এস বাসু দাশ, বান্দরবান

শিক্ষক ও লোকবলসংকটে ধুঁকছে বান্দরবান নার্সিং কলেজ। উন্নত শিক্ষার প্রসারে সদর হাসপাতালে প্রতিষ্ঠানটি উদ্বোধনের প্রায় সাত বছর পার হলেও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে।
কলেজ কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, বান্দরবানসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার শিক্ষার্থীদের নার্সিং পেশায় আগ্রহ বৃদ্ধি এবং উন্নত শিক্ষার প্রসারে ২০১৮ সালে কলেজটি উদ্বোধন করা হয়। বিগত সরকারের আমলে এই কলেজ প্রতিষ্ঠা করতে ব্যয় হয়েছিল প্রায় ৩৫ কোটি টাকা। ২০২০ সালে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন নার্সিং (বিএসসি নার্সিং), ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি এবং ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি—এই ৩টি প্রোগ্রামে শুরু হয় শ্রেণি কার্যক্রম। অথচ কলেজের মঞ্জুরীকৃত শিক্ষক পদে ৪২ জন নিয়োগের কথা থাকলেও রয়েছেন মাত্র ১৩ জন। অন্যদিকে, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর জন্য মঞ্জুরীকৃত ২৩ জন কর্মচারীর বিপরীতে আছেন মাত্র ৩ জন।
এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী পাইমে মার্মা বলেন, কলেজের প্রধান সমস্যা শিক্ষকসংকট। দ্রুত এই সমস্যা নিরসন করা না হলে শিক্ষার্থীরা এখানে ভর্তির আগ্রহ হারাবে।
আরেক শিক্ষার্থী মো. মুহিন হোসেন বলেন, বান্দরবানসহ আশপাশে নার্সিং পেশায় উন্নত শিক্ষা গ্রহণের জন্য এটিই একমাত্র কলেজ। তবে শুরু থেকে কলেজে মারাত্মক শিক্ষক ঘাটতি রয়েছে।
কলেজের প্রশিক্ষক নমিতা তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, নার্সিং কলেজটিতে শিক্ষার প্রসারে শিক্ষকেরা খুবই আন্তরিক, কিন্তু সংকটের কারণে দিন দিন শিক্ষকদের ওপর চাপ বাড়ছে।
শিক্ষকসংকটের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাবে পর্যাপ্ত সরঞ্জামের ঘাটতি রয়েছে। এ ছাড়া মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, জেনারেটর এবং প্রয়োজনীয় চেয়ার-টেবিলের কারণে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের পাঠদানে বিঘ্ন ঘটছে নিয়মিত। এ বিষয়ে কলেজের শিক্ষার্থী অপু বলেন, ‘আমাদের ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাবে নেই পর্যাপ্ত সরঞ্জাম। কিন্তু এটি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নানা সংকটের মধ্যে আমাদের নিত্যদিনের পড়ালেখা চালিয়ে যেতে হচ্ছে।’
স্থানীয়রা মনে করছেন, বান্দরবান নার্সিং কলেজে দ্রুত শিক্ষক এবং নানা ধরনের সংকট নিরসন করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা অর্জনের অবারিত দুয়ার খুলে দেওয়া হোক।
এ বিষয়ে নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ রাশেদা বেগম বলেন, নানা সংকটের মধ্যেও শিক্ষার্থীরা ভালো ফল করছে। শিক্ষকসংকটের মধ্যেও ২০২০ সালে চালু হওয়া এই কলেজে বর্তমানে আছেন ৪৩৩ জন শিক্ষার্থী। উন্নত শিক্ষার প্রসারে দ্রুত পর্যাপ্ত শিক্ষক ও জনবল নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

