নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহীর তানোর উপজেলার শতবর্ষী গোকুল-মথুরা খেলার মাঠ রক্ষায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ১৩ জনকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)। আজ মঙ্গলবার বেলার আইনজীবী এস হাসানুল বান্না রেজিস্টার্ড ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠান।
লিগ্যাল নোটিশপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন ভূমিসচিব, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, রাজশাহীর পরিচালক ও সহকারী পরিচালক, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলী, রাজশাহী জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং গোকুল-মথুরা দাখিল মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট।
নোটিশে বলা হয়েছে, তানোর উপজেলার মথুরা মৌজার ওই মাঠটি আরএস খতিয়ানে স্পষ্টভাবে ‘খেলার মাঠ’ হিসেবে রেকর্ডভুক্ত। জেএল নম্বর ১৫৩, খতিয়ান নম্বর ৩৮, দাগ নম্বর ৯৩ অনুযায়ী ১ একর ৬ শতাংশ জমির মালিক হিসেবে উল্লেখ রয়েছে ‘গোকুল-মথুরা ফুটবল ক্লাবের সেক্রেটারি’র নাম।
তবে ১৯৯৯ সালের ৪ ও ৮ আগস্ট দুটি ভুয়া দানপত্রের মাধ্যমে গোকুল-মথুরা দাখিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ মোট ৪০ শতাংশ জমির মালিকানা দাবি করে। এর আগেই ১৯৮৩ সালের ৫ জুন গোকুল-মথুরা প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আরও ৬৬ শতাংশ জমি নিজেদের নামে দান দলিল করে নেয়। ফলে পুরো খেলার মাঠটি কাগজে-কলমে দখলে নেয় দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
বেলার পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়, ২০০০ সালে প্রণীত ‘মহানগরী, বিভাগীয় শহর ও জেলা শহরের পৌর এলাকাসহ দেশের সব পৌর এলাকার খেলার মাঠ, উন্মুক্ত স্থান, উদ্যান এবং প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন’-এর ৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী, এমন জমি অন্য কোনোভাবে ব্যবহার বা হস্তান্তর করার সুযোগ নেই।
এরপরও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ভুয়া দলিল দেখিয়ে সম্প্রতি মাঠে ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। মাঠে খননযন্ত্র (ভেকু) দিয়ে কাজ শুরুর সময় স্থানীয় এলাকাবাসী সেখানে শুয়ে প্রতিবাদ জানান। বাধার মুখে কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, মাঠটি এলাকার একটি বহুল ব্যবহৃত উন্মুক্ত স্থান। পার্শ্ববর্তী দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় শিশু-কিশোর ও যুবকেরা নিয়মিত এখানে খেলাধুলা করে থাকে। মাঠে এখন পর্যন্ত দুই শতাধিক টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ছাড়া জানাজা, ঈদের জামাত, ইসলামি মাহফিল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, জাতীয় দিবস উদ্যাপন, শরীরচর্চা এবং ধান মাড়াইসহ নানা কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে মাঠটি।
বেলা বলেছে, প্রচলিত আইন অনুযায়ী ‘খেলার মাঠ’ হিসেবে রেকর্ডভুক্ত কোনো ভূমির শ্রেণি পরিবর্তনের সুযোগ নেই। খেলার মাঠ হিসেবে চিহ্নিত ওই জমিকে সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে ব্যর্থ হওয়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আইনি ব্যর্থতা। তাই নোটিশে অবিলম্বে মাঠের সীমানা নির্ধারণ করে স্থাপনা নির্মাণসহ সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি খেলার মাঠ হিসেবে শ্রেণি পরিবর্তন সম্পর্কিত সব কার্যক্রম বাতিল করে তা সংরক্ষণের দাবি জানানো হয়। মাদ্রাসা ভবনের জন্য বিকল্প কোনো অকৃষি খাসজমি নির্বাচন করতেও বলা হয়েছে।
লিগ্যাল নোটিশে সাত দিনের মধ্যে গৃহীত পদক্ষেপ জানাতে বলা হয়েছে। তা না হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

রাজশাহীর তানোর উপজেলার শতবর্ষী গোকুল-মথুরা খেলার মাঠ রক্ষায় ভূমি মন্ত্রণালয়ের সচিবসহ ১৩ জনকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েছে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা)। আজ মঙ্গলবার বেলার আইনজীবী এস হাসানুল বান্না রেজিস্টার্ড ডাকযোগে এই নোটিশ পাঠান।
লিগ্যাল নোটিশপ্রাপ্তদের মধ্যে রয়েছেন ভূমিসচিব, পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, রাজশাহীর পরিচালক ও সহকারী পরিচালক, শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী ও রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলী, রাজশাহী জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, তানোর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), সহকারী কমিশনার (ভূমি) এবং গোকুল-মথুরা দাখিল মাদ্রাসার সুপারিনটেনডেন্ট।
নোটিশে বলা হয়েছে, তানোর উপজেলার মথুরা মৌজার ওই মাঠটি আরএস খতিয়ানে স্পষ্টভাবে ‘খেলার মাঠ’ হিসেবে রেকর্ডভুক্ত। জেএল নম্বর ১৫৩, খতিয়ান নম্বর ৩৮, দাগ নম্বর ৯৩ অনুযায়ী ১ একর ৬ শতাংশ জমির মালিক হিসেবে উল্লেখ রয়েছে ‘গোকুল-মথুরা ফুটবল ক্লাবের সেক্রেটারি’র নাম।
তবে ১৯৯৯ সালের ৪ ও ৮ আগস্ট দুটি ভুয়া দানপত্রের মাধ্যমে গোকুল-মথুরা দাখিল মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ মোট ৪০ শতাংশ জমির মালিকানা দাবি করে। এর আগেই ১৯৮৩ সালের ৫ জুন গোকুল-মথুরা প্রাথমিক বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আরও ৬৬ শতাংশ জমি নিজেদের নামে দান দলিল করে নেয়। ফলে পুরো খেলার মাঠটি কাগজে-কলমে দখলে নেয় দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।
বেলার পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হয়, ২০০০ সালে প্রণীত ‘মহানগরী, বিভাগীয় শহর ও জেলা শহরের পৌর এলাকাসহ দেশের সব পৌর এলাকার খেলার মাঠ, উন্মুক্ত স্থান, উদ্যান এবং প্রাকৃতিক জলাধার সংরক্ষণ আইন’-এর ৫ নম্বর ধারা অনুযায়ী, এমন জমি অন্য কোনোভাবে ব্যবহার বা হস্তান্তর করার সুযোগ নেই।
এরপরও মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ভুয়া দলিল দেখিয়ে সম্প্রতি মাঠে ভবন নির্মাণের উদ্যোগ নেয়। মাঠে খননযন্ত্র (ভেকু) দিয়ে কাজ শুরুর সময় স্থানীয় এলাকাবাসী সেখানে শুয়ে প্রতিবাদ জানান। বাধার মুখে কাজ বন্ধ রাখতে বাধ্য হয় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ।
নোটিশে আরও উল্লেখ করা হয়, মাঠটি এলাকার একটি বহুল ব্যবহৃত উন্মুক্ত স্থান। পার্শ্ববর্তী দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসহ স্থানীয় শিশু-কিশোর ও যুবকেরা নিয়মিত এখানে খেলাধুলা করে থাকে। মাঠে এখন পর্যন্ত দুই শতাধিক টুর্নামেন্ট অনুষ্ঠিত হয়েছে। এ ছাড়া জানাজা, ঈদের জামাত, ইসলামি মাহফিল, সামাজিক-সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, জাতীয় দিবস উদ্যাপন, শরীরচর্চা এবং ধান মাড়াইসহ নানা কাজে ব্যবহৃত হয়ে আসছে মাঠটি।
বেলা বলেছে, প্রচলিত আইন অনুযায়ী ‘খেলার মাঠ’ হিসেবে রেকর্ডভুক্ত কোনো ভূমির শ্রেণি পরিবর্তনের সুযোগ নেই। খেলার মাঠ হিসেবে চিহ্নিত ওই জমিকে সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ করতে ব্যর্থ হওয়া সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আইনি ব্যর্থতা। তাই নোটিশে অবিলম্বে মাঠের সীমানা নির্ধারণ করে স্থাপনা নির্মাণসহ সব ধরনের কার্যক্রম বন্ধের আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি খেলার মাঠ হিসেবে শ্রেণি পরিবর্তন সম্পর্কিত সব কার্যক্রম বাতিল করে তা সংরক্ষণের দাবি জানানো হয়। মাদ্রাসা ভবনের জন্য বিকল্প কোনো অকৃষি খাসজমি নির্বাচন করতেও বলা হয়েছে।
লিগ্যাল নোটিশে সাত দিনের মধ্যে গৃহীত পদক্ষেপ জানাতে বলা হয়েছে। তা না হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

কিশোরগঞ্জের ভৈরব উপজেলায় ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে সড়কে ব্যবহারের অভিযোগ উঠেছে। কৃষকেরা দাবি করেছেন, তাঁদের ফসলি জমি থেকে মাটি কেটে সড়ক নির্মাণের পর সেই জমি আবার ভরাট করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। কিন্তু আট মাস পেরিয়ে গেলেও কথা রাখেনি তারা।
৬ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ঘিরে লক্ষ্মীপুরে চারটি আসনে বইছে ভোটের আমেজ। সব কটি আসনে প্রার্থী ঘোষণা দিয়ে গণসংযোগ ও উঠান বৈঠকে ব্যস্ত সময় পার করছে বড় দুই রাজনৈতিক দল বিএনপি ও জামায়াত। বসে নেই অন্য দলের প্রার্থীরাও। সকাল-বিকেল চালাচ্ছেন প্রচারণা।
৬ ঘণ্টা আগে
রাষ্ট্রীয় শোক এবং পুলিশের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে রাজধানীতে আতশবাজি ফোটানো ও ফানুস উড়িয়ে খ্রিষ্টীয় নববর্ষ উদ্যাপন করেছে নগরবাসী। খ্রিষ্টীয় নববর্ষ ২০২৬-এর প্রথম প্রহরে নগরজুড়ে বাসাবাড়ির ছাদে ছাদে আতশবাজি ফোটানো ও ফানুস ওড়ানোর দৃশ্য দেখা যায়। এ সময় চারপাশে বিকট শব্দ শোনা যায়।
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা অনুযায়ী গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি ও ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরের মোট সম্পদের পরিমাণ ৮৯ লাখ ৮২ হাজার ৮৪১ টাকা। তাঁর স্ত্রী মারিয়া আক্তারের সম্পদের পরিমাণ ২ লাখ ৬৬ হাজার ৮১৮ টাকা। তাঁদের কোনো স্বর্ণালংকার নেই।
৯ ঘণ্টা আগে