বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামের ভেন্যু ফিরিয়ে আনতে আমরণ অনশনে যাওয়া আলোচিত সেই হুমায়ুন আহমেদ রুমেল (৪০) মারা গেছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল আটটার দিকে হিট স্ট্রোকে নিজ বাড়িতেই তিনি মারা যান। রুমেল বগুড়া শহরের নাটাইপাড়া এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ছিলেন।
শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম থেকে বিসিবির লোকবল প্রত্যাহারসহ ভেন্যু বাতিলের প্রতিবাদ এবং বগুড়া জেলার উন্নয়নের দাবিতে সাদা কাফন ও শিকল পরে গত ৫ মার্চ থেকে আমরণ অনশনে যান রুমেল। ৮ মার্চ ভেন্যু ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাসে তিনি অনশন ভাঙেন।
পরবর্তী কর্মসূচি হিসেবে ঈদের পর রুমেল বগুড়ার বিমানবন্দর চালুর দাবি নিয়ে অনশনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। দুই দিন আগে চ্যানেল বগুড়া নামে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এ ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু তার আগেই না ফেরার দেশে পাড়ি জমান রুমেল।
পারিবারিক সূত্র জানায়, প্রচণ্ড গরমে আজ সাহ্রির পর থেকে রুমেল অসুস্থ বোধ করছিলেন। সকালে শরীর বেশি খারাপ হয়। খবর পেয়ে প্রতিবেশীরা হাসপাতালে নেওয়ার জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করতে যান। সেই সময় মারা যান রুমেল। জোহরের পর তাঁর জানাজা শেষে দাফন করা হয়।
রুমেলের খালাতো বোন মোছা. রুমি বেগম বলেন, সকালে ঘর থেকে বের হয়ে রুমেল বলে যে তাঁর শরীর খুব খারাপ। তখনই বাড়ির আঙিনায় শোয়ানো হয়। তার কিছুক্ষণ পরই তিনি মারা যান। রুমেল অ্যাজমা রোগে আক্রান্ত ছিলেন। প্রচণ্ড গরম সহ্য করতে না পেরে হিট স্ট্রোকে তিনি মারা যান।
অবিবাহিত রুমেল শহরের নাটাইপাড়া এলাকায় মায়ের সঙ্গে বসবাস করতেন। তাঁর তিন ভাই চাকরির সুবাদে বগুড়ার বাইরে বসবাস করেন। রুমেল তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্টে গতকাল বুধবার রাত ১১টা ৪২ মিনিটে লেখেন, ‘জীবনের প্রথম স্মৃতি এবং জীবনের শেষ স্মৃতি প্রতিটি মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’

বগুড়ার শহীদ চান্দু স্টেডিয়ামের ভেন্যু ফিরিয়ে আনতে আমরণ অনশনে যাওয়া আলোচিত সেই হুমায়ুন আহমেদ রুমেল (৪০) মারা গেছেন। আজ বৃহস্পতিবার সকাল আটটার দিকে হিট স্ট্রোকে নিজ বাড়িতেই তিনি মারা যান। রুমেল বগুড়া শহরের নাটাইপাড়া এলাকার বীর মুক্তিযোদ্ধা মৃত জালাল উদ্দিনের ছেলে। তিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কনটেন্ট ক্রিয়েটর ছিলেন।
শহীদ চান্দু স্টেডিয়াম থেকে বিসিবির লোকবল প্রত্যাহারসহ ভেন্যু বাতিলের প্রতিবাদ এবং বগুড়া জেলার উন্নয়নের দাবিতে সাদা কাফন ও শিকল পরে গত ৫ মার্চ থেকে আমরণ অনশনে যান রুমেল। ৮ মার্চ ভেন্যু ফিরিয়ে দেওয়ার আশ্বাসে তিনি অনশন ভাঙেন।
পরবর্তী কর্মসূচি হিসেবে ঈদের পর রুমেল বগুড়ার বিমানবন্দর চালুর দাবি নিয়ে অনশনে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। দুই দিন আগে চ্যানেল বগুড়া নামে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এ ঘোষণা দিয়েছিলেন। কিন্তু তার আগেই না ফেরার দেশে পাড়ি জমান রুমেল।
পারিবারিক সূত্র জানায়, প্রচণ্ড গরমে আজ সাহ্রির পর থেকে রুমেল অসুস্থ বোধ করছিলেন। সকালে শরীর বেশি খারাপ হয়। খবর পেয়ে প্রতিবেশীরা হাসপাতালে নেওয়ার জন্য গাড়ির ব্যবস্থা করতে যান। সেই সময় মারা যান রুমেল। জোহরের পর তাঁর জানাজা শেষে দাফন করা হয়।
রুমেলের খালাতো বোন মোছা. রুমি বেগম বলেন, সকালে ঘর থেকে বের হয়ে রুমেল বলে যে তাঁর শরীর খুব খারাপ। তখনই বাড়ির আঙিনায় শোয়ানো হয়। তার কিছুক্ষণ পরই তিনি মারা যান। রুমেল অ্যাজমা রোগে আক্রান্ত ছিলেন। প্রচণ্ড গরম সহ্য করতে না পেরে হিট স্ট্রোকে তিনি মারা যান।
অবিবাহিত রুমেল শহরের নাটাইপাড়া এলাকায় মায়ের সঙ্গে বসবাস করতেন। তাঁর তিন ভাই চাকরির সুবাদে বগুড়ার বাইরে বসবাস করেন। রুমেল তাঁর ফেসবুক অ্যাকাউন্টে গতকাল বুধবার রাত ১১টা ৪২ মিনিটে লেখেন, ‘জীবনের প্রথম স্মৃতি এবং জীবনের শেষ স্মৃতি প্রতিটি মানুষের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।’

টানা ছয় দিন ধরে দেশের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। কনকনে শীত ও ঘন কুয়াশায় দিন শুরু হলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কুয়াশা কেটে গিয়ে রোদ ওঠায় কিছুটা স্বস্তি মিলছে। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে
৬ মিনিট আগে
নদের এক পারে মনিরামপুর উপজেলার ডুমুরখালি বাজার এবং অপর পারে ঝিকরগাছা উপজেলার উজ্জ্বলপুর গ্রাম। এ ছাড়া নদীর ওপারে ডুমুরখালী গ্রামের মানুষের বিস্তীর্ণ ফসলি জমি ও মাছের ঘের রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে যোগাযোগব্যবস্থার অভাবে দুই পারের মানুষকে নৌকায় পারাপারের ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করতে হতো।
৪৪ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আপিল শুনানিতে পিরোজপুর-২ (কাউখালী, ভান্ডারিয়া ও নেছারাবাদ) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. মাহমুদ হোসেনের মনোনয়ন বাতিল বহাল রাখা হয়েছে। ১ শতাংশ ভোটারের সমর্থনসূচক তালিকায় গরমিল এবং ঋণখেলাপি থাকার অভিযোগে তাঁর আপিল নামঞ্জুর করেছে নির্বাচন কমিশন। ফলে আসন্ন নির্বাচনে তাঁর
১ ঘণ্টা আগে
অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নবীন সৈনিকদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন এবং কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ করবেন।
২ ঘণ্টা আগে