
৪০-এর পরিবর্তে ৪৩ কেজিতে মণ নির্ধারণের দাবিতে রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দিতে আড়তদার ও ব্যবসায়ীদের ধর্মঘটে পেঁয়াজের বাজার অচল হয়ে পড়েছে।
এতে বিপাকে পড়েছেন পেঁয়াজচাষিরা।
আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে উপজেলার বহরপুর, সোনাপুর ও জঙ্গল বাজারে পেঁয়াজের বেচাকেনা বন্ধ রাখা হয়। ফলে দূরদূরান্ত থেকে পেঁয়াজ নিয়ে আসা কৃষকদের অনেকেই বিক্রি করতে না পেরে ফিরে যেতে বাধ্য হন।
এর আগে প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৪০ কেজিতে মণ নির্ধারণ করে অতিরিক্ত ওজন (ধলতা) নেওয়া নিষিদ্ধ করা হয়। তবে এই সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে ব্যবসায়ীদের একটি অংশ ধর্মঘটে যান বলে জানা গেছে।
কৃষকদের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরে আড়তদারেরা ৪০ কেজির বদলে ৪২-৪৩ কেজিতে এক মণ ধরে পণ্য কিনে আসছিলেন। এতে তাঁরা আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিলেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কৃষক বলেন, ‘আমরা কষ্ট করে উৎপাদন করি, কিন্তু বাজারে এসে ওজনে কম পাই। ৪০ কেজির জায়গায় বেশি কেজি ধরলে আমাদের লাভ থাকে না।’
আরেক কৃষক ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘আজ বাজার বন্ধ থাকায় আমাদের পণ্য ফেরত নিতে হচ্ছে। এতে পরিবহন খরচসহ দ্বিগুণ ক্ষতি হচ্ছে। এই সিন্ডিকেট না ভাঙলে আমরা কখনো ন্যায্য দাম পাব না।’
জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চৌধুরী মুস্তাফিজুর রহমান বলেন, নির্ধারিত ৪০ কেজিতেই মণ ধরে কৃষিপণ্য ক্রয়ের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কেউ তা অমান্য করলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে আলোচনা চলছে।

আমন মৌসুম শুরু হয়েছে। কৃষকেরা জমি প্রস্তুত করছেন। বীজতলা থেকে চারা তোলা হচ্ছে। কোথাও কোথাও চারা রোপণও শুরু হয়েছে। তবে কৃষকেরা সারের দোকানে গিয়ে সার পাচ্ছেন না। ডিলাররা বলছেন, চাহিদার তুলনায় বিসিআইসি ও বিএডিসি তাঁদেরকে সার সরবরাহ করছে না।
২২ মিনিট আগে
রাজশাহীতে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। নগরীর পাঁচটি এলাকায় এডিস মশার প্রজনন নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরিপে ব্রেটো সূচক ৬১ দশমিক ৩৩ পাওয়া গেছে, যেখানে ২০-এর বেশি সূচককে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
৩৭ মিনিট আগে
নান্দাইল-হোসেনপুর-পাকুন্দিয়া পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার সড়কটি খানাখন্দে ভরে গেছে। ভাঙাচোরা আর অপ্রশস্ত সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীরা। আধা ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে দেড়-দুই ঘণ্টা লেগে যাচ্ছে তাঁদের।
১ ঘণ্টা আগে
সাহিত্য-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড এগিয়ে নিতে বরগুনা পৌরসভার উদ্যোগে নির্মাণ করা হয় অডিটরিয়াম মিলনায়তন (টাউন হল)। ভবন নির্মাণ হলেও ভেতরের আনুষঙ্গিক কাজ বাকি। সে কারণে ছয় বছর ধরে পড়ে আছে ভবনটি। ব্যবহার না হওয়ায় চুরি হয়ে গেছে দরজা-জানালা। পরিণত হয়েছে গোয়ালঘর ও মাদকসেবীদের আড্ডাস্থলে।
১ ঘণ্টা আগে