সাদ্দাম হোসেন, ঠাকুরগাঁও

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের দরিদ্র কৃষক আজারুল ইসলাম। গত শনিবার স্ত্রী পান্না আক্তারের অস্ত্রোপচারের জন্য ওষুধসহ তাঁকে খরচ করতে হয়েছে প্রায় ৬ হাজার টাকা। অথচ এর আগেও একই ধরনের অপারেশনে একটি টাকাও খরচ করতে হয়নি। কারণ বিনা মূল্যের ওষুধ ও সরঞ্জাম পেতেন মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র থেকেই।
আজারুলের অসহায় কণ্ঠে ক্ষোভ, ‘আমরা তো গরিব মানুষ। আগে সবকিছু ফ্রি মিলত, এখন সব কিনতে হচ্ছে। এই টাকা জোগাড় করতে ধারদেনা করতে হয়েছে।’
এই অভিজ্ঞতা কেবল আজারুলের নয়। এক বছরের বেশি সময় ধরে ঠাকুরগাঁওয়ের ৩৫টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র ও মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে বিনা মূল্যের
ওষুধ ও সরঞ্জাম (ডিডিএস কিট ও নরমাল ডেলিভারি কিট) সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ।
জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের তথ্যমতে, জেলার পাঁচ উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের আওতাধীন ৩৩টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র এবং একটি পরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিক আছে। এ ছাড়া জেলা পর্যায়ে একটি ১০ শয্যার মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র (এমসিডব্লিউসি) রয়েছে। প্রতিবছর এসব প্রতিষ্ঠানে মা-শিশু, কিশোর-কিশোরী, গর্ভবতী নারীসহ প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার রোগী সেবা নিতে আসেন।
তবে সরবরাহ সংকটের কারণে বছরে মাত্র ৭০০টি ডিডিএস কিট এবং ২০০টির মতো নরমাল ডেলিভারি কিট আসত, যা চাহিদার তুলনায় অতি অল্প। আর এক বছরের বেশি সময় ধরে এ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।
জানতে চাইলে জগন্নাথপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রের পরিদর্শিকা ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘আমাদের এলাকায় অন্তত ৫০-৬০ শতাংশ রোগী গরিব ও অসহায়। প্রতিদিনই ওষুধ না পেয়ে খালি হাতে ফিরে যান সেবাগ্রহীতারা। অনেকে রাগও করেন। সর্বশেষ আমরা ওষুধ পেয়েছি গত বছরের নভেম্বর মাসে।’
জানা গেছে, সদর এমসিডব্লিউসিতে গত এক বছরে ৫১৬টি নরমাল ডেলিভারি ও ১৫৬টি অস্ত্রোপচার হয়েছে। কিন্তু প্রতিটি ডেলিভারির সময় রোগীদের বাইরের ফার্মেসি থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধসামগ্রী কিনতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঠাকুরগাঁও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক শামসুদ্দীন মোল্লা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মাঠপর্যায়ের পরিবার পরিকল্পনাসামগ্রী ও ওষুধের ঘাটতির বিষয়ে আমরা নিয়মিতই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করছি। সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট পোর্টালে সব তথ্য দেখা যায়। তবু সরবরাহ এখনো শুরু হয়নি।’

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার জগন্নাথপুর ইউনিয়নের দরিদ্র কৃষক আজারুল ইসলাম। গত শনিবার স্ত্রী পান্না আক্তারের অস্ত্রোপচারের জন্য ওষুধসহ তাঁকে খরচ করতে হয়েছে প্রায় ৬ হাজার টাকা। অথচ এর আগেও একই ধরনের অপারেশনে একটি টাকাও খরচ করতে হয়নি। কারণ বিনা মূল্যের ওষুধ ও সরঞ্জাম পেতেন মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র থেকেই।
আজারুলের অসহায় কণ্ঠে ক্ষোভ, ‘আমরা তো গরিব মানুষ। আগে সবকিছু ফ্রি মিলত, এখন সব কিনতে হচ্ছে। এই টাকা জোগাড় করতে ধারদেনা করতে হয়েছে।’
এই অভিজ্ঞতা কেবল আজারুলের নয়। এক বছরের বেশি সময় ধরে ঠাকুরগাঁওয়ের ৩৫টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র ও মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্রে বিনা মূল্যের
ওষুধ ও সরঞ্জাম (ডিডিএস কিট ও নরমাল ডেলিভারি কিট) সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ।
জেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের তথ্যমতে, জেলার পাঁচ উপজেলায় পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের আওতাধীন ৩৩টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র এবং একটি পরিবার পরিকল্পনা ক্লিনিক আছে। এ ছাড়া জেলা পর্যায়ে একটি ১০ শয্যার মা ও শিশুকল্যাণ কেন্দ্র (এমসিডব্লিউসি) রয়েছে। প্রতিবছর এসব প্রতিষ্ঠানে মা-শিশু, কিশোর-কিশোরী, গর্ভবতী নারীসহ প্রায় ৪ লাখ ৫০ হাজার রোগী সেবা নিতে আসেন।
তবে সরবরাহ সংকটের কারণে বছরে মাত্র ৭০০টি ডিডিএস কিট এবং ২০০টির মতো নরমাল ডেলিভারি কিট আসত, যা চাহিদার তুলনায় অতি অল্প। আর এক বছরের বেশি সময় ধরে এ সরবরাহ পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে।
জানতে চাইলে জগন্নাথপুর ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রের পরিদর্শিকা ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘আমাদের এলাকায় অন্তত ৫০-৬০ শতাংশ রোগী গরিব ও অসহায়। প্রতিদিনই ওষুধ না পেয়ে খালি হাতে ফিরে যান সেবাগ্রহীতারা। অনেকে রাগও করেন। সর্বশেষ আমরা ওষুধ পেয়েছি গত বছরের নভেম্বর মাসে।’
জানা গেছে, সদর এমসিডব্লিউসিতে গত এক বছরে ৫১৬টি নরমাল ডেলিভারি ও ১৫৬টি অস্ত্রোপচার হয়েছে। কিন্তু প্রতিটি ডেলিভারির সময় রোগীদের বাইরের ফার্মেসি থেকে প্রয়োজনীয় ওষুধসামগ্রী কিনতে হচ্ছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঠাকুরগাঁও পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয়ের উপপরিচালক শামসুদ্দীন মোল্লা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘মাঠপর্যায়ের পরিবার পরিকল্পনাসামগ্রী ও ওষুধের ঘাটতির বিষয়ে আমরা নিয়মিতই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করছি। সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট পোর্টালে সব তথ্য দেখা যায়। তবু সরবরাহ এখনো শুরু হয়নি।’

৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
১ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বায়ুদূষণরোধে সরকার সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করে উপজেলাটিতে সব ধরনের ইটভাটায় ইট পোড়ানো ও প্রস্তুতের কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
শিক্ষক ও লোকবলসংকটে ধুঁকছে বান্দরবান নার্সিং কলেজ। উন্নত শিক্ষার প্রসারে সদর হাসপাতালে প্রতিষ্ঠানটি উদ্বোধনের প্রায় সাত বছর পার হলেও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে