রংপুর নগরী
শিপুল ইসলাম, রংপুর

রংপুর নগরীর গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল এলাকা সিটি বাজার ও কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল। নিরাপদ পারাপার ও নগরীর ট্রাফিক চাপ কমানোর জন্য এই দুই স্থানে তিন বছর আগে পৌনে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করা হয়। কিন্তু পথচারী ও নগরবাসীর অভ্যস্ততার অভাব ও ব্যবহারবান্ধব সুবিধার ঘাটতির কারণে এগুলো কোনো কাজে আসছে না। ঝুঁকি নিয়ে নিচ দিয়ে সড়ক পার হওয়ায় বাড়ছে যানজট, প্রায় ঘটছে দুর্ঘটনা।
রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে রসিকের নিজস্ব অর্থায়নে ব্রিজ দুটি নির্মাণ করা হয়। সিটি বাজার এলাকার ব্রিজ নির্মাণে ব্যয় হয় ১ কোটি ৬৯ লাখ ৮৮ হাজার ৫৯৪ টাকা এবং বাস টার্মিনাল এলাকার ব্রিজে ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ৯১ লাখ ৫৬ হাজার ৪২৩ টাকা। সব মিলিয়ে ব্যয় হয়েছে ৩ কোটি ৬১ লাখ ৪৪ হাজার ৯৮০ টাকা।
গতকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে ২০০ মিটার দূরে স্থাপন করা হয়েছে ফুটওভার ব্রিজ। লোকজন বাস থেকে নেমে সড়ক দিয়ে পারাপার হচ্ছে। সিটি বাজারে ওভার ব্রিজের প্রবেশমুখসহ আশপাশে মৌসুমি ফলের দোকান বসেছে। সেখানেও দ্রুত যানবাহন ঠেলে পারাপার হচ্ছেন পথচারীরা। পথচারীরা ফুটওভার ব্রিজগুলো ব্যবহার না করায় ময়লা আবর্জনায় ভরে উঠেছে।
স্থানীয়রা বলছেন, সঠিক পরিকল্পনা, গণসচেতনতা এবং পথচারীদের বাস্তব চাহিদার কথা বিবেচনা না করেই এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
সিটি বাজার এলাকায় ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার না করে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হয়ে নগর ভবনে যাচ্ছিলেন কামাল কাছনার বাসিন্দা আখতার হোসেন। তিনি বলেন, ‘ওভার ব্রিজে উঠতে সময় লাগে। তা ছাড়া ওভার ব্রিজের মুখে ফলের দোকান থাকায় উঠতে সমস্যা হয়। তার চেয়ে নিচ দিয়েই রাস্তা পার হওয়া সহজ।’
রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতেমা বলেন, ‘মানুষের নিরাপদ পারাপারের জন্যই ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। মানুষ ব্যবহার করলে এর সুফল মিলত। সচেতনতার জন্য ফুটওভার ব্রিজে সাইনবোর্ড টাঙানো আছে। এ বিষয়ে আরও উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

রংপুর নগরীর গুরুত্বপূর্ণ জনবহুল এলাকা সিটি বাজার ও কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল। নিরাপদ পারাপার ও নগরীর ট্রাফিক চাপ কমানোর জন্য এই দুই স্থানে তিন বছর আগে পৌনে ৪ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করা হয়। কিন্তু পথচারী ও নগরবাসীর অভ্যস্ততার অভাব ও ব্যবহারবান্ধব সুবিধার ঘাটতির কারণে এগুলো কোনো কাজে আসছে না। ঝুঁকি নিয়ে নিচ দিয়ে সড়ক পার হওয়ায় বাড়ছে যানজট, প্রায় ঘটছে দুর্ঘটনা।
রংপুর সিটি করপোরেশন (রসিক) সূত্রে জানা গেছে, ২০২২ সালে রসিকের নিজস্ব অর্থায়নে ব্রিজ দুটি নির্মাণ করা হয়। সিটি বাজার এলাকার ব্রিজ নির্মাণে ব্যয় হয় ১ কোটি ৬৯ লাখ ৮৮ হাজার ৫৯৪ টাকা এবং বাস টার্মিনাল এলাকার ব্রিজে ব্যয় হয়েছে ১ কোটি ৯১ লাখ ৫৬ হাজার ৪২৩ টাকা। সব মিলিয়ে ব্যয় হয়েছে ৩ কোটি ৬১ লাখ ৪৪ হাজার ৯৮০ টাকা।
গতকাল সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, কেন্দ্রীয় বাস টার্মিনাল থেকে ২০০ মিটার দূরে স্থাপন করা হয়েছে ফুটওভার ব্রিজ। লোকজন বাস থেকে নেমে সড়ক দিয়ে পারাপার হচ্ছে। সিটি বাজারে ওভার ব্রিজের প্রবেশমুখসহ আশপাশে মৌসুমি ফলের দোকান বসেছে। সেখানেও দ্রুত যানবাহন ঠেলে পারাপার হচ্ছেন পথচারীরা। পথচারীরা ফুটওভার ব্রিজগুলো ব্যবহার না করায় ময়লা আবর্জনায় ভরে উঠেছে।
স্থানীয়রা বলছেন, সঠিক পরিকল্পনা, গণসচেতনতা এবং পথচারীদের বাস্তব চাহিদার কথা বিবেচনা না করেই এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়েছে।
সিটি বাজার এলাকায় ফুটওভার ব্রিজ ব্যবহার না করে ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পার হয়ে নগর ভবনে যাচ্ছিলেন কামাল কাছনার বাসিন্দা আখতার হোসেন। তিনি বলেন, ‘ওভার ব্রিজে উঠতে সময় লাগে। তা ছাড়া ওভার ব্রিজের মুখে ফলের দোকান থাকায় উঠতে সমস্যা হয়। তার চেয়ে নিচ দিয়েই রাস্তা পার হওয়া সহজ।’
রংপুর সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে ফাতেমা বলেন, ‘মানুষের নিরাপদ পারাপারের জন্যই ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণ করা হয়েছে। মানুষ ব্যবহার করলে এর সুফল মিলত। সচেতনতার জন্য ফুটওভার ব্রিজে সাইনবোর্ড টাঙানো আছে। এ বিষয়ে আরও উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

কুড়িল বিশ্বরোড বিআরটিসি বাস কাউন্টারের পেছন রেললাইনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মানুষের জটলা দেখতে পান তিনি। এগিয়ে গিয়ে দেখেন রেললাইনের পাশেই ওই যুবক রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন।
২৪ মিনিট আগে
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দুর্নীতি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু। সাহস মানে কেবল বিপদের মুখে দাঁড়ানো নয়, বরং অন্যায় আদেশকে ‘না’ বলা এবং মজলুমের পক্ষে দাঁড়িয়ে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করাই প্রকৃত সাহসিকতা।
২৬ মিনিট আগে
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার আত্রাই নদী থেকে অজ্ঞাতপরিচয় দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার আত্রাই নদীর লক্ষিতলা ব্রিজের পাশ থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।
৩০ মিনিট আগে
কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে মো. হানিফ (২৮) নামে এক যুবকের বাঁ পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল-সংলগ্ন নাফ নদীর তীরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
৩১ মিনিট আগে