দিনাজপুর প্রতিনিধি

দিনাজপুর পৌর এলাকায় সড়কের নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ সোমবার বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ছয়টি সড়কে পরিদর্শন ও তদন্তকাজ পরিচালনা করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে সড়কে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের সত্যতা পেয়েছে দুদক।
দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ঈসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। ঈসমাইল হোসেন সাংবাদিকদের জানান, সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে তদন্ত দল।
দুদক সূত্র জানায়, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১ নম্বর ওয়ার্ডে ৪৯২ মিটার, হঠাৎপাড়া থেকে উচা ব্রিজ ৩৪২ মিটার, মিনার মসজিদ থেকে রেলঘুণ্টি পর্যন্ত ১৬১ মিটার, পৌরসভা গেট থেকে স্টেশন রোড ৩৯৫ মিটার, স্টাফ কোয়ার্টার থেকে খেড়পট্টি ১ হাজার ২০৫ মিটার, ডিসি অফিস থেকে ফরিদপুর কবরস্থান মোড় ৯৫০ মিটার, ফুলবাড়ী বাসস্ট্যান্ড থেকে ফরিদপুর কবরস্থান ৬৩০ মিটার ও পুলহাট বড়পুল থেকে ফরিদপুর কবরস্থান পর্যন্ত ৫৫৫ মিটার সড়কের নির্মাণকাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে।

সড়কগুলোতে নির্মাণকাজে ব্যয় হয়েছে ৭ কোটি ৯৮ লাখ ৪৯ হাজার ১৫৩ টাকা। সবগুলো সড়কের নির্মাণকাজ করেছে স্থানীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী দিনাজপুর পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শাহ আলম ও মেসার্স মুরাদ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মুরাদ আহম্মেদ।
দিনাজপুর দুদকের সহকারী পরিচালক ঈসমাইল হোসেন বলেন, সড়কগুলোর নির্মাণকাজ মাত্রই শেষ হয়েছে। দুদকের কাছে অভিযোগ ছিল এসব সড়কের নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। দরপত্রের শর্তাবলি পালন না করেই নির্মাণকাজ শেষ করা হয়েছে। দুদক আজকে এনফোর্সমেন্ট দল ও টেকনিক্যাল পারসন (প্রকৌশলী) সঙ্গে নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। তদন্তে অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা ও পরামর্শক্রমে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

দিনাজপুর পৌর এলাকায় সড়কের নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করাসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে তদন্ত করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। আজ সোমবার বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত ছয়টি সড়কে পরিদর্শন ও তদন্তকাজ পরিচালনা করা হয়েছে। প্রাথমিক তদন্তে সড়কে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের সত্যতা পেয়েছে দুদক।
দুদকের সহকারী পরিচালক মোহাম্মদ ঈসমাইল হোসেনের নেতৃত্বে চার সদস্যের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। ঈসমাইল হোসেন সাংবাদিকদের জানান, সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহারের বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা পেয়েছে তদন্ত দল।
দুদক সূত্র জানায়, ২০২২-২৩ অর্থবছরে ১ নম্বর ওয়ার্ডে ৪৯২ মিটার, হঠাৎপাড়া থেকে উচা ব্রিজ ৩৪২ মিটার, মিনার মসজিদ থেকে রেলঘুণ্টি পর্যন্ত ১৬১ মিটার, পৌরসভা গেট থেকে স্টেশন রোড ৩৯৫ মিটার, স্টাফ কোয়ার্টার থেকে খেড়পট্টি ১ হাজার ২০৫ মিটার, ডিসি অফিস থেকে ফরিদপুর কবরস্থান মোড় ৯৫০ মিটার, ফুলবাড়ী বাসস্ট্যান্ড থেকে ফরিদপুর কবরস্থান ৬৩০ মিটার ও পুলহাট বড়পুল থেকে ফরিদপুর কবরস্থান পর্যন্ত ৫৫৫ মিটার সড়কের নির্মাণকাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে।

সড়কগুলোতে নির্মাণকাজে ব্যয় হয়েছে ৭ কোটি ৯৮ লাখ ৪৯ হাজার ১৫৩ টাকা। সবগুলো সড়কের নির্মাণকাজ করেছে স্থানীয় ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মেসার্স মা এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী দিনাজপুর পৌর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শাহ আলম ও মেসার্স মুরাদ এন্টারপ্রাইজের স্বত্বাধিকারী মুরাদ আহম্মেদ।
দিনাজপুর দুদকের সহকারী পরিচালক ঈসমাইল হোসেন বলেন, সড়কগুলোর নির্মাণকাজ মাত্রই শেষ হয়েছে। দুদকের কাছে অভিযোগ ছিল এসব সড়কের নির্মাণকাজে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। দরপত্রের শর্তাবলি পালন না করেই নির্মাণকাজ শেষ করা হয়েছে। দুদক আজকে এনফোর্সমেন্ট দল ও টেকনিক্যাল পারসন (প্রকৌশলী) সঙ্গে নিয়ে তদন্ত কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। তদন্তে অভিযোগের বিষয়ে প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করা ও পরামর্শক্রমে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে