
পাবনায় এক থেকে দুই ঘণ্টা পরপর লোডশেডিংয়ে অতিষ্ঠ গ্রাহকদের ক্ষোভের মুখে ঈশ্বরদীর সাহাপুর ইউনিয়নের চরগড়গড়ি এলাকায় এক মিটার রিডারকে প্রায় চার ঘণ্টা আটকে রাখা হয়। বিদ্যুৎ কর্মকর্তারা বলছেন, চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম থাকায় এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

উপজেলায় দুটি সাবস্টেশনের আওতায় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকসংখ্যা প্রায় ১ লাখ ৬৫ হাজার ৫০০। এর মধ্যে ফরিদগঞ্জ জোনাল অফিসের আওতায় গ্রাহকসংখ্যা প্রায় ১ লাখ ১০ হাজার। এখানে সর্বোচ্চ বিদ্যুৎ চাহিদা ২৩ থেকে ২৬ মেগাওয়াট। কিন্তু সরবরাহ মিলছে মাত্র ৭ থেকে ১০ মেগাওয়াট।

জয়পুরহাটে চাহিদার তুলনায় বিদ্যুৎ সরবরাহ কম থাকায় তীব্র লোডশেডিংয়ে দুর্ভোগ বেড়েছে। কালাই উপজেলায় প্রয়োজনের বিপরীতে প্রায় ৬০ শতাংশ এবং জেলায় ৬২ মেগাওয়াট চাহিদার বিপরীতে প্রায় ৪৫ শতাংশ বিদ্যুৎ পাওয়া যাচ্ছে বলে জানিয়েছে পল্লী বিদ্যুৎ কর্তৃপক্ষ।

দীর্ঘ প্রায় ৪ যুগ আগে নির্মিত বিদ্যুৎ লাইনের তারগুলো অনেক পুরোনো ও জীর্ণশীর্ণ। ছোটখাটো ডালপালা পড়লেও তারগুলো ছিঁড়ে যায়। কয়েক বছর আগেও এ রকম একটি দুর্ঘটনায় কয়ালবাড়ির সামনে কামাল হোসেন নামের এক ফেরিওয়ালার মৃত্যু হয়েছিল।