রংপুর ও গঙ্গাচড়া প্রতিনিধি

রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ নিহতের ঘটনায় মামলা হয়েছে। সাবেক আইজিপিসহ ১৭ জনের নামে ও অজ্ঞাত ৩০-৩৫ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন আবু সাঈদের বড় ভাই রমজান আলী।
আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাজহাট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতে মামলার আবেদন করেন রমজান আলী। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক রাজু আহমেদ তাজহাট থানাকে মামলা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
মামলায় আসামি করা পুলিশ সদস্যরা হলেন সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, রংপুর রেঞ্জের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আবদুল বাতেন, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার মনিরুজ্জামান, রংপুর মহানগর পুলিশের উপকমিশনার আল মারুফ হোসেন, সহকারী কমিশনার মো. আরিফুজ্জামান, আল ইমরান হোসেন, তাজহাট থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায়, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির আলী ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।
মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান ও লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল, প্রক্টর অফিসের কর্মকর্তা রাফিউল হাসান, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক শামীম মাহফুজ, সাংগঠনিক সম্পাদক ধনঞ্জয় কুমার রায় ও দপ্তর সম্পাদক বাবুল হোসেনকে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা ৩০ থেকে ৩৫ জনকে আসামি করা হয়।
আবু সাঈদের বড় ভাই রমজান আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পুলিশ, শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতাসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করলাম। আবু সাঈদ মারা যাওয়ার পর আমরা ডিসিশনগুলো নিতেই দেরি করছি। ১৭ জন ছাড়াও আরও ৩৫ জনের মতো অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। আশা করি ন্যায়বিচার পাব।’
মামলায় বাদীপক্ষের আইনজীবী রায়হানুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলার আবেদন করেছিলাম। আদালত শুনানি শেষে তাজহাট থানাকে মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।’
এর আগে আবু সাঈদ নিহতের ঘটনায় ১৭ জুলাই তাজহাট থানার উপপরিদর্শক ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় বাদী হয়ে তাজহাট থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলায় সাঈদ হত্যার ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীসহ দুই থেকে তিন হাজার অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
আবু সাঈদকে প্রকাশ্যে গুলি করার দৃশ্য দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হলে সারা দেশে আন্দোলন জোরদার হয়। একপর্যায়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবি শুরু করে। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান।
উল্লেখ্য, গত ১৬ জুলাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশ ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের সঙ্গে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে পুলিশের গুলিতে নিহত হন রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০১৯-২০২০ সেশনের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।

রংপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় পুলিশের গুলিতে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ নিহতের ঘটনায় মামলা হয়েছে। সাবেক আইজিপিসহ ১৭ জনের নামে ও অজ্ঞাত ৩০-৩৫ জনকে আসামি করে মামলা করেছেন আবু সাঈদের বড় ভাই রমজান আলী।
আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে তাজহাট মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমলি আদালতে মামলার আবেদন করেন রমজান আলী। শুনানি শেষে আদালতের বিচারক রাজু আহমেদ তাজহাট থানাকে মামলা গ্রহণের নির্দেশ দেন।
মামলায় আসামি করা পুলিশ সদস্যরা হলেন সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুন, রংপুর রেঞ্জের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) আবদুল বাতেন, রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক কমিশনার মনিরুজ্জামান, রংপুর মহানগর পুলিশের উপকমিশনার আল মারুফ হোসেন, সহকারী কমিশনার মো. আরিফুজ্জামান, আল ইমরান হোসেন, তাজহাট থানার সাবেক ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রবিউল ইসলাম, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায়, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) আমির আলী ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়।
মামলায় বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মশিউর রহমান ও লোকপ্রশাসন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক আসাদুজ্জামান মণ্ডল, প্রক্টর অফিসের কর্মকর্তা রাফিউল হাসান, বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক শামীম মাহফুজ, সাংগঠনিক সম্পাদক ধনঞ্জয় কুমার রায় ও দপ্তর সম্পাদক বাবুল হোসেনকে আসামি করা হয়েছে। এ ছাড়া অজ্ঞাতনামা ৩০ থেকে ৩৫ জনকে আসামি করা হয়।
আবু সাঈদের বড় ভাই রমজান আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘পুলিশ, শিক্ষক ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতাসহ ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলা করলাম। আবু সাঈদ মারা যাওয়ার পর আমরা ডিসিশনগুলো নিতেই দেরি করছি। ১৭ জন ছাড়াও আরও ৩৫ জনের মতো অজ্ঞাতনামা আসামি করা হয়েছে। আশা করি ন্যায়বিচার পাব।’
মামলায় বাদীপক্ষের আইনজীবী রায়হানুজ্জামান সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমরা ১৭ জনের নাম উল্লেখ করে মামলার আবেদন করেছিলাম। আদালত শুনানি শেষে তাজহাট থানাকে মামলা হিসেবে গ্রহণের নির্দেশ দেন।’
এর আগে আবু সাঈদ নিহতের ঘটনায় ১৭ জুলাই তাজহাট থানার উপপরিদর্শক ও বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায় বাদী হয়ে তাজহাট থানায় একটি মামলা করেন। এ মামলায় সাঈদ হত্যার ঘটনায় বিএনপি ও জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীসহ দুই থেকে তিন হাজার অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়।
আবু সাঈদকে প্রকাশ্যে গুলি করার দৃশ্য দেশি-বিদেশি গণমাধ্যমসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত হলে সারা দেশে আন্দোলন জোরদার হয়। একপর্যায়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পদত্যাগের এক দফা দাবি শুরু করে। ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পদত্যাগ করে দেশ ছেড়ে ভারতে চলে যান।
উল্লেখ্য, গত ১৬ জুলাই বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে কোটা সংস্কার আন্দোলনে পুলিশ ও ছাত্রলীগ-যুবলীগের সঙ্গে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে পুলিশের গুলিতে নিহত হন রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের ২০১৯-২০২০ সেশনের শিক্ষার্থী আবু সাঈদ। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়টির বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক ছিলেন।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় শেরপুর-১ (সদর) আসনে বিএনপি, জামায়াত, স্বতন্ত্রসহ তিন প্রার্থীকে শোকজ (কারণ দর্শানোর নোটিশ) করেছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। গতকাল সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় শোকজের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর-১ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক...
১২ মিনিট আগে
১৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পরে অবশেষে মুক্ত হলেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য (ভিসি) ও উপ-উপাচার্য (প্রোভিসি)। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ১টায় শাকসুর দাবিতে আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি সাময়িক স্থগিত করে আন্দোলনস্থল ত্যাগ করলে তাঁরা মুক্ত হন।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৮ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৯ ঘণ্টা আগে