রংপুরের বদরগঞ্জে ভ্যানের পেছনে মোটরসাইকেলের ধাক্কায় ছিটকে পড়ে দুজন মারা গেছে। নিহতরা দুই বন্ধু।
আজ মঙ্গলবার বেলা আড়াইটার দিকে বদরগঞ্জ-পার্বতীপুর সড়কের ট্যাক্সেরহাট এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও তিনজন।
নিহত দুজনের মধ্যে একজনের নাম আশিক (১৩)। সে উপজেলার মধুপুর ইউনিয়নের পাকার মাথা ধনতোলা গ্রামের ইব্রাহিম মিয়ার ছেলে। অপরজনের নাম নাইম হোসেন (১৪)। সে উপজেলার বালাপাড়া গ্রামের মমিন হোসেনের ছেলে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বদরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নুরুল আমিন সরকার।
তিনি জানান, উপজেলার ট্যাক্সেরহাট নামক স্থানে দুটি মোটরসাইকেলে চারজন বন্ধু দ্রুতগতিতে মোটরসাইকেল চালিয়ে যাচ্ছিলেন। তাদের সামনে ব্যাটারিচালিত একটি চার্জার ভ্যান ছিল। তারা পাশাপাশি কথা বলতে বলতে গাড়ি চালাতে গিয়ে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ভ্যানের পেছনে ধাক্কা দিয়ে সড়কে ছিটকে পড়েন। এতে ঘটনাস্থলে নাইমের মৃত্যু হয়। গুরুতর আহত অবস্থায় আশিককে বদরগঞ্জ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকেও মৃত ঘোষণা করে। এ ঘটনায় রিপন (১৬) ও লিপ্তসহ (১৫) তিনজন আরোহী আহত হয়েছে।
বদরগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) নুরুল আমিন সরকার জানান, দুই বন্ধুর মরদেহ তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করার প্রক্রিয়া চলছে।

নাজমুলের বাড়ি লক্ষ্মীপুর জেলার রামগতি উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে। রাজধানী উত্তরার উত্তরখান হেলাল মার্কেট এলাকায় নিজ বাড়িতে থাকতেন। পেশায় ব্যবসায়ী ছিলেন নাজমুল।
১ ঘণ্টা আগে
আজ সোমবার (২ মার্চ) সকালে গলায় প্যান্টের বেল্ট প্যাঁচানো অবস্থায় স্থানীয়রা ধানখেতে ওই শিশুর মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য রাজশাহী মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠায়। পুলিশ বলছে, এটি হত্যাকাণ্ড।
১ ঘণ্টা আগে
শনির আখড়ার জাপানি বাজার এলাকায় তাঁর মানিব্যাগের কারখানায় শাহ আলম কাজ করত। রাত আনুমানিক সাড়ে ১১টার দিকে জাপানি বাজারের সামনের সড়ক পার হচ্ছিল সে।
১ ঘণ্টা আগে
স্থানীয় ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, সকালে মোটরসাইকেলে সাবেদ ও সামির ঢাকার দিকে যাচ্ছিলেন। উমপাড়া এলাকায় পৌঁছালে দ্রুতগতির মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সড়কের পাশে থাকা লোহার রেলিংয়ে সজোরে ধাক্কা দেয়। এতে মোটরসাইকেলটি দুমড়েমুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই সাবেদের মৃত্যু হয়।
১ ঘণ্টা আগে