পাটগ্রাম (লালমনিরহাট) প্রতিনিধি

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম সীমান্তের শূন্যরেখায় নির্মাণ করা সেই কাঁটাতারে এবার বাঁশের বেড়া লাগানোর ঘটনা ঘটেছে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পাহারায় ভারতীয় নাগরিকেরা এ কাজ করেন। এ সময় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) এক সদস্য বাধা দেন। কিন্তু বাধা উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে যান তাঁরা। গত মঙ্গলবার দুপুরে দহগ্রাম ইউনিয়নের হাঁড়িপাড়া ও সরকারপাড়া সীমান্তের শূন্যরেখায় এ ঘটনা ঘটে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ৫১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পানবাড়ি কোম্পানির কমান্ডার সুবেদার জামিল হোসেন।
এর আগে ১০ জানুয়ারি সকাল থেকে লালমনিরহাটের পাটগ্রামের দহগ্রাম ইউনিয়নের সরকারপাড়া সীমান্তে বাংলাদেশ-ভারতের প্রধান পিলার ডিএমপি ৮ নম্বরের সাব-পিলার ৩৭ থেকে ৪৬ নম্বরের শূন্যরেখার শেষ অংশে প্রায় এক কিলোমিটারজুড়ে বিএসএফ ভারতীয় নির্মাণশ্রমিকদের নিয়ে লোহার অ্যাঙ্গেল দিয়ে তৈরি খুঁটির মধ্যে সাড়ে ৩ থেকে ৪ ফুট উঁচু কাঁটাতারের বেড়া স্থাপন করে। বেড়া দেওয়ার ছয় দিনের মাথায় ১৫ জানুয়ারি দুপুরে বেড়ার চার থেকে পাঁচ গজ পরপর একটি খালি করে কাচের বোতল বেঁধে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। এর ১২ দিন পর ওই বেড়ায় বাঁশের বাতা বেঁধে দিল বিএসএফ।
কাঁটাতারের বেড়ায় বাঁশের বাতা গুনা (জিআই তার) দিয়ে বেঁধে দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ১ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, বাতা বেঁধে দিতে বিজিবি সদস্যরা নিষেধ করে বিএসএফ সদস্যদের প্রতিবাদ জানান। বিএসএফ সদস্যরা কথা না শুনে ভারতীয় নির্মাণশ্রমিকদের কাজ চালিয়ে যেতে সহায়তা করছেন। এ সময় একজন বিএসএফ জোয়ানকে হিন্দিতে বলতে শোনা যায়, ‘আমরা কাজ করব, তোমার যা করার তুমি করো।’ বিজিবি সদস্য বিজিবি-বিএসএফের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সীমান্তে উভয় দেশের কোনো ধরনের নির্মাণকাজ না করার প্রতিশ্রুতি ও সিদ্ধান্তের কথা স্মরণ করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। বিএসএফ সদস্যরা তা না শুনে তর্ক করতে থাকেন।
দহগ্রাম সরকারপাড়া এলাকার আব্দুর রহিম (৫০) বলেন, ‘সীমান্তের একদম শেষ অংশে দেওয়া কাঁটাতারের বেড়া নিয়ে বিএসএফ ও ভারতীয় লোকজন প্রায় সময় এসে হিন্দিতে নানা ধরনের উসকানিমূলক কথা বলে যায়। রাতে এসে হঠাৎ চিৎকার করে। এতে আমাদের ভয় হয়।’
পানবাড়ি কোম্পানির কমান্ডার সুবেদার জামিল বলেন, ‘বাঁশের বাতা তিন দিন আগে দিয়েছে। আমরা প্রতিবাদ করেছি ও নিষেধ করেছি। বর্তমানে বাতা আর বাঁধছে না। কাজ বন্ধ আছে। আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি।’

