জুলিয়া খাতুন ছাড়াও ১১৬ নম্বরে পপি খাতুন, ৭৭ নম্বরে লিপিয়া খাতুন, ৮৮ নম্বরে সুরাইয়া বেগম, ৩ নম্বরে তহমিনা বেগম, ৭২ নম্বরে আসমা খাতুন, ৫৮ নম্বরে ইয়াসমিন, ১১১ নম্বরে ফাতেমা খাতুন, ৬১ নম্বরে ইতি খাতুন, ১১৩ নম্বরে জান্নাতুল খাতুন এবং ১০ নম্বরে বৃষ্টি খাতুনের নাম রয়েছে, যাঁদের অধিকাংশেরই পাকা বাড়ি রয়েছে এবং আগে থেকেই কোনো না কোনো ভাতা চালু রয়েছে।
উপজেলা নাগরিক কমিটির সহসভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা বলেন, ‘আমি যাচাই-বাছাইয়ের সময় নিজে উপস্থিত ছিলাম। তবে আমরা চলে আসার পর ইউপি সদস্যরা যোগসাজশ করে নিয়মবহির্ভূতভাবে তালিকায় পরিবর্তন এনেছেন। এটি সরকারি নির্দেশনার সরাসরি লঙ্ঘন। তাই আমি ইউএনও বরাবর অভিযোগ করেছি।’
এ বিষয়ে ইউপি সদস্য মফিজুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোনে কথা বলতে অপারগতা জানান এবং সরাসরি সাক্ষাতে কথা বলবেন বলে জানান।
উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার বলেন, ‘ইউএনও মহোদয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মো. রাসেল বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তাকে তদন্ত করতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পেলে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

সাতক্ষীরার তালা উপজেলার সদর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডে ভিডব্লিউভি (চাল) কার্ডের উপকারভোগী তালিকায় ইউপি সদস্য মো. মফিজুল ইসলামের স্ত্রীসহ ধনী ও আত্মীয়স্বজনের নাম অন্তর্ভুক্তির অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি তদন্ত করে ব্যবস্থা নিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে তালা উপজেলা নাগরিক কমিটি।
বুধবার (১৮ জুন) অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে ইউএনও শেখ মো. রাসেল উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তাকে বিষয়টি তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।
অভিযোগপত্র সূত্রে জানা যায়, গত ৪ জুন সদর ইউনিয়ন পরিষদ হলরুমে প্যানেল চেয়ারম্যান, ইউপি সদস্য, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তি এবং উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তার উপস্থিতিতে যাচাই-বাছাই কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হয়। সেদিন ৮২ জনের সাক্ষাৎকার নেওয়া হলেও ৯ নম্বর ওয়ার্ডে জনসংখ্যা অনুপাতে মাত্র ৪২ জনকে ভাতা প্রদানের কথা ছিল।
সরকারি পরিপত্র অনুযায়ী, কোনো চাকরিজীবীর পরিবারের সদস্য, চলমান কোনো ভাতাভোগী, দুটির বেশি সন্তানের মা কিংবা ধনী পরিবারের কেউ এই ভাতার আওতায় আসতে পারেন না। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে, এসব নীতিমালা উপেক্ষা করে ইউপি সদস্য মফিজুল ইসলাম তাঁর স্ত্রী জুলিয়া খাতুনসহ ধনী ও চলমান ভাতাভোগীদের তালিকাভুক্ত করেন। অভিযোগে আরও বলা হয়, ৪২ নম্বর ক্রমিক নম্বরে জুলিয়া খাতুন ছাড়াও ১১৬ নম্বরে পপি খাতুন, ৭৭ নম্বরে লিপিয়া খাতুন, ৮৮ নম্বরে সুরাইয়া বেগম, ৩ নম্বরে তহমিনা বেগম, ৭২ নম্বরে আসমা খাতুন, ৫৮ নম্বরে ইয়াসমিন, ১১১ নম্বরে ফাতেমা খাতুন, ৬১ নম্বরে ইতি খাতুন, ১১৩ নম্বরে জান্নাতুল খাতুন এবং ১০ নম্বরে বৃষ্টি খাতুনের নাম রয়েছে, যাঁদের অধিকাংশেরই পাকা বাড়ি রয়েছে এবং আগে থেকেই কোনো না কোনো ভাতা চালু রয়েছে।
উপজেলা নাগরিক কমিটির সহসভাপতি রেজাউল ইসলাম রেজা বলেন, ‘আমি যাচাই-বাছাইয়ের সময় নিজে উপস্থিত ছিলাম। তবে আমরা চলে আসার পর ইউপি সদস্যরা যোগসাজশ করে নিয়মবহির্ভূতভাবে তালিকায় পরিবর্তন এনেছেন। এটি সরকারি নির্দেশনার সরাসরি লঙ্ঘন। তাই আমি ইউএনও বরাবর অভিযোগ করেছি।’
এ বিষয়ে ইউপি সদস্য মফিজুল ইসলামের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ফোনে কথা বলতে অপারগতা জানান এবং সরাসরি সাক্ষাতে কথা বলবেন বলে জানান।
উপজেলা মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা নাজমুন নাহার বলেন, ‘ইউএনও মহোদয় তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ মো. রাসেল বলেন, ‘অভিযোগ পাওয়ার পর মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তাকে তদন্ত করতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদন হাতে পেলে যথাযথ পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে