খানসামা (দিনাজপুর) প্রতিনিধি

দিনাজপুরের খানসামায় ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) কার্ডধারী ২০ হাজার ৭৬৪ পরিবার ডিলারদের পয়েন্ট থেকে ভোজ্যতেল কিনতে পারছেন না। এতে খোলাবাজারে তেল কিনতে গিয়ে বিপাকে পড়ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। টিসিবি পণ্য সরবরাহকারী ডিলাররা জানান ভোজ্যতেলের সংকট রয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, টিসিবি থেকে ফ্যামিলি কার্ড অনুযায়ী প্রতি মাসে ডিলারের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চত্বরে সরকার নির্ধারিত মূল্যে পণ্য সরবরাহ করে। নিম্ন আয়ের পরিবারের মানুষের জন্য ভর্তুকি মূল্যে এই পণ্য সরবরাহ করে টিসিবি।
আজ সোমবার দুপুরে উপজেলার আংগারপাড়া ও খামারপাড়া ইউপি কার্যালয়ে গিয়ে জানা গেছে, প্রতি মাসে টিসিবি কার্ডধারীকে পাঁচ কেজি চাল, দুই লিটার ভোজ্যতেল ও দুই কেজি মসুর ডাল ৪৭০ টাকায় প্রতি প্যাকেজ দেওয়ার কথা থাকলেও এবার চিত্র ভিন্ন। চলতি পর্যায়ে প্রতি টিসিবি কার্ডধারী পরিবারকে ২৭০ টাকার বিনিময়ে শুধু পাঁচ কেজি চাল ও দুই কেজি ডাল দেওয়া হচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে অন্যতম ভোজ্যতেল না পেয়ে নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে ক্ষোভ দেখা গেছে।
আংগারপাড়া ইউনিয়নে টিসিবি পণ্য কিনতে আসা ময়নুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘সরকারি মূল্যে প্রতি মাসে তেল, চাল ও ডাল কিনতাম। এতে অনেকটা উপকার হতো। এবার এসে দেখি সয়াবিন তেল নাই। বাইরেও তো তেলের দাম বেশি, সবকিছুর বাজার বেশি হওয়ায় আমরা একটু বিপাকে পড়েছি।’
নজরুল ইসলাম টিসিবি পণ্য কিনতে আজ আসেন খামারপাড়া ইউপির কার্যালয়ে। তিনি বলেন, টিসিবির মাধ্যমে কম দামে সয়াবিন তেল কিনতে পারলে একটু অর্থ সাশ্রয় হয়। কিন্তু এবার না পেয়ে বাইরে খুচরা-পাইকারি দোকানে দুই লিটার সয়াবিন তেল কিনতে প্রায় ১৫০ টাকা অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে।
টিসিবি পণ্য সরবরাহকারী মেসার্স আবরার ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের স্বত্বাধিকারী বাইজিত ইসলাম বলেন, ‘টিসিবি ক্যাম্প অফিসে তেলের সংকট থাকায় চলতি মাসে ডিলারদের সয়াবিন তেল দেয়নি। এ জন্য টিসিবি কার্ডধারীদের তেল দিতে পারছি না।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ডিলার আজকের পত্রিকাকে বলেন, সয়াবিন তেলের জন্য সব কার্ডধারী টিসিবি পণ্যের পুরো প্যাকেজ ক্রয় করে। কিন্তু এবার সয়াবিন তেল না থাকায় টিসিবি পণ্য ক্রয়ে আগ্রহ কম দেখা যাচ্ছে।
খামারপাড়া ইউপির চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক চৌধুরী বলেন, বর্তমান সময়ে এমনিতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজার বেশি। পণ্য কিনতে এসে সয়াবিন তেল না পাওয়ায় টিসিবি কার্ডধারীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে।
সয়াবিন তেল না পাওয়ার বিষয় আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তাজ উদ্দিন। তিনি বলেন, টিসিবি অফিস থেকে এবার ডিলারদের সয়াবিন তেল সরবরাহ না করায় কার্ডধারীরা সয়াবিন তেল পাচ্ছেন না। এই সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

দিনাজপুরের খানসামায় ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশ (টিসিবি) কার্ডধারী ২০ হাজার ৭৬৪ পরিবার ডিলারদের পয়েন্ট থেকে ভোজ্যতেল কিনতে পারছেন না। এতে খোলাবাজারে তেল কিনতে গিয়ে বিপাকে পড়ছেন নিম্ন আয়ের মানুষ। টিসিবি পণ্য সরবরাহকারী ডিলাররা জানান ভোজ্যতেলের সংকট রয়েছে।
উপজেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, টিসিবি থেকে ফ্যামিলি কার্ড অনুযায়ী প্রতি মাসে ডিলারের মাধ্যমে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চত্বরে সরকার নির্ধারিত মূল্যে পণ্য সরবরাহ করে। নিম্ন আয়ের পরিবারের মানুষের জন্য ভর্তুকি মূল্যে এই পণ্য সরবরাহ করে টিসিবি।
আজ সোমবার দুপুরে উপজেলার আংগারপাড়া ও খামারপাড়া ইউপি কার্যালয়ে গিয়ে জানা গেছে, প্রতি মাসে টিসিবি কার্ডধারীকে পাঁচ কেজি চাল, দুই লিটার ভোজ্যতেল ও দুই কেজি মসুর ডাল ৪৭০ টাকায় প্রতি প্যাকেজ দেওয়ার কথা থাকলেও এবার চিত্র ভিন্ন। চলতি পর্যায়ে প্রতি টিসিবি কার্ডধারী পরিবারকে ২৭০ টাকার বিনিময়ে শুধু পাঁচ কেজি চাল ও দুই কেজি ডাল দেওয়া হচ্ছে। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মধ্যে অন্যতম ভোজ্যতেল না পেয়ে নিম্ন আয়ের মানুষের মাঝে ক্ষোভ দেখা গেছে।
আংগারপাড়া ইউনিয়নে টিসিবি পণ্য কিনতে আসা ময়নুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি বলেন, ‘সরকারি মূল্যে প্রতি মাসে তেল, চাল ও ডাল কিনতাম। এতে অনেকটা উপকার হতো। এবার এসে দেখি সয়াবিন তেল নাই। বাইরেও তো তেলের দাম বেশি, সবকিছুর বাজার বেশি হওয়ায় আমরা একটু বিপাকে পড়েছি।’
নজরুল ইসলাম টিসিবি পণ্য কিনতে আজ আসেন খামারপাড়া ইউপির কার্যালয়ে। তিনি বলেন, টিসিবির মাধ্যমে কম দামে সয়াবিন তেল কিনতে পারলে একটু অর্থ সাশ্রয় হয়। কিন্তু এবার না পেয়ে বাইরে খুচরা-পাইকারি দোকানে দুই লিটার সয়াবিন তেল কিনতে প্রায় ১৫০ টাকা অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে।
টিসিবি পণ্য সরবরাহকারী মেসার্স আবরার ডিপার্টমেন্টাল স্টোরের স্বত্বাধিকারী বাইজিত ইসলাম বলেন, ‘টিসিবি ক্যাম্প অফিসে তেলের সংকট থাকায় চলতি মাসে ডিলারদের সয়াবিন তেল দেয়নি। এ জন্য টিসিবি কার্ডধারীদের তেল দিতে পারছি না।’
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ডিলার আজকের পত্রিকাকে বলেন, সয়াবিন তেলের জন্য সব কার্ডধারী টিসিবি পণ্যের পুরো প্যাকেজ ক্রয় করে। কিন্তু এবার সয়াবিন তেল না থাকায় টিসিবি পণ্য ক্রয়ে আগ্রহ কম দেখা যাচ্ছে।
খামারপাড়া ইউপির চেয়ারম্যান আবু বকর সিদ্দিক চৌধুরী বলেন, বর্তমান সময়ে এমনিতেই নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের বাজার বেশি। পণ্য কিনতে এসে সয়াবিন তেল না পাওয়ায় টিসিবি কার্ডধারীদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হচ্ছে।
সয়াবিন তেল না পাওয়ার বিষয় আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেন খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তাজ উদ্দিন। তিনি বলেন, টিসিবি অফিস থেকে এবার ডিলারদের সয়াবিন তেল সরবরাহ না করায় কার্ডধারীরা সয়াবিন তেল পাচ্ছেন না। এই সংকট নিরসনে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৩ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৩ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৩ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৩ ঘণ্টা আগে