রংপুর ও বদরগঞ্জ প্রতিনিধি

রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে। কনকনে শীত উপেক্ষা করে ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের সরব উপস্থিতি দেখা গেছে। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া।
আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া বলেন, ‘জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রংপুরবাসী উন্নয়নের স্বার্থে বিপুল ভোটে নৌকাকে বিজয়ী করবে।’
ডালিয়া বলেন, ‘নিজে ভোট দিলাম, ইভিএমে কোনো ত্রুটি নেই। যেভাবে মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি, শতভাগ আশাবাদী আমি জয়যুক্ত হব।’
ডালিয়া আরও বলেন, ‘বিজয়ী হয়ে আমি নগরবাসীকে দেওয়া ইশতেহারগুলো বাস্তবায়ন করে একটি তিলোত্তমা নগরী হিসেবে রংপুর সিটি করপোরেশনকে গড়ে তুলব।’
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতিটি সাধারণ ভোটকেন্দ্রে একজন পুলিশ কর্মকর্তাসহ দুজন কনস্টেবল, দুজন অস্ত্রধারী আনসার, ১০ জন আনসার-ভিডিপির সদস্যসহ মোট ১৫ জনকে মোতায়েন করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ৮৬টি ভোটকেন্দ্রে একজন পুলিশ কর্মকর্তাসহ তিনজন কনস্টেবল, দুজন অস্ত্রধারী আনসার ও ১০ জন আনসার-ভিডিপির সদস্যসহ মোট ১৬ জনকে মোতায়েন করা হয়েছে। নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডে ১১ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ১৭টি টিম, পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনসারের সমন্বয়ে প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে মোবাইল ফোর্স, ১১টি স্ট্রাইকিং ফোর্স ও ছয়টি রিজার্ভ স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করছে। এছাড়া নির্বাচনে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডের জন্য ৩৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ১৬ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। এর পাশাপাশি ২২৯টি কেন্দ্রের সবগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার সঙ্গে সঙ্গে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে মনিটরিং করা হচ্ছে।
নির্বাচনের প্রধান আকর্ষণ মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে। রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হলেন—জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ-ইনু) শফিয়ার রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিরুজ্জামান পিয়াল, খেলাফত মজলিশের তৌহিদুর রহমান মণ্ডল রাজু, জাকের পার্টির খোরশেদ আলম খোকন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আবু রায়হান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেদী হাসান বনি ও লতিফুর রহমান মিলন। এছাড়া সংরক্ষিত ১১টি ওয়ার্ডে ৬৮ এবং ৩৩টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১৮৩ জন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।
বিগত কয়েকটি সিটি করপোরেশন নির্বাচন ঘিরে যতটা উত্তাপ ছড়িয়েছে, রংপুর যেন তার সম্পূর্ণ বিপরীত। প্রচারের শুরু থেকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নিরুত্তাপ পরিবেশ। অবস্থা দেখে মনে হতে পারে, শীতের প্রভাব পড়েছে রসিক নির্বাচনে। এখানকার বাসিন্দারা বলছেন, ‘রসিকের বেরসিক ভোট।’

রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) নির্বাচনের ভোট গ্রহণ চলছে। কনকনে শীত উপেক্ষা করে ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের সরব উপস্থিতি দেখা গেছে। আজ মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় লায়ন্স স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভোটকেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া।
আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া বলেন, ‘জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে সুন্দর ও সুষ্ঠু পরিবেশে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। রংপুরবাসী উন্নয়নের স্বার্থে বিপুল ভোটে নৌকাকে বিজয়ী করবে।’
ডালিয়া বলেন, ‘নিজে ভোট দিলাম, ইভিএমে কোনো ত্রুটি নেই। যেভাবে মানুষের ভালোবাসা পেয়েছি, শতভাগ আশাবাদী আমি জয়যুক্ত হব।’
ডালিয়া আরও বলেন, ‘বিজয়ী হয়ে আমি নগরবাসীকে দেওয়া ইশতেহারগুলো বাস্তবায়ন করে একটি তিলোত্তমা নগরী হিসেবে রংপুর সিটি করপোরেশনকে গড়ে তুলব।’
নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা গেছে, রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে প্রতিটি সাধারণ ভোটকেন্দ্রে একজন পুলিশ কর্মকর্তাসহ দুজন কনস্টেবল, দুজন অস্ত্রধারী আনসার, ১০ জন আনসার-ভিডিপির সদস্যসহ মোট ১৫ জনকে মোতায়েন করা হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ ৮৬টি ভোটকেন্দ্রে একজন পুলিশ কর্মকর্তাসহ তিনজন কনস্টেবল, দুজন অস্ত্রধারী আনসার ও ১০ জন আনসার-ভিডিপির সদস্যসহ মোট ১৬ জনকে মোতায়েন করা হয়েছে। নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডে ১১ প্লাটুন বিজিবি, র্যাবের ১৭টি টিম, পুলিশ, এপিবিএন ও ব্যাটালিয়ন আনসারের সমন্বয়ে প্রতিটি ওয়ার্ডে একটি করে মোবাইল ফোর্স, ১১টি স্ট্রাইকিং ফোর্স ও ছয়টি রিজার্ভ স্ট্রাইকিং ফোর্স কাজ করছে। এছাড়া নির্বাচনে শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় নগরীর ৩৩টি ওয়ার্ডের জন্য ৩৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও ১৬ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করছেন। এর পাশাপাশি ২২৯টি কেন্দ্রের সবগুলোতে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা নিশ্চিত করার সঙ্গে সঙ্গে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে মনিটরিং করা হচ্ছে।
নির্বাচনের প্রধান আকর্ষণ মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা নিয়ে। রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে ৯ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁরা হলেন—জাতীয় পার্টির মোস্তাফিজার রহমান মোস্তফা, আওয়ামী লীগের অ্যাডভোকেট হোসনে আরা লুৎফা ডালিয়া, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ-ইনু) শফিয়ার রহমান, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমিরুজ্জামান পিয়াল, খেলাফত মজলিশের তৌহিদুর রহমান মণ্ডল রাজু, জাকের পার্টির খোরশেদ আলম খোকন, বাংলাদেশ কংগ্রেসের আবু রায়হান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী মেহেদী হাসান বনি ও লতিফুর রহমান মিলন। এছাড়া সংরক্ষিত ১১টি ওয়ার্ডে ৬৮ এবং ৩৩টি সাধারণ ওয়ার্ডে ১৮৩ জন কাউন্সিলর পদপ্রার্থী নির্বাচনে অংশ নিয়েছেন।
বিগত কয়েকটি সিটি করপোরেশন নির্বাচন ঘিরে যতটা উত্তাপ ছড়িয়েছে, রংপুর যেন তার সম্পূর্ণ বিপরীত। প্রচারের শুরু থেকে শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত নিরুত্তাপ পরিবেশ। অবস্থা দেখে মনে হতে পারে, শীতের প্রভাব পড়েছে রসিক নির্বাচনে। এখানকার বাসিন্দারা বলছেন, ‘রসিকের বেরসিক ভোট।’

সাভারের রেডিও কলোনি এলাকা থেকে বাসে ওঠার ১৫ মিনিটের মধ্যেই একা হয়ে পড়েন ২৬ বছর বয়সী গৃহবধূ। তাঁকে বাসের চালকের দুই সহকারী আলতাফ ও সাগর পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। সে দৃশ্য ধারণ করা হয় মোবাইল ফোনে।
১৭ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। সাম্প্রতিক একটি সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর ও মামলার ঘটনা ঘটেছে।
৩৭ মিনিট আগে
ওয়ার্ডের মেঝেতে ব্যবহৃত টিস্যু, স্যালাইনের প্যাকেট, ব্যান্ডেজ, তুলা, যত্রতত্র আবর্জনা, অপরিচ্ছন্ন বিছানার চাদর, দেয়ালে থুতু কাশির দাগ, জরাজীর্ণ জানালা-দরজা, মশা-মাছির উপদ্রব, শৌচাগার থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এমন চিত্র পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৫০ শয্যা হাসপাতালের।
১ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার পাঁচটি সংসদীয় আসনে সব কটিতেই দলীয় প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। শরিকদের জন্য একটি ছাড় দিয়ে চারটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে জামায়াত। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারছে না। ফলে জয়ের ব্যাপারে বেশ আত্মবিশ্বাসী বিএনপি। যদিও একটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে বিপাকে আছে দলটি।
১ ঘণ্টা আগে