প্রতিনিধি, ভূরুঙ্গামারী (কুড়িগ্রাম)

ভূরুঙ্গামারীর সোনাহাট সেতু নির্মাণের নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে আরও সাত মাস অতিবাহিত হলেও শেষ হয়নি কাজ। নির্ধারিত সময়ে মূল সেতুসহ সংযোগ সড়ক ও তীর রক্ষা বাঁধের নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় শত বছরের পুরোনো রেল সেতুর ওপর চাপ বেড়েছে। এতে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত রেল সেতুটি যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
সেতু এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত আরও সাত মাস অতিবাহিত হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নদীর দুই তীরে সেতুর জন্য দুটি অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণ করেছে। সেতুর দুই প্রান্তের একটিতেও এখনো সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। শেষ হয়নি তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের কাজ।
সড়ক ও জনপথ সূত্রে জানা গেছে, একনেকে ২০১৮ সালে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর দুধকুমার নদের ওপর 'সোনাহাট সেতু' নামে একটি নতুন সড়ক সেতু নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়। সেতুটি দুধকুমার নদের ওপর অবস্থিত শত বছরের নড়বড়ে রেল সেতুর কিছুটা দক্ষিণে নির্মাণ করা হবে। সোনাহাট সেতুর দৈর্ঘ্য ৬৪৫ মিটার। চলাচলের সুবিধার্থে সেতুর উভয় পাশে ২ হাজার ৩২০ মিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে। এ জন্য ব্যয় হবে প্রায় ২৩২ কোটি টাকা। সেতু নির্মাণের সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৮ মাস, যা ২০১৯ সালের ২২ জুলাই শুরু হয়ে ২০২১ সালের ২১ জানুয়ারিতে শেষ হওয়ার কথা ছিল।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সেতুর উভয় প্রান্তে প্রায় ৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮১৪ মিটার তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হবে, যা গত জুনে নির্মাণ শেষ হওয়ার কথা ছিল।
পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শুনেছি নকশা সমস্যার কারণে সেতুর কাজ বন্ধ রয়েছে। একটা নকশা ঠিক করতে কি দুই বছর সময় লাগে! এটা একটা অজুহাত। সেতুর কাজ যত দেরিতে শেষ হবে, নির্মাণের সঙ্গে জড়িত দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানের ততই লাভ হবে। কেননা, তাঁরা দফায় দফায় বরাদ্দ বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। সে কারণেই নানা অজুহাতে সেতু নির্মাণে বিলম্ব করা হচ্ছে।
সোনাহাট স্থলবন্দরের আমদানি ও রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, নতুন সেতু নির্মাণের আগেই যদি পুরোনো রেল সেতুটি ভেঙে যায়, তাহলে সোনাহাট স্থলবন্দরের দুই শতাধিক ব্যবসায়ী মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এতে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাবে সরকার। এ ছাড়া ভূরুঙ্গামারীর মানুষ যাতায়াতের ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তিতে পড়বে।
সেতু নির্মাণকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমএম বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড ও ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্সের প্রকল্প ব্যবস্থাপক শামীম রেজা বলেন, সেতুর পিলার পাইলিং করে দাঁড় করাতে হয়। ফলে পাইলিংয়ে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু দুধকুমারের তলদেশের চিকন বালু পাইলিংয়ের সময় ভারী যন্ত্রপাতির চাপ সহ্য করতে না পারায় ধসের সৃষ্টি হচ্ছিল। এতে পাইলিং করা যাচ্ছিল না, যার ফলে নকশা পরিবর্তনের প্রয়োজন দেখা দেয়। নকশা পরিবর্তন হতে সময় লাগার কারণে মূল সেতুর কাজ প্রায় দেড় বছর যাবৎ বন্ধ রয়েছে।
সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়ে তিনি বলেন, জমি অধিগ্রহণ শেষ না হওয়ায় সংযোগ সড়ক নির্মাণ শুরু করা যায়নি।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ওমর ফারুক মো. মোক্তার হোসেন বলেন, সেতুর পূর্ব তীরে প্রায় ৫৬ মিটার এবং পশ্চিম তীরে প্রায় ১৫০ মিটার বাঁধ নির্মাণ বাকি রয়েছে। সংযোগ সড়ক নির্মিত না হওয়ায় তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ শেষ করা সম্ভব হয়নি।
কুড়িগ্রাম সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, পাইলিংয়ের সময় ধসের সৃষ্টি হয়ে যন্ত্রপাতিসহ আশপাশ দেবে যাচ্ছিল। মাটির অবস্থাগত কারণে সেতুর নকশায় কিছুটা রদবদলের প্রয়োজন দেখা দেয়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলে কর্তৃপক্ষ গত ৩ আগস্ট নতুন নকশা অনুমোদন দিয়েছে। নদীর পানি কমতে শুরু করলে পুনরায় সেতুর কাজ শুরু করা হবে।
কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, সোনাহাট সড়ক সেতুর জন্য নতুন যে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে, তার কিছু অংশ বাংলাদেশ রেলওয়ের জমিতে পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে।

ভূরুঙ্গামারীর সোনাহাট সেতু নির্মাণের নির্ধারিত সময় শেষ হয়ে আরও সাত মাস অতিবাহিত হলেও শেষ হয়নি কাজ। নির্ধারিত সময়ে মূল সেতুসহ সংযোগ সড়ক ও তীর রক্ষা বাঁধের নির্মাণকাজ শেষ না হওয়ায় শত বছরের পুরোনো রেল সেতুর ওপর চাপ বেড়েছে। এতে ব্রিটিশ আমলে নির্মিত রেল সেতুটি যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে। এতে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।
সেতু এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, নির্ধারিত সময়ের পর অতিরিক্ত আরও সাত মাস অতিবাহিত হলেও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নদীর দুই তীরে সেতুর জন্য দুটি অ্যাপার্টমেন্ট নির্মাণ করেছে। সেতুর দুই প্রান্তের একটিতেও এখনো সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হয়নি। শেষ হয়নি তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণের কাজ।
সড়ক ও জনপথ সূত্রে জানা গেছে, একনেকে ২০১৮ সালে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীর দুধকুমার নদের ওপর 'সোনাহাট সেতু' নামে একটি নতুন সড়ক সেতু নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়। সেতুটি দুধকুমার নদের ওপর অবস্থিত শত বছরের নড়বড়ে রেল সেতুর কিছুটা দক্ষিণে নির্মাণ করা হবে। সোনাহাট সেতুর দৈর্ঘ্য ৬৪৫ মিটার। চলাচলের সুবিধার্থে সেতুর উভয় পাশে ২ হাজার ৩২০ মিটার সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে। এ জন্য ব্যয় হবে প্রায় ২৩২ কোটি টাকা। সেতু নির্মাণের সময় নির্ধারণ করা হয়েছিল ১৮ মাস, যা ২০১৯ সালের ২২ জুলাই শুরু হয়ে ২০২১ সালের ২১ জানুয়ারিতে শেষ হওয়ার কথা ছিল।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সেতুর উভয় প্রান্তে প্রায় ৪৭ কোটি টাকা ব্যয়ে ৮১৪ মিটার তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করা হবে, যা গত জুনে নির্মাণ শেষ হওয়ার কথা ছিল।
পরিচয় প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন ব্যবসায়ী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, শুনেছি নকশা সমস্যার কারণে সেতুর কাজ বন্ধ রয়েছে। একটা নকশা ঠিক করতে কি দুই বছর সময় লাগে! এটা একটা অজুহাত। সেতুর কাজ যত দেরিতে শেষ হবে, নির্মাণের সঙ্গে জড়িত দপ্তর ও প্রতিষ্ঠানের ততই লাভ হবে। কেননা, তাঁরা দফায় দফায় বরাদ্দ বাড়িয়ে নেওয়ার সুযোগ পাবেন। সে কারণেই নানা অজুহাতে সেতু নির্মাণে বিলম্ব করা হচ্ছে।
