বদরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি

কনেকে তাঁর শ্বশুরবাড়ি নিয়ে যেতে সড়কপথে নানা ধরনের যানবাহন ব্যবহার হয়, যা একটি প্রচলিত চিত্র। তবে রংপুরের বদরগঞ্জে আজ শুক্রবার এক কনে আকাশপথে হেলিকপ্টারে করে তাঁর শ্বশুরবাড়ি যান। এ এলাকার জন্য এটি একটি নতুন ঘটনা।
হেলিকপ্টারে কনে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখতে আজ সকাল থেকে কনে সালেহা আক্তার লাবনীর বাড়ির পাশে হাজারো নারী-পুরুষ-শিশুর ভিড় জমে। এলাকাবাসী, বিশেষ করে স্থানীয় গৃহবধূরা, খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান। তাঁরা অনেকেই বলেন, ‘হেলিকপ্টারটি কখনো বাড়ির ওপর দিয়ে উড়তে দেখেছি, কিন্তু এভাবে হেলিকপ্টারে চড়ে কনেকে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার দৃশ্য একেবারেই নতুন।’
বদরগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের মিষ্টি ব্যবসায়ী লাভলু রহমানের মেয়ে সালেহা আক্তার লাবনীর সঙ্গে সিলেটের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার জাবদা গ্রামের মো. রেণু মিয়া চৌধুরীর ছেলে নাজিমউদ্দিনের বিয়ের ঘটনা এটি। গতকাল বৃহস্পতিবার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় এবং কনে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেবিকা (নার্স) হিসেবে কর্মরত আর বর নাজিমউদ্দিন সিলেট আদালতের আইনজীবী।
কনের চাচা আতিয়ার রহমান বলেন, ‘আগেই পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। দুই পরিবার মিলে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। আজ সকালে কনেকে হেলিকপ্টারে শ্বশুরবাড়ি পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। তবে আবহাওয়া খারাপ থাকায় গতকাল হেলিকপ্টারটি বগুড়ায় অবতরণ করতে বাধ্য হয়। আজ আবহাওয়া ভালো থাকায় হেলিকপ্টারটি কনেকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি যায়।’
বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের নিকাহ নিবন্ধক আব্দুল মাবুদ বলেন, ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেনমোহরে বিয়ে হয়।
পরিস্থিতি সামলাতে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও এ সময় উপস্থিত ছিল। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আতিকুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, হেলিকপ্টারটি ওই এলাকায় অবতরণের ঘটনায় কনের পরিবার পুলিশের সাহায্য চেয়েছিল। এ জন্য পুলিশ পাঠানো হয়েছিল।

কনেকে তাঁর শ্বশুরবাড়ি নিয়ে যেতে সড়কপথে নানা ধরনের যানবাহন ব্যবহার হয়, যা একটি প্রচলিত চিত্র। তবে রংপুরের বদরগঞ্জে আজ শুক্রবার এক কনে আকাশপথে হেলিকপ্টারে করে তাঁর শ্বশুরবাড়ি যান। এ এলাকার জন্য এটি একটি নতুন ঘটনা।
হেলিকপ্টারে কনে নিয়ে যাওয়ার দৃশ্য দেখতে আজ সকাল থেকে কনে সালেহা আক্তার লাবনীর বাড়ির পাশে হাজারো নারী-পুরুষ-শিশুর ভিড় জমে। এলাকাবাসী, বিশেষ করে স্থানীয় গৃহবধূরা, খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান। তাঁরা অনেকেই বলেন, ‘হেলিকপ্টারটি কখনো বাড়ির ওপর দিয়ে উড়তে দেখেছি, কিন্তু এভাবে হেলিকপ্টারে চড়ে কনেকে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার দৃশ্য একেবারেই নতুন।’
বদরগঞ্জ উপজেলার বিষ্ণুপুর গ্রামের মিষ্টি ব্যবসায়ী লাভলু রহমানের মেয়ে সালেহা আক্তার লাবনীর সঙ্গে সিলেটের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার জাবদা গ্রামের মো. রেণু মিয়া চৌধুরীর ছেলে নাজিমউদ্দিনের বিয়ের ঘটনা এটি। গতকাল বৃহস্পতিবার পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় এবং কনে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সেবিকা (নার্স) হিসেবে কর্মরত আর বর নাজিমউদ্দিন সিলেট আদালতের আইনজীবী।
কনের চাচা আতিয়ার রহমান বলেন, ‘আগেই পারিবারিক সম্পর্ক ছিল। দুই পরিবার মিলে বিয়ের সিদ্ধান্ত নেয়। আজ সকালে কনেকে হেলিকপ্টারে শ্বশুরবাড়ি পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। তবে আবহাওয়া খারাপ থাকায় গতকাল হেলিকপ্টারটি বগুড়ায় অবতরণ করতে বাধ্য হয়। আজ আবহাওয়া ভালো থাকায় হেলিকপ্টারটি কনেকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি যায়।’
বিষ্ণুপুর ইউনিয়নের নিকাহ নিবন্ধক আব্দুল মাবুদ বলেন, ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেনমোহরে বিয়ে হয়।
পরিস্থিতি সামলাতে স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও এ সময় উপস্থিত ছিল। এ বিষয়ে জানতে চাইলে বদরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এ কে এম আতিকুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, হেলিকপ্টারটি ওই এলাকায় অবতরণের ঘটনায় কনের পরিবার পুলিশের সাহায্য চেয়েছিল। এ জন্য পুলিশ পাঠানো হয়েছিল।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে