উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বর্ষায় নদী, বিলসহ জলাশয়ে বাড়তে শুরু করেছে পানি। নতুন পানিতে কেউ মাছ ধরছে, আবার শিশু-কিশোরেরা মেতেছে জলকেলিতে। এদিকে বর্ষা মৌসুম ঘিরে ব্যস্ততা বেড়েছে জেলেপল্লিতে। কেউ কেউ জাল বুনছেন, কেউ তৈরি করছেন নৌকা।
বর্ষায় পানি বাড়লে এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে যাতায়াতের একমাত্র বাহন এই নৌকা। মাছও ধরা হয় নৌকায় করে। ফলে এই সময়ে বেড়ে যায় নৌকার কদর। তাই বিভিন্ন এলাকায় নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মাঝি ও কারিগরেরা। নৌকা তৈরির এমন দৃশ্য চোখে পড়ে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও হাট-বাজারে। উপজেলার বড়পাঙ্গাসী ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি নৌকা তৈরি হয়ে থাকে। এ ছাড়া বিভিন্ন হাটেও নৌকা বিক্রি হয়।
বড়পাঙ্গাসী গ্রামের নৌকা তৈরির কারিগর শহিদ মিয়া বলেন, এক মাস আগে থেকে আমাদের এলাকার নৌকা তৈরি শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রত্যন্ত এলাকা পানিতে প্লাবিত হওয়ায় সেখানকার লোকজন আগে নৌকা কিনতে শুরু করেছেন।
শহিদ মিয়া আরও বলেন, ‘এবার এখন পর্যন্ত ১৫টি নৌকা তৈরি করেছি। নৌকা তৈরির সামগ্রীর দাম বাড়ায় খরচ বেশি হচ্ছে। এতে গতবার যে নৌকা বিক্রি হয়েছে ৪ হাজার টাকা, এবার সেই নৌকার দাম ৮ হাজার টাকা। ফলে ক্রেতাশূন্য।’
উপজেলার দুর্গানগর ইউনিয়ন থেকে নৌকা কিনতে আশা আলমগীর হোসেন বলেন, ‘বন্যার পানি বাড়ায় প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের চলাফেরার একমাত্র মাধ্যম হলো নৌকা। তাই আগেভাগেই নৌকা কিনতে এসেছি। তবে গতবারের তুলনায় এবার দাম অনেক বেশি।’
উপজেলার বাঙ্গালা ইউনিয়নের হলদার পাড়ার জেলে ওমর ফারুক আজকের পত্রিকা বলেন, বর্তমানে নদী-নালা, খাল-বিলে পানি প্রবেশ করেছে। তাই মাছ ধরার নৌকা মেরামত করা, জাল বোনাসহ যেসব কাজ রয়েছে সেগুলো করা হচ্ছে। আর এসব কাজ করায় জেলেপরিবারে উৎসব বিরাজ করছে। তবে এবার কাঙ্ক্ষিত মাছ পাওয়া যাবে বলে আশায় বুক বেঁধে আছেন জেলেরা।

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় বর্ষায় নদী, বিলসহ জলাশয়ে বাড়তে শুরু করেছে পানি। নতুন পানিতে কেউ মাছ ধরছে, আবার শিশু-কিশোরেরা মেতেছে জলকেলিতে। এদিকে বর্ষা মৌসুম ঘিরে ব্যস্ততা বেড়েছে জেলেপল্লিতে। কেউ কেউ জাল বুনছেন, কেউ তৈরি করছেন নৌকা।
বর্ষায় পানি বাড়লে এক গ্রাম থেকে আরেক গ্রামে যাতায়াতের একমাত্র বাহন এই নৌকা। মাছও ধরা হয় নৌকায় করে। ফলে এই সময়ে বেড়ে যায় নৌকার কদর। তাই বিভিন্ন এলাকায় নৌকা তৈরিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন মাঝি ও কারিগরেরা। নৌকা তৈরির এমন দৃশ্য চোখে পড়ে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম ও হাট-বাজারে। উপজেলার বড়পাঙ্গাসী ইউনিয়নে সবচেয়ে বেশি নৌকা তৈরি হয়ে থাকে। এ ছাড়া বিভিন্ন হাটেও নৌকা বিক্রি হয়।
বড়পাঙ্গাসী গ্রামের নৌকা তৈরির কারিগর শহিদ মিয়া বলেন, এক মাস আগে থেকে আমাদের এলাকার নৌকা তৈরি শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে প্রত্যন্ত এলাকা পানিতে প্লাবিত হওয়ায় সেখানকার লোকজন আগে নৌকা কিনতে শুরু করেছেন।
শহিদ মিয়া আরও বলেন, ‘এবার এখন পর্যন্ত ১৫টি নৌকা তৈরি করেছি। নৌকা তৈরির সামগ্রীর দাম বাড়ায় খরচ বেশি হচ্ছে। এতে গতবার যে নৌকা বিক্রি হয়েছে ৪ হাজার টাকা, এবার সেই নৌকার দাম ৮ হাজার টাকা। ফলে ক্রেতাশূন্য।’
উপজেলার দুর্গানগর ইউনিয়ন থেকে নৌকা কিনতে আশা আলমগীর হোসেন বলেন, ‘বন্যার পানি বাড়ায় প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের চলাফেরার একমাত্র মাধ্যম হলো নৌকা। তাই আগেভাগেই নৌকা কিনতে এসেছি। তবে গতবারের তুলনায় এবার দাম অনেক বেশি।’
উপজেলার বাঙ্গালা ইউনিয়নের হলদার পাড়ার জেলে ওমর ফারুক আজকের পত্রিকা বলেন, বর্তমানে নদী-নালা, খাল-বিলে পানি প্রবেশ করেছে। তাই মাছ ধরার নৌকা মেরামত করা, জাল বোনাসহ যেসব কাজ রয়েছে সেগুলো করা হচ্ছে। আর এসব কাজ করায় জেলেপরিবারে উৎসব বিরাজ করছে। তবে এবার কাঙ্ক্ষিত মাছ পাওয়া যাবে বলে আশায় বুক বেঁধে আছেন জেলেরা।

রাজধানীর ভাটারা থানার ভেতর থেকে চুরি হওয়া সেই মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। একই সঙ্গে চোর চক্রের চার সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ভাটারা থানা-পুলিশ। আজ মঙ্গলবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা থেকে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তার দুজনের নাম ইব্রাহিম (২৮) ও রহমতুল্লাহ (২২)।
৪ ঘণ্টা আগে
সীতাকুণ্