মিঠাপুকুর (রংপুর) প্রতিনিধি

রংপুরের আট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও থানায় মরদেহ রাখার জন্য লাশঘর নেই। লাশঘর না থাকায় প্রায়ই থানা চত্বরে খোলা আকাশের নিচে ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বারান্দায় মরদেহ রাখা হয়।
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পাশেই। প্রায়ই সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার জন্য এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অনেকেই মারা যায়। পরিচয় সংগ্রহ ও নিহতের আত্মীয়স্বজন না আসা পর্যন্ত মরদেহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখতে হয়। এ সময় বিশেষায়িত কোনো কক্ষ না থাকায় কমপ্লেক্সের বারান্দায় মরদেহ রাখা হয়। দীর্ঘ সময় সাধারণ ব্যবস্থায় মরদেহ রাখার কারণে অনেক সময় মরদেহ স্বাভাবিক থাকে না।
মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাশেবুল হোসেন বলেন, উপজেলা পর্যায়ে কোনো স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মরদেহ সংরক্ষণ করার মতো কোনো বিশেষায়িত কক্ষ নেই। তবে থাকা প্রয়োজন।
একই অবস্থা থানাগুলোতে। মিঠাপুকুর থানা চত্বরে খোলা আকাশের নিচে রিকশা, ভ্যানে মরদেহ রাখতে দেখা গেছে। অনেক সময় অস্বাভাবিক ঘটনায় মৃত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা শহরের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠাতে দেরি হয়। তখন থানা চত্বরে খোলা আকাশের নিচে মরদেহ রাখা হয়। এ প্রসঙ্গে কথা হলে মিঠাপুকুর থানার দায়িত্বে থাকা সহকারী পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান বলেন, থানা চত্বরে মরদেহ রাখার জন্য সরকারিভাবে কোনো লাশঘর নির্মাণ করা হয়নি। এ কারণে দ্রুত মরদেহ জেলা শহরে অবস্থিত মর্গে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়। কোনো কারণে রাত হয়ে গেলে পুলিশের পাহারায় থানা চত্বরে রাখতে হয়। তিনি জানান, পাবনা জেলায় জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে থানা চত্বরে লাশঘর নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এগিয়ে এলে থানা চত্বরে লাশঘর তৈরি করা সম্ভব।
শুধু মিঠাপুকুর নয়। জেলার সব স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও থানার একই অবস্থা। একটিতেও লাশঘর নেই বলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে।

রংপুরের আট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও থানায় মরদেহ রাখার জন্য লাশঘর নেই। লাশঘর না থাকায় প্রায়ই থানা চত্বরে খোলা আকাশের নিচে ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বারান্দায় মরদেহ রাখা হয়।
রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটি ঢাকা-রংপুর মহাসড়কের পাশেই। প্রায়ই সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার জন্য এই হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় অনেকেই মারা যায়। পরিচয় সংগ্রহ ও নিহতের আত্মীয়স্বজন না আসা পর্যন্ত মরদেহ স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রাখতে হয়। এ সময় বিশেষায়িত কোনো কক্ষ না থাকায় কমপ্লেক্সের বারান্দায় মরদেহ রাখা হয়। দীর্ঘ সময় সাধারণ ব্যবস্থায় মরদেহ রাখার কারণে অনেক সময় মরদেহ স্বাভাবিক থাকে না।
মিঠাপুকুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা রাশেবুল হোসেন বলেন, উপজেলা পর্যায়ে কোনো স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মরদেহ সংরক্ষণ করার মতো কোনো বিশেষায়িত কক্ষ নেই। তবে থাকা প্রয়োজন।
একই অবস্থা থানাগুলোতে। মিঠাপুকুর থানা চত্বরে খোলা আকাশের নিচে রিকশা, ভ্যানে মরদেহ রাখতে দেখা গেছে। অনেক সময় অস্বাভাবিক ঘটনায় মৃত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা শহরের মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠাতে দেরি হয়। তখন থানা চত্বরে খোলা আকাশের নিচে মরদেহ রাখা হয়। এ প্রসঙ্গে কথা হলে মিঠাপুকুর থানার দায়িত্বে থাকা সহকারী পুলিশ সুপার মো. কামরুজ্জামান বলেন, থানা চত্বরে মরদেহ রাখার জন্য সরকারিভাবে কোনো লাশঘর নির্মাণ করা হয়নি। এ কারণে দ্রুত মরদেহ জেলা শহরে অবস্থিত মর্গে পাঠানোর চেষ্টা করা হয়। কোনো কারণে রাত হয়ে গেলে পুলিশের পাহারায় থানা চত্বরে রাখতে হয়। তিনি জানান, পাবনা জেলায় জনপ্রতিনিধি ও স্থানীয় প্রশাসনের উদ্যোগে থানা চত্বরে লাশঘর নির্মাণ করা হয়েছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা এগিয়ে এলে থানা চত্বরে লাশঘর তৈরি করা সম্ভব।
শুধু মিঠাপুকুর নয়। জেলার সব স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও থানার একই অবস্থা। একটিতেও লাশঘর নেই বলে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে।

রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৩ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৪ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৪ ঘণ্টা আগে
নীলফামারীতে তিস্তা সেচনালার দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় ভেঙে শতাধিক একর ফসলি জমি খালের পানিতে তলিয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বেলা ৩টার দিকে জেলা সদরের ইটাখোলা ইউনিয়নের সিংদই গ্রামের কামারপাড়ায় দিনাজপুর খালের বাঁ তীরের পাড় প্রায় ২০ ফুট ধসে যায়।
৪ ঘণ্টা আগে