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার দহগ্রাম সীমান্তের শূন্যরেখায় নির্মাণ করা সেই কাঁটাতারে এবার বাঁশের বেড়া লাগানোর ঘটনা ঘটেছে। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পাহারায় ভারতীয় নাগরিকেরা এ কাজ করেন। এ সময় বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) এক সদস্য বাধা দেন। কিন্তু বাধা উপেক্ষা করে কাজ চালিয়ে যান তাঁরা। গত মঙ্গলবার দুপুরে দহগ্রাম ইউনিয়নের হাঁড়িপাড়া ও সরকারপাড়া সীমান্তের শূন্যরেখায় এ ঘটনা ঘটে।
গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন ৫১ বিজিবি ব্যাটালিয়নের পানবাড়ি কোম্পানির কমান্ডার সুবেদার জামিল হোসেন।
এর আগে ১০ জানুয়ারি সকাল থেকে লালমনিরহাটের পাটগ্রামের দহগ্রাম ইউনিয়নের সরকারপাড়া সীমান্তে বাংলাদেশ-ভারতের প্রধান পিলার ডিএমপি ৮ নম্বরের সাব-পিলার ৩৭ থেকে ৪৬ নম্বরের শূন্যরেখার শেষ অংশে প্রায় এক কিলোমিটারজুড়ে বিএসএফ ভারতীয় নির্মাণশ্রমিকদের নিয়ে লোহার অ্যাঙ্গেল দিয়ে তৈরি খুঁটির মধ্যে সাড়ে ৩ থেকে ৪ ফুট উঁচু কাঁটাতারের বেড়া স্থাপন করে। বেড়া দেওয়ার ছয় দিনের মাথায় ১৫ জানুয়ারি দুপুরে বেড়ার চার থেকে পাঁচ গজ পরপর একটি খালি করে কাচের বোতল বেঁধে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়। এর ১২ দিন পর ওই বেড়ায় বাঁশের বাতা বেঁধে দিল বিএসএফ।
কাঁটাতারের বেড়ায় বাঁশের বাতা গুনা (জিআই তার) দিয়ে বেঁধে দেওয়ার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ১ মিনিট ৫৮ সেকেন্ডের ওই ভিডিওতে দেখা গেছে, বাতা বেঁধে দিতে বিজিবি সদস্যরা নিষেধ করে বিএসএফ সদস্যদের প্রতিবাদ জানান। বিএসএফ সদস্যরা কথা না শুনে ভারতীয় নির্মাণশ্রমিকদের কাজ চালিয়ে যেতে সহায়তা করছেন। এ সময় একজন বিএসএফ জোয়ানকে হিন্দিতে বলতে শোনা যায়, ‘আমরা কাজ করব, তোমার যা করার তুমি করো।’ বিজিবি সদস্য বিজিবি-বিএসএফের উচ্চপর্যায়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সীমান্তে উভয় দেশের কোনো ধরনের নির্মাণকাজ না করার প্রতিশ্রুতি ও সিদ্ধান্তের কথা স্মরণ করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। বিএসএফ সদস্যরা তা না শুনে তর্ক করতে থাকেন।
দহগ্রাম সরকারপাড়া এলাকার আব্দুর রহিম (৫০) বলেন, ‘সীমান্তের একদম শেষ অংশে দেওয়া কাঁটাতারের বেড়া নিয়ে বিএসএফ ও ভারতীয় লোকজন প্রায় সময় এসে হিন্দিতে নানা ধরনের উসকানিমূলক কথা বলে যায়। রাতে এসে হঠাৎ চিৎকার করে। এতে আমাদের ভয় হয়।’
পানবাড়ি কোম্পানির কমান্ডার সুবেদার জামিল বলেন, ‘বাঁশের বাতা তিন দিন আগে দিয়েছে। আমরা প্রতিবাদ করেছি ও নিষেধ করেছি। বর্তমানে বাতা আর বাঁধছে না। কাজ বন্ধ আছে। আমরা সতর্ক অবস্থানে আছি।’

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে