ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার একটি মসজিদের ভেতরে চার শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগে বুধবার দুপুরে থানায় অভিযোগ করেছেন অভিভাবকেরা। গতকাল মঙ্গলবার রাতে ডোমার পৌরসভার বড় রাউতা এলাকায় একটি মসজিদে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী শিশুরা হলো—উপজেলার বড় রাউতা মডেল স্কুলপাড়া এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে নুর মোহাম্মদ জিয়ন (১২), ইলিয়াছ সরকারের দুই ছেলে আম্মান ইসলাম লাম (১২) ও তালহা ইসলাম আবির (৯) এবং রওশনারা বেগমের ছেলে রঞ্জুন ইসলাম লাইম (১২)।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হলেন—ওই এলাকার মৃত কুদ্দুস আলীর ছেলে মশিয়ার রহমান (৬০)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে শবে বরাতের নামাজ আদায়ের জন্য নুর মোহাম্মদ জিয়ন, আম্মান ইসলাম লাম, তালহা ইসলাম আবির এবং রঞ্জুন ইসলাম লাইম (১২) বড় রাউতা ওয়াকতিয়া মসজিদে যায়। এশা ফরজ নামাজের সময় মসজিদে আসা অন্যান্য শিশুরা হাসাহাসি ও মারামারি করতে থাকে। নামাজ শেষে মশিয়ার রহমান ক্ষিপ্ত হয়ে ওই চার শিশুকে চড়থাপ্পড় মারা শুরু করে। উপস্থিত অন্যান্য মুসল্লিরা ওই চার শিশুকে উদ্ধার করে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। তারা বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি অভিভাবকদের জানায়।
এ বিষয়ে ডোমার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম মুফতি মাহমুদ বীন আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ছোট বাচ্চারা তো দুষ্টামি করবেই। তাদের বোঝাতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে তারা যেন নিয়মিত মসজিদে আসে। ৭ বছর হলেই বাচ্চাদের ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার তাগিদ দিতে হবে। ১০ বছর হলে নামাজ না পড়লে শাসন করতে হবে।’
ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ উন নবী বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

নীলফামারীর ডোমার উপজেলার একটি মসজিদের ভেতরে চার শিশুকে নির্যাতনের অভিযোগে বুধবার দুপুরে থানায় অভিযোগ করেছেন অভিভাবকেরা। গতকাল মঙ্গলবার রাতে ডোমার পৌরসভার বড় রাউতা এলাকায় একটি মসজিদে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী শিশুরা হলো—উপজেলার বড় রাউতা মডেল স্কুলপাড়া এলাকার জাহাঙ্গীর আলমের ছেলে নুর মোহাম্মদ জিয়ন (১২), ইলিয়াছ সরকারের দুই ছেলে আম্মান ইসলাম লাম (১২) ও তালহা ইসলাম আবির (৯) এবং রওশনারা বেগমের ছেলে রঞ্জুন ইসলাম লাইম (১২)।
এ ঘটনায় অভিযুক্ত হলেন—ওই এলাকার মৃত কুদ্দুস আলীর ছেলে মশিয়ার রহমান (৬০)।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার রাত ৮টার দিকে শবে বরাতের নামাজ আদায়ের জন্য নুর মোহাম্মদ জিয়ন, আম্মান ইসলাম লাম, তালহা ইসলাম আবির এবং রঞ্জুন ইসলাম লাইম (১২) বড় রাউতা ওয়াকতিয়া মসজিদে যায়। এশা ফরজ নামাজের সময় মসজিদে আসা অন্যান্য শিশুরা হাসাহাসি ও মারামারি করতে থাকে। নামাজ শেষে মশিয়ার রহমান ক্ষিপ্ত হয়ে ওই চার শিশুকে চড়থাপ্পড় মারা শুরু করে। উপস্থিত অন্যান্য মুসল্লিরা ওই চার শিশুকে উদ্ধার করে বাড়ি পাঠিয়ে দেয়। তারা বাড়িতে গিয়ে বিষয়টি অভিভাবকদের জানায়।
এ বিষয়ে ডোমার কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের ইমাম মুফতি মাহমুদ বীন আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ছোট বাচ্চারা তো দুষ্টামি করবেই। তাদের বোঝাতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে তারা যেন নিয়মিত মসজিদে আসে। ৭ বছর হলেই বাচ্চাদের ৫ ওয়াক্ত নামাজ পড়ার তাগিদ দিতে হবে। ১০ বছর হলে নামাজ না পড়লে শাসন করতে হবে।’
ডোমার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহমুদ উন নবী বলেন, ‘অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

আহত ব্যক্তিদের মধ্যে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই ফরিদ আহমেদ গুরুতর আহত হয়ে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ৬ নম্বর ওয়ার্ডে ভর্তি রয়েছেন। অন্য চার পুলিশ সদস্য প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানিয়েছেন কোতোয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. নাজমুস সাকিব।
৪ মিনিট আগে
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে জমি বিক্রির টাকা না দেওয়ায় মা-বাবাকে মারধর করে উঠানে কবর খুঁড়ে জ্যান্ত কবর দেওয়ার চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে দুই ছেলের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় অভিযুক্ত দুই ছেলেকে গ্রেপ্তার করে জেলহাজতে পাঠিয়েছে পুলিশ।
১০ মিনিট আগে
গত ১৭ ডিসেম্বর জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দাখিল করলে তা আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল। এই মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে।
১৫ মিনিট আগে
ফেলানীর ছোট ভাই আরফান হোসেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ-বিজিবিতে নিয়োগ পেয়েছেন। আজ বুধবার বিজিবির ১০৪ তম রিক্রুট ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনীতে শপথ নেন তিনি।
১৮ মিনিট আগে