সোনাহাট স্থলবন্দরের আমদানি ও রপ্তানিকারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক বলেন, নতুন সেতু নির্মাণের আগেই যদি পুরোনো রেল সেতুটি ভেঙে যায়, তাহলে সোনাহাট স্থলবন্দরের দুই শতাধিক ব্যবসায়ী মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এতে বিপুল পরিমাণ রাজস্ব হারাবে সরকার। এ ছাড়া ভূরুঙ্গামারীর মানুষ যাতায়াতের ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তিতে পড়বে।
সেতু নির্মাণকারী ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান এমএম বিল্ডার্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড ও ন্যাশনাল ডেভেলপমেন্ট ইঞ্জিনিয়ার্সের প্রকল্প ব্যবস্থাপক শামীম রেজা বলেন, সেতুর পিলার পাইলিং করে দাঁড় করাতে হয়। ফলে পাইলিংয়ে ভারী যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু দুধকুমারের তলদেশের চিকন বালু পাইলিংয়ের সময় ভারী যন্ত্রপাতির চাপ সহ্য করতে না পারায় ধসের সৃষ্টি হচ্ছিল। এতে পাইলিং করা যাচ্ছিল না, যার ফলে নকশা পরিবর্তনের প্রয়োজন দেখা দেয়। নকশা পরিবর্তন হতে সময় লাগার কারণে মূল সেতুর কাজ প্রায় দেড় বছর যাবৎ বন্ধ রয়েছে।
সংযোগ সড়ক নির্মাণের বিষয়ে তিনি বলেন, জমি অধিগ্রহণ শেষ না হওয়ায় সংযোগ সড়ক নির্মাণ শুরু করা যায়নি।
কুড়িগ্রাম পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী ওমর ফারুক মো. মোক্তার হোসেন বলেন, সেতুর পূর্ব তীরে প্রায় ৫৬ মিটার এবং পশ্চিম তীরে প্রায় ১৫০ মিটার বাঁধ নির্মাণ বাকি রয়েছে। সংযোগ সড়ক নির্মিত না হওয়ায় তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ শেষ করা সম্ভব হয়নি।
কুড়িগ্রাম সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. জহিরুল ইসলাম বলেন, পাইলিংয়ের সময় ধসের সৃষ্টি হয়ে যন্ত্রপাতিসহ আশপাশ দেবে যাচ্ছিল। মাটির অবস্থাগত কারণে সেতুর নকশায় কিছুটা রদবদলের প্রয়োজন দেখা দেয়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হলে কর্তৃপক্ষ গত ৩ আগস্ট নতুন নকশা অনুমোদন দিয়েছে। নদীর পানি কমতে শুরু করলে পুনরায় সেতুর কাজ শুরু করা হবে।
কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, সোনাহাট সড়ক সেতুর জন্য নতুন যে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করা হবে, তার কিছু অংশ বাংলাদেশ রেলওয়ের জমিতে পড়েছে। বিষয়টি নিয়ে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা চলছে। একই সঙ্গে জমি অধিগ্রহণের কাজ চলমান রয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নবীন সৈনিকদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন এবং কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করবেন।
২৬ মিনিট আগে
গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলায় একটি হিফজ মাদ্রাসার টয়লেট থেকে হাবিবউল্লাহ (১২) নামের এক ছাত্রের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় উপজেলার কালিয়াকৈর বাইপাস এলাকায় আল আবরার ইন্টারন্যাশনাল হিফজ মাদ্রাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। হাবিবউল্লাহ যশোরের কেশবপুর উপজেলার
১ ঘণ্টা আগে
বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় শিক্ষার্থী সংসদ (ব্রাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচনের তফসিল আবারও স্থগিত ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত ১০টায় প্রধান নির্বাচন কমিশনার (ভারপ্রাপ্ত) সহযোগী অধ্যাপক মো. মাসুদ রানা স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
১ ঘণ্টা আগে
যশোর সরকারি এমএম কলেজের শহীদ আসাদ হলে ঢুকে রবিউল ইসলাম (২১) নামে অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের এক ছাত্রকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাত সাড়ে ৭টার দিকে হলের ২০৮ নম্বর কক্ষে এই ঘটনা ঘটে। আহত রবিউল ইসলাম ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার চাঁদপাড়া গ্রামের আব্দুল মালেকের
২ ঘণ্টা আগে