গাইবান্ধা প্রতিনিধি

ব্যবসা করতে গিয়ে ঋণে জর্জরিত হয়ে এক যুবক (২৩) নিজের কিডনি বিক্রি করতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার ওই যুবক নিজের ফেসবুক আইডি থেকে কিডনি বিক্রি করতে যোগাযোগের জন্য মোবাইল নম্বরসহ স্ট্যাটাস দেন।
ওই যুবক গাইবান্ধা সদর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের উত্তর ফলিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়া নম্বরে ফোন দিলে ওই যুবকের সঙ্গে কথা হয় আজকের পত্রিকার এই প্রতিবেদকের সঙ্গে।
কিডনি বিক্রির পোস্ট বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২০২১ সালে গাইবান্ধা পৌর শহরের পুরাতন বাজার এলাকায় আত্মীয়স্বজন ও এনজিওর কাছ থেকে ২ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে মোবাইল ব্যাংকিং, মোবাইল রিচার্জ ও মুদি ব্যবসা শুরু করেন। ব্যবসা শুরু করার পর থেকে পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যায় পড়ে মূলধন খুইয়ে তিনি দোকান বন্ধ করেন।
বর্তমানে তাঁর ঋণ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ঋণ পরিশোধ করতেই নিজের কিডনি বা শরীরের কোনো অঙ্গ বিক্রি করা নিষিদ্ধ ও বেআইনি জেনেও নিরুপায় হয়ে তিনি কিডনি বিক্রির পোস্ট দিয়েছেন।
তিনি জানান, ‘ঋণ পরিশোধের আর কোনো উপায় নেই। তাই বাধ্য হয়ে ফেসবুকে কিডনি বিক্রির পোস্ট করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘একদিকে ঋণের চাপ, অন্যদিকে স্ত্রী ও দেড় মাস বয়সী কন্যাসন্তান আছে। বর্তমানে বাজারে জিনিসপত্রের দাম অনেক বেশি। এ ছাড়া শিশুসন্তানটির ভরণপোষণ জোগাতে হিমশিম খাচ্ছি।’
এ বিষয়ে বোয়ালী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. মাহাবুর রহমান বাবু বলেন, ‘আমরা খোঁজ নিচ্ছি। সত্যিই যদি তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে থাকেন, আমরা পরিষদ থেকে সাধ্যমতো সহযোগিতা করার চেষ্টা করব।’
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘কিডনি বিক্রির বিষয়ে কোনো স্ট্যাটাস চোখে পড়েনি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব।’
জানতে চাইলে গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদ আল হাসান মোবাইল ফোনে বলেন, ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়া ব্যক্তি আর্থিক সহযোগিতা চেয়ে উপজেলা প্রশাসন বরাবর আবেদন করলে তাঁর বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।

ব্যবসা করতে গিয়ে ঋণে জর্জরিত হয়ে এক যুবক (২৩) নিজের কিডনি বিক্রি করতে ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার ওই যুবক নিজের ফেসবুক আইডি থেকে কিডনি বিক্রি করতে যোগাযোগের জন্য মোবাইল নম্বরসহ স্ট্যাটাস দেন।
ওই যুবক গাইবান্ধা সদর উপজেলার বোয়ালী ইউনিয়নের উত্তর ফলিয়া গ্রামের বাসিন্দা।
ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়া নম্বরে ফোন দিলে ওই যুবকের সঙ্গে কথা হয় আজকের পত্রিকার এই প্রতিবেদকের সঙ্গে।
কিডনি বিক্রির পোস্ট বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ২০২১ সালে গাইবান্ধা পৌর শহরের পুরাতন বাজার এলাকায় আত্মীয়স্বজন ও এনজিওর কাছ থেকে ২ লাখ টাকা ঋণ নিয়ে মোবাইল ব্যাংকিং, মোবাইল রিচার্জ ও মুদি ব্যবসা শুরু করেন। ব্যবসা শুরু করার পর থেকে পারিবারিক বিভিন্ন সমস্যায় পড়ে মূলধন খুইয়ে তিনি দোকান বন্ধ করেন।
বর্তমানে তাঁর ঋণ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৮০ হাজার টাকা। ঋণ পরিশোধ করতেই নিজের কিডনি বা শরীরের কোনো অঙ্গ বিক্রি করা নিষিদ্ধ ও বেআইনি জেনেও নিরুপায় হয়ে তিনি কিডনি বিক্রির পোস্ট দিয়েছেন।
তিনি জানান, ‘ঋণ পরিশোধের আর কোনো উপায় নেই। তাই বাধ্য হয়ে ফেসবুকে কিডনি বিক্রির পোস্ট করেছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘একদিকে ঋণের চাপ, অন্যদিকে স্ত্রী ও দেড় মাস বয়সী কন্যাসন্তান আছে। বর্তমানে বাজারে জিনিসপত্রের দাম অনেক বেশি। এ ছাড়া শিশুসন্তানটির ভরণপোষণ জোগাতে হিমশিম খাচ্ছি।’
এ বিষয়ে বোয়ালী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মো. মাহাবুর রহমান বাবু বলেন, ‘আমরা খোঁজ নিচ্ছি। সত্যিই যদি তিনি ঋণগ্রস্ত হয়ে থাকেন, আমরা পরিষদ থেকে সাধ্যমতো সহযোগিতা করার চেষ্টা করব।’
গাইবান্ধা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাসুদ রানা বলেন, ‘কিডনি বিক্রির বিষয়ে কোনো স্ট্যাটাস চোখে পড়েনি। বিষয়টি খোঁজ নিয়ে দেখব।’
জানতে চাইলে গাইবান্ধা সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মাহমুদ আল হাসান মোবাইল ফোনে বলেন, ফেসবুকে স্ট্যাটাস দেওয়া ব্যক্তি আর্থিক সহযোগিতা চেয়ে উপজেলা প্রশাসন বরাবর আবেদন করলে তাঁর বিষয়টি বিবেচনা করা হতে পারে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে