নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহী–৬ (বাঘা–চারঘাট) আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমকে রাজশাহী মহানগরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময় তাঁর কুশপুতুল পোড়ানো হয়েছে। এর আগে জুতার মালা পরানো এই কুশপুতুলকে জুতা দিয়ে পিটিয়েছে রাজশাহী মহানগর যুবলীগ, শ্রমিক লীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা–কর্মীরা।
আজ শুক্রবার বিকেলে নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এর আগে নগরীর কুমারপাড়ায় মহানগর আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। রাজশাহীর বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুলকে হত্যার বিচারের দাবিতে এবং আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে নিয়ে আওয়ামী লীগেরই সংসদ সদস্য শাহরিয়ার আলমের আপত্তিকর বক্তব্যের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
গত ২২ জুন সংঘর্ষের পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বুধবার মারা যান বাবুল। বৃহস্পতিবার বাবুলের জানাজার সময় দেওয়া বক্তব্যে শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘পেছন থেকে মদদদাতা হিসেবে আসাদুজ্জামান আসাদ (রাজশাহী–৩ আসনের এমপি), এএইচএম খায়রুজ্জামান (সিটি মেয়র) এবং লায়েব উদ্দিনের (বাঘা উপজেলা চেয়ারম্যান) বিরুদ্ধে মামলা হবে। তাঁদের শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথে থাকব।’
আজ শুক্রবার বিক্ষোভ মিছিল শেষে সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে আয়োজিত সমাবেশে রাজশাহী মহানগর যুবলীগ, শ্রমিক লীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা শাহরিয়ার আলমের এ ধরনের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান।
তাঁরা বলেন, বাঘার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের দমন করতে শাহরিয়ার আলমেরই একটি লাশের দরকার ছিল। আর সেই লাশ হয়েছেন আশরাফুল ইসলাম বাবুল। তাঁরা বাবুল হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।
কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন মহানগর যুবলীগের সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির। তিনি বলেন, ‘শাহরিয়ার আলম হেলিকপ্টারে চড়ে ঢাকা থেকে বাঘা যাতায়াত করেন। বাবুল আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পড়ে ছিলেন। তাঁকে হেলিকপ্টারে ঢাকায় নিয়ে যাননি। চিকিৎসার কোনো খোঁজ নেননি। বাবুল মারা যাওয়ার পর তিনি বাঘায় কোথা থেকে যেন ছুটে এসেছেন। আসলে রাজনীতি করার জন্য শাহরিয়ার আলমের একটা লাশের প্রয়োজন ছিল। সেই লাশ নিয়ে তিনি এখন রাজনীতি করছেন। বাবুলকে কারা হত্যা করেছে, আমরা তার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।’
মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ডা. সিরাজুম মুবীন সবুজের পরিচালনায় কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য দেন-জেলা যুবলীগের সভাপতি মাহমুদ হাসান ফয়সল সজল, মহানগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক তৌরিদ আল মাসুদ রনি, মহানগর শ্রমিক লীগের সভাপতি মাহবুবুল আলম, সাধারণ সম্পাদক আকতার আলী, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিকুজ্জামান শফিক, রকি কুমার ঘোষ প্রমুখ।
এ ছাড়াও বক্তব্য দেন—নগর ছাত্রলীগের সভাপতি নূর মোহাম্মদ সিয়াম, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত সৈকত, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আব্দুল মমিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রানা, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান রাজিব, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লা হিল গালিব, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ডা. শুভ কুমার মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হাসান, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ছাত্রলীগের সভাপতি ফাহমিদ লতিফ প্রমুখ।

রাজশাহী–৬ (বাঘা–চারঘাট) আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমকে রাজশাহী মহানগরে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হয়েছে। এ সময় তাঁর কুশপুতুল পোড়ানো হয়েছে। এর আগে জুতার মালা পরানো এই কুশপুতুলকে জুতা দিয়ে পিটিয়েছে রাজশাহী মহানগর যুবলীগ, শ্রমিক লীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা–কর্মীরা।
আজ শুক্রবার বিকেলে নগরীর সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে এ কর্মসূচি পালিত হয়। এর আগে নগরীর কুমারপাড়ায় মহানগর আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়ের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করা হয়। রাজশাহীর বাঘা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আশরাফুল ইসলাম বাবুলকে হত্যার বিচারের দাবিতে এবং আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও রাজশাহী সিটি করপোরেশনের মেয়র এএইচএম খায়রুজ্জামান লিটনকে নিয়ে আওয়ামী লীগেরই সংসদ সদস্য শাহরিয়ার আলমের আপত্তিকর বক্তব্যের প্রতিবাদে এ কর্মসূচি পালিত হয়।
গত ২২ জুন সংঘর্ষের পর রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গত বুধবার মারা যান বাবুল। বৃহস্পতিবার বাবুলের জানাজার সময় দেওয়া বক্তব্যে শাহরিয়ার আলম বলেন, ‘পেছন থেকে মদদদাতা হিসেবে আসাদুজ্জামান আসাদ (রাজশাহী–৩ আসনের এমপি), এএইচএম খায়রুজ্জামান (সিটি মেয়র) এবং লায়েব উদ্দিনের (বাঘা উপজেলা চেয়ারম্যান) বিরুদ্ধে মামলা হবে। তাঁদের শাস্তি না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথে থাকব।’
আজ শুক্রবার বিক্ষোভ মিছিল শেষে সাহেববাজার জিরোপয়েন্টে আয়োজিত সমাবেশে রাজশাহী মহানগর যুবলীগ, শ্রমিক লীগ, ছাত্রলীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাকর্মীরা শাহরিয়ার আলমের এ ধরনের বক্তব্যের প্রতিবাদ জানান।
তাঁরা বলেন, বাঘার রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বীদের দমন করতে শাহরিয়ার আলমেরই একটি লাশের দরকার ছিল। আর সেই লাশ হয়েছেন আশরাফুল ইসলাম বাবুল। তাঁরা বাবুল হত্যার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।
কর্মসূচিতে সভাপতিত্ব করেন মহানগর যুবলীগের সভাপতি মনিরুজ্জামান মনির। তিনি বলেন, ‘শাহরিয়ার আলম হেলিকপ্টারে চড়ে ঢাকা থেকে বাঘা যাতায়াত করেন। বাবুল আহত অবস্থায় রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পড়ে ছিলেন। তাঁকে হেলিকপ্টারে ঢাকায় নিয়ে যাননি। চিকিৎসার কোনো খোঁজ নেননি। বাবুল মারা যাওয়ার পর তিনি বাঘায় কোথা থেকে যেন ছুটে এসেছেন। আসলে রাজনীতি করার জন্য শাহরিয়ার আলমের একটা লাশের প্রয়োজন ছিল। সেই লাশ নিয়ে তিনি এখন রাজনীতি করছেন। বাবুলকে কারা হত্যা করেছে, আমরা তার সুষ্ঠু তদন্ত চাই।’
মহানগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ডা. সিরাজুম মুবীন সবুজের পরিচালনায় কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য দেন-জেলা যুবলীগের সভাপতি মাহমুদ হাসান ফয়সল সজল, মহানগর যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক তৌরিদ আল মাসুদ রনি, মহানগর শ্রমিক লীগের সভাপতি মাহবুবুল আলম, সাধারণ সম্পাদক আকতার আলী, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিকুজ্জামান শফিক, রকি কুমার ঘোষ প্রমুখ।
এ ছাড়াও বক্তব্য দেন—নগর ছাত্রলীগের সভাপতি নূর মোহাম্মদ সিয়াম, জেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইয়াসিন আরাফাত সৈকত, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আব্দুল মমিন, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান রানা, মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক মাহমুদ হাসান রাজিব, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান বাবু, সাধারণ সম্পাদক আসাদুল্লা হিল গালিব, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি ডা. শুভ কুমার মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক নাহিদ হাসান, রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ছাত্রলীগের সভাপতি ফাহমিদ লতিফ প্রমুখ।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী সৈয়দ মোহাম্মদ ফয়জুল করিম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই জামায়াতের আমিরের আসনে প্রার্থী দিইনি। অ্যাডভোকেট হেলাল আমাদের আমিরের প্রতি সম্মান দেখিয়ে প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছেন, এটাই রাজনীতির সৌন্দর্য।’
১ ঘণ্টা আগে
লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে সন্দেহের জেরে ‘মাদকাসক্ত’ একদল যুবকের হামলায় আহত কলেজছাত্র আশরাফুল ইসলাম চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। গতকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) বেলা ৩টার দিকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া সেই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ভাটারা থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের নাম ইব্রাহিম (২৮) ও রহমতুল্লাহ (২২)।
১১ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর ও ছিন্নমূল; এসব এলাকার হাজারো পাহাড় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস, কাজী মশিউর রহমান, ইয়াসিন মিয়া, গোলাম গফুর, রোকন উদ্দিন ওরফে রোকন মেম্বার, রিদোয়ান ও গাজী সাদেকের নাম ঘুরেফিরে আসে। চার দশক ধরে ওই সব এলাকার সরকারি পাহাড় কেটে আবাসন...
১১ ঘণ্টা আগে