রংপুর প্রতিনিধি

রংপুরের সাবেক সংসদ সদস্য ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মণ্ডলের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ফজলে খোদা মো. নাজির শুনানি শেষে তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
নুর মোহাম্মদ মণ্ডল পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ওই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি জাতীয় পার্টি, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার সুবাদে দুবার এমপি ও তিনবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
আদালতে দুদকের আইনজীবী এ কে এম হারুন উর রশীদ জামিন নামঞ্জুর ও কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র জানায়, নুর মোহাম্মদ মণ্ডলের বিরুদ্ধে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, রংপুর থেকে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়ের উৎসবহির্ভূত সম্পদ অর্জন করায় একটি মামলা করা হয়।
এর আগে চলতি বছরের ৯ মার্চ দুদক আইনে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় নুর মোহাম্মদ মণ্ডলের আটটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ, তাঁর মালিকানাধীন বিনোদন কেন্দ্রসহ ৩ হাজার ১৩০.৭৩ একর জমি ও আনুমানিক ৯ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দেন আদালত।
উল্লেখ্য, নুর মোহাম্মদ মণ্ডল ১৯৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন নিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ভাশুর অধ্যাপক আব্দুল ওয়াহেদ কানু মিয়াকে পরাজিত করেন। এরপর ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাকে পরাজিত করে আবারও জাপার ব্যানারে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
তিনি ২০০৮ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ছেড়ে বিএনপিপ্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও শেখ হাসিনার কাছে হেরে যান। ২০১৪ সালে শেখ হাসিনার ভাশুরের ছেলে এ কে এম ছায়াদত হোসেন বকুলকে পরাজিত করে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপর ২০১৮ সালে বিএনপি ত্যাগ করে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং নৌকা প্রতীকে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০২৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে জয় লাভ করেন নুর মোহাম্মদ মণ্ডল।

রংপুরের সাবেক সংসদ সদস্য ও উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান নুর মোহাম্মদ মণ্ডলের জামিন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক ফজলে খোদা মো. নাজির শুনানি শেষে তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
নুর মোহাম্মদ মণ্ডল পীরগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান এবং ওই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য। তিনি জাতীয় পার্টি, বিএনপি ও আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার সুবাদে দুবার এমপি ও তিনবার উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
আদালতে দুদকের আইনজীবী এ কে এম হারুন উর রশীদ জামিন নামঞ্জুর ও কারাগারে পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র জানায়, নুর মোহাম্মদ মণ্ডলের বিরুদ্ধে দুদক সমন্বিত জেলা কার্যালয়, রংপুর থেকে ২০২০ সালের ডিসেম্বরে সম্পদের তথ্য গোপন ও জ্ঞাত আয়ের উৎসবহির্ভূত সম্পদ অর্জন করায় একটি মামলা করা হয়।
এর আগে চলতি বছরের ৯ মার্চ দুদক আইনে অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় নুর মোহাম্মদ মণ্ডলের আটটি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ, তাঁর মালিকানাধীন বিনোদন কেন্দ্রসহ ৩ হাজার ১৩০.৭৩ একর জমি ও আনুমানিক ৯ কোটি টাকা মূল্যের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি ক্রোক করার আদেশ দেন আদালত।
উল্লেখ্য, নুর মোহাম্মদ মণ্ডল ১৯৯৬ সালের সংসদ নির্বাচনে জাতীয় পার্টির মনোনয়ন নিয়ে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ভাশুর অধ্যাপক আব্দুল ওয়াহেদ কানু মিয়াকে পরাজিত করেন। এরপর ২০০১ সালের সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনাকে পরাজিত করে আবারও জাপার ব্যানারে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।
তিনি ২০০৮ সালের নির্বাচনে জাতীয় পার্টি ছেড়ে বিএনপিপ্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও শেখ হাসিনার কাছে হেরে যান। ২০১৪ সালে শেখ হাসিনার ভাশুরের ছেলে এ কে এম ছায়াদত হোসেন বকুলকে পরাজিত করে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। এরপর ২০১৮ সালে বিএনপি ত্যাগ করে তিনি আওয়ামী লীগে যোগ দেন এবং নৌকা প্রতীকে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০২৪ সালের উপজেলা পরিষদ নির্বাচনেও আওয়ামী লীগের প্রার্থী হয়ে জয় লাভ করেন নুর মোহাম্মদ মণ্ডল।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে