কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

কুড়িগ্রাম সদরের হলোখানা ইউনিয়নে বসতবাড়ির পাশের একটি কৃষিজমি থেকে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক কিশোরীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকালে ইউনিয়নের কাগজিপাড়া গ্রাম থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত কিশোরীর নাম জান্নাতি (১৫)। সে কাগজিপাড়া গ্রামের কৃষক জাহিদুল হকের মেয়ে। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জান্নাতির জ্যাঠা খলিল জানান, বাড়ির পাশের একটি জমিতে জান্নাতির লাশ উপুড় হয়ে পড়ে ছিল। সকালে লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। জান্নাতির বাবার সঙ্গে জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে প্রতিপক্ষ এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে দাবি করেন খলিল। তিনি প্রতিপক্ষের কয়েকজনের নামও উল্লেখ করেন। তবে স্থানীয় একাধিক নিরপেক্ষ সূত্রে খলিলের এমন দাবির সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
খলিল বলেন, ‘জান্নাতি রাতে ঘরে ছিল। গভীর রাতে কয়েকজন লোক তাকে বের করে নিয়ে মেরে ফেলে রেখে গেছে। যারা মারছে তাদের সঙ্গে জান্নাতির বাবা ও আমার জমি নিয়ে মামলা চলছে। তারা বিভিন্ন সময়ে আমাদের ক্ষতি করে আসছে। আমরা মামলায় সব উল্লেখ করব। রাতে হামলার সময় বাড়ির সবাই চিল্লাচিল্লি করছে। ওরা লাঠি হাতে এসেছিল। সকালে জান্নাতির লাশ পাওয়া গেছে। যারা এটা করছে আমরা তাদের চিনি।’ জান্নাতিকে হত্যায় জড়িতদের পরিচয় সম্পর্কে বলেন খলিল।
তবে খলিলের এমন দাবির সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। রাতে জান্নাতিকে তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় পরিবারের লোকজনের চিৎকারের বিষয়টি স্থানীয়রাও নিশ্চিত করতে পারেনি। তবে জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে জান্নাতির হত্যাকাণ্ড হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ স্থানীয়দের। কিন্তু কারা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত তা কেউ নিশ্চিত করতে পারেনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল্লাহ বলেন, ‘নিহতের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অন্য কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। কারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত তা এখনো জানা যায়নি। মামলা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

কুড়িগ্রাম সদরের হলোখানা ইউনিয়নে বসতবাড়ির পাশের একটি কৃষিজমি থেকে নবম শ্রেণিতে পড়ুয়া এক কিশোরীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকালে ইউনিয়নের কাগজিপাড়া গ্রাম থেকে লাশ উদ্ধার করা হয়।
নিহত কিশোরীর নাম জান্নাতি (১৫)। সে কাগজিপাড়া গ্রামের কৃষক জাহিদুল হকের মেয়ে। তার মাথায় আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
জান্নাতির জ্যাঠা খলিল জানান, বাড়ির পাশের একটি জমিতে জান্নাতির লাশ উপুড় হয়ে পড়ে ছিল। সকালে লাশ দেখতে পেয়ে পুলিশে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। জান্নাতির বাবার সঙ্গে জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে প্রতিপক্ষ এই হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে দাবি করেন খলিল। তিনি প্রতিপক্ষের কয়েকজনের নামও উল্লেখ করেন। তবে স্থানীয় একাধিক নিরপেক্ষ সূত্রে খলিলের এমন দাবির সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
খলিল বলেন, ‘জান্নাতি রাতে ঘরে ছিল। গভীর রাতে কয়েকজন লোক তাকে বের করে নিয়ে মেরে ফেলে রেখে গেছে। যারা মারছে তাদের সঙ্গে জান্নাতির বাবা ও আমার জমি নিয়ে মামলা চলছে। তারা বিভিন্ন সময়ে আমাদের ক্ষতি করে আসছে। আমরা মামলায় সব উল্লেখ করব। রাতে হামলার সময় বাড়ির সবাই চিল্লাচিল্লি করছে। ওরা লাঠি হাতে এসেছিল। সকালে জান্নাতির লাশ পাওয়া গেছে। যারা এটা করছে আমরা তাদের চিনি।’ জান্নাতিকে হত্যায় জড়িতদের পরিচয় সম্পর্কে বলেন খলিল।
তবে খলিলের এমন দাবির সত্যতা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। রাতে জান্নাতিকে তুলে নিয়ে যাওয়ার সময় পরিবারের লোকজনের চিৎকারের বিষয়টি স্থানীয়রাও নিশ্চিত করতে পারেনি। তবে জমি নিয়ে দ্বন্দ্বে জান্নাতির হত্যাকাণ্ড হয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ স্থানীয়দের। কিন্তু কারা এই হত্যাকাণ্ডে জড়িত তা কেউ নিশ্চিত করতে পারেনি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুল্লাহ বলেন, ‘নিহতের মাথায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। অন্য কোনো আলামত পাওয়া যায়নি। লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। কারা হত্যাকাণ্ডে জড়িত তা এখনো জানা যায়নি। মামলা হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে