পীরগাছা (রংপুর) প্রতিনিধি

রংপুরের পীরগাছায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শ্রেণিকক্ষের বেঞ্চ চুরি ও উদ্ধারের ঘটনার ৪ দিনেও থানায় কোনো অভিযোগ হয়নি। এমনকি বিষয়টি ওই ক্লাস্টারের শিক্ষা কর্মকর্তাও জানেন না বলে জানিয়েছেন। পুলিশ বলছে, লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এ চুরির ঘটনা ঘটে উপজেলার দুধিয়াবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টজন, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে বিদ্যালয়ের স্টোর রুমের তালা ভেঙে ১৮টি বেঞ্চ চুরি হয়। পরদিন বুধবার সকালে ওই বিদ্যালয়ের আয়া ও প্রহরী স্টোররুমের দরজার কবজা কাটা এবং এক স্থানে বেঞ্চের চারটি তকতা (কাঠ) দেখতে পান। পরে ভেতরে গিয়ে দেখতে পান স্টোরে রক্ষিতসহ তৃতীয় শ্রেণির কক্ষের ৯ জোড়া বেঞ্চ নেই।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ওই স্কুলের শিক্ষার্থীরা পার্শ্ববর্তী দুদু মিয়া নামের এক ব্যক্তির বাড়ির সামনে একটি ভ্যানে স্কুলের বেঞ্চের লোহার কাঠামো লোড করতে দেখে শিক্ষকদের জানান। পরে শিক্ষকেরা সেখানে গিয়ে থানা-পুলিশের উপস্থিতিতে বেঞ্চের লোহার কাঠামোগুলো উদ্ধার করেন।
তবে এই ঘটনার এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা করা হয়নি জানিয়েছেন পীরগাছা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহনেওয়াজ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘খবর পেয়ে আমি সঙ্গীয় কয়েকজনসহ সেখানে গিয়েছিলাম। আমাদের উপস্থিতিতে শিক্ষকেরা ওই মালামাল উদ্ধার করে। এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা হয়নি।’
এ বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোয়ারা বেগম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘চুরি যাওয়া বেঞ্চের লোহার কাঠামোগুলো থানা-পুলিশের উপস্থিতিতে উদ্ধার করা হয়েছে। যে বাসার সামনে থেকে উদ্ধার করা হয়েছে সে বাসার মালিক বাসায় থাকেন না। বাসাটি তালাবদ্ধ থাকে। ভ্রাম্যমাণ ভাঙ্গাড়ি মালামাল ক্রেতা ওই ভ্যানওয়ালাকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। ওই ভ্যানওয়ালা নুরুজ্জামান ও শামীমের নাম বলেছেন। চুরির বিষয়টি এই ক্লাস্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষা অফিসারকে জানানো হয়েছে।’
চুরির ঘটনায় কোনো মামলা করা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পুলিশ শুধু ভ্যানওয়ালার বিবৃতির কপি নিয়েছে। তারা বিষয়টা দেখার কথা।’
এ দিকে উপজেলা শিক্ষা অফিসার আতিকুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিষয়টি আমি জানি না, খোঁজ নিচ্ছি।’
এ বিষয়ে পীরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুশান্ত কুমার সরকার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি ওই সময় ছুটিতে ছিলাম। খোঁজ নিচ্ছি। অভিযোগ পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

রংপুরের পীরগাছায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে শ্রেণিকক্ষের বেঞ্চ চুরি ও উদ্ধারের ঘটনার ৪ দিনেও থানায় কোনো অভিযোগ হয়নি। এমনকি বিষয়টি ওই ক্লাস্টারের শিক্ষা কর্মকর্তাও জানেন না বলে জানিয়েছেন। পুলিশ বলছে, লিখিত অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এ চুরির ঘটনা ঘটে উপজেলার দুধিয়াবাড়ী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে।
বিদ্যালয় সংশ্লিষ্টজন, পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গত মঙ্গলবার দিবাগত রাতে বিদ্যালয়ের স্টোর রুমের তালা ভেঙে ১৮টি বেঞ্চ চুরি হয়। পরদিন বুধবার সকালে ওই বিদ্যালয়ের আয়া ও প্রহরী স্টোররুমের দরজার কবজা কাটা এবং এক স্থানে বেঞ্চের চারটি তকতা (কাঠ) দেখতে পান। পরে ভেতরে গিয়ে দেখতে পান স্টোরে রক্ষিতসহ তৃতীয় শ্রেণির কক্ষের ৯ জোড়া বেঞ্চ নেই।
এরপর বিষয়টি জানাজানি হলে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে ওই স্কুলের শিক্ষার্থীরা পার্শ্ববর্তী দুদু মিয়া নামের এক ব্যক্তির বাড়ির সামনে একটি ভ্যানে স্কুলের বেঞ্চের লোহার কাঠামো লোড করতে দেখে শিক্ষকদের জানান। পরে শিক্ষকেরা সেখানে গিয়ে থানা-পুলিশের উপস্থিতিতে বেঞ্চের লোহার কাঠামোগুলো উদ্ধার করেন।
তবে এই ঘটনার এখনো কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা করা হয়নি জানিয়েছেন পীরগাছা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) শাহনেওয়াজ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘খবর পেয়ে আমি সঙ্গীয় কয়েকজনসহ সেখানে গিয়েছিলাম। আমাদের উপস্থিতিতে শিক্ষকেরা ওই মালামাল উদ্ধার করে। এ বিষয়ে কোনো লিখিত অভিযোগ বা মামলা হয়নি।’
এ বিষয়ে ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মনোয়ারা বেগম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘চুরি যাওয়া বেঞ্চের লোহার কাঠামোগুলো থানা-পুলিশের উপস্থিতিতে উদ্ধার করা হয়েছে। যে বাসার সামনে থেকে উদ্ধার করা হয়েছে সে বাসার মালিক বাসায় থাকেন না। বাসাটি তালাবদ্ধ থাকে। ভ্রাম্যমাণ ভাঙ্গাড়ি মালামাল ক্রেতা ওই ভ্যানওয়ালাকে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করেছে। ওই ভ্যানওয়ালা নুরুজ্জামান ও শামীমের নাম বলেছেন। চুরির বিষয়টি এই ক্লাস্টারের দায়িত্বপ্রাপ্ত সহকারী শিক্ষা অফিসারকে জানানো হয়েছে।’
চুরির ঘটনায় কোনো মামলা করা হয়েছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পুলিশ শুধু ভ্যানওয়ালার বিবৃতির কপি নিয়েছে। তারা বিষয়টা দেখার কথা।’
এ দিকে উপজেলা শিক্ষা অফিসার আতিকুর রহমান আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিষয়টি আমি জানি না, খোঁজ নিচ্ছি।’
এ বিষয়ে পীরগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সুশান্ত কুমার সরকার আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমি ওই সময় ছুটিতে ছিলাম। খোঁজ নিচ্ছি। অভিযোগ পেলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

ডা. মহিউদ্দিনকে কারাগার থেকে আজ আদালতে হাজির করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মিরপুর থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. মিজানুর রহমান তাঁকে জুলাই আন্দোলনে মিরপুর থানার মাহফুজ আলম শ্রাবণ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন।
১১ মিনিট আগে
ঘটনার প্রতিক্রিয়ায় খাগড়াছড়ি জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন বলেন, নির্বাচনের পরিবেশ নষ্ট করার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে এই হামলা চালানো হয়েছে। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দ্রুত শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানান।
১ ঘণ্টা আগে
আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
১ ঘণ্টা আগে
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জমি বিক্রির টাকা না দেওয়ায় মা-বাবাকে মারধর করে উঠানে কবর খুঁড়ে জ্যান্ত কবর দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ছেলেকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
১ ঘণ্টা আগে