শিক্ষক ও লোকবলসংকটে ধুঁকছে বান্দরবান নার্সিং কলেজ। উন্নত শিক্ষার প্রসারে সদর হাসপাতালে প্রতিষ্ঠানটি উদ্বোধনের প্রায় সাত বছর পার হলেও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে।
কলেজ কর্তৃপক্ষ সূত্রে জানা যায়, বান্দরবানসহ পার্শ্ববর্তী এলাকার শিক্ষার্থীদের নার্সিং পেশায় আগ্রহ বৃদ্ধি এবং উন্নত শিক্ষার প্রসারে ২০১৮ সালে কলেজটি উদ্বোধন করা হয়। বিগত সরকারের আমলে এই কলেজ প্রতিষ্ঠা করতে ব্যয় হয়েছিল প্রায় ৩৫ কোটি টাকা। ২০২০ সালে ব্যাচেলর অব সায়েন্স ইন নার্সিং (বিএসসি নার্সিং), ডিপ্লোমা ইন নার্সিং সায়েন্স অ্যান্ড মিডওয়াইফারি এবং ডিপ্লোমা ইন মিডওয়াইফারি—এই ৩টি প্রোগ্রামে শুরু হয় শ্রেণি কার্যক্রম। অথচ কলেজের মঞ্জুরীকৃত শিক্ষক পদে ৪২ জন নিয়োগের কথা থাকলেও রয়েছেন মাত্র ১৩ জন। অন্যদিকে, তৃতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর জন্য মঞ্জুরীকৃত ২৩ জন কর্মচারীর বিপরীতে আছেন মাত্র ৩ জন।
এই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী পাইমে মার্মা বলেন, কলেজের প্রধান সমস্যা শিক্ষকসংকট। দ্রুত এই সমস্যা নিরসন করা না হলে শিক্ষার্থীরা এখানে ভর্তির আগ্রহ হারাবে।
আরেক শিক্ষার্থী মো. মুহিন হোসেন বলেন, বান্দরবানসহ আশপাশে নার্সিং পেশায় উন্নত শিক্ষা গ্রহণের জন্য এটিই একমাত্র কলেজ। তবে শুরু থেকে কলেজে মারাত্মক শিক্ষক ঘাটতি রয়েছে।
কলেজের প্রশিক্ষক নমিতা তঞ্চঙ্গ্যা বলেন, নার্সিং কলেজটিতে শিক্ষার প্রসারে শিক্ষকেরা খুবই আন্তরিক, কিন্তু সংকটের কারণে দিন দিন শিক্ষকদের ওপর চাপ বাড়ছে।
শিক্ষকসংকটের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাবে পর্যাপ্ত সরঞ্জামের ঘাটতি রয়েছে। এ ছাড়া মাল্টিমিডিয়া প্রজেক্টর, জেনারেটর এবং প্রয়োজনীয় চেয়ার-টেবিলের কারণে শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের পাঠদানে বিঘ্ন ঘটছে নিয়মিত। এ বিষয়ে কলেজের শিক্ষার্থী অপু বলেন, ‘আমাদের ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাবে নেই পর্যাপ্ত সরঞ্জাম। কিন্তু এটি আমাদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। নানা সংকটের মধ্যে আমাদের নিত্যদিনের পড়ালেখা চালিয়ে যেতে হচ্ছে।’
স্থানীয়রা মনে করছেন, বান্দরবান নার্সিং কলেজে দ্রুত শিক্ষক এবং নানা ধরনের সংকট নিরসন করে শিক্ষার্থীদের শিক্ষা অর্জনের অবারিত দুয়ার খুলে দেওয়া হোক।
এ বিষয়ে নার্সিং কলেজের অধ্যক্ষ রাশেদা বেগম বলেন, নানা সংকটের মধ্যেও শিক্ষার্থীরা ভালো ফল করছে। শিক্ষকসংকটের মধ্যেও ২০২০ সালে চালু হওয়া এই কলেজে বর্তমানে আছেন ৪৩৩ জন শিক্ষার্থী। উন্নত শিক্ষার প্রসারে দ্রুত পর্যাপ্ত শিক্ষক ও জনবল নিয়োগ দেওয়া প্রয়োজন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে