নওগাঁ প্রতিনিধি

নওগাঁ শহরের আনন্দনগর এলাকায় মাদকাসক্ত অবস্থায় স্ত্রীকে হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছেন এক ব্যক্তি। এ ঘটনার জেরে স্থানীয়দের গণপিটুনিতে গুরুতর আহত হন ওই ব্যক্তি। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মৃত্যু হয়। বুধবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম সুমন (৩২)। তিনি নওগাঁ সদর উপজেলার দুবলহাটি গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় ছিলেন নির্মাণশ্রমিক।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ জানায়, কয়েক বছর আগে শহরের আনন্দনগরের আব্দুস সামাদের মেয়ে মৌয়ূরীর (২৪) সঙ্গে সুমনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাঁরা শ্বশুরবাড়িতেই বসবাস করছিলেন। তবে সুমনের মাদকাসক্ত আচরণ এবং সংসারে অনিয়মিত খরচ নিয়ে স্ত্রী মৌয়ূরীর সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া হতো।
বুধবার রাতে তাঁদের মধ্যে আবারও ঝগড়া শুরু হয়। একপর্যায়ে সুমন ঘরের ভেতর থেকে হাঁসুয়া এনে স্ত্রীকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। তার একটি কোপে মৌয়ূরীর বাঁ হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে যায়।
চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে সুমনকে ধরে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকেই উদ্ধার করে নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে মৌয়ূরীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্যদিকে সুমন চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে হাসপাতালে মারা যান।
নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মো. আবু জার গাফফার বলেন, ‘নারীর বাঁ হাত বিচ্ছিন্ন ছিল, অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে রাজশাহী মেডিকেলে পাঠানো হয়। সুমনকে গুরুতর অবস্থায় আনা হলে কিছুক্ষণ পরই তিনি মারা যান।’
নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে উদ্ধার করে। সুমনের মাথায় মারাত্মক আঘাতের চিহ্ন ছিল। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে হস্তান্তর করা হবে।’

নওগাঁ শহরের আনন্দনগর এলাকায় মাদকাসক্ত অবস্থায় স্ত্রীকে হাঁসুয়া দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেছেন এক ব্যক্তি। এ ঘটনার জেরে স্থানীয়দের গণপিটুনিতে গুরুতর আহত হন ওই ব্যক্তি। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে তাঁর মৃত্যু হয়। বুধবার দিবাগত রাতে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের নাম সুমন (৩২)। তিনি নওগাঁ সদর উপজেলার দুবলহাটি গ্রামের বাসিন্দা। পেশায় ছিলেন নির্মাণশ্রমিক।
স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ জানায়, কয়েক বছর আগে শহরের আনন্দনগরের আব্দুস সামাদের মেয়ে মৌয়ূরীর (২৪) সঙ্গে সুমনের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে তাঁরা শ্বশুরবাড়িতেই বসবাস করছিলেন। তবে সুমনের মাদকাসক্ত আচরণ এবং সংসারে অনিয়মিত খরচ নিয়ে স্ত্রী মৌয়ূরীর সঙ্গে প্রায়ই ঝগড়া হতো।
বুধবার রাতে তাঁদের মধ্যে আবারও ঝগড়া শুরু হয়। একপর্যায়ে সুমন ঘরের ভেতর থেকে হাঁসুয়া এনে স্ত্রীকে এলোপাতাড়ি কোপাতে থাকেন। তার একটি কোপে মৌয়ূরীর বাঁ হাত বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে যায়।
চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে সুমনকে ধরে গণপিটুনি দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকেই উদ্ধার করে নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে মৌয়ূরীর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অন্যদিকে সুমন চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাতে হাসপাতালে মারা যান।
নওগাঁ ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মো. আবু জার গাফফার বলেন, ‘নারীর বাঁ হাত বিচ্ছিন্ন ছিল, অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে রাজশাহী মেডিকেলে পাঠানো হয়। সুমনকে গুরুতর অবস্থায় আনা হলে কিছুক্ষণ পরই তিনি মারা যান।’
নওগাঁ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আলম সিদ্দিকী বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দুজনকে উদ্ধার করে। সুমনের মাথায় মারাত্মক আঘাতের চিহ্ন ছিল। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। আইনানুগ প্রক্রিয়া শেষে হস্তান্তর করা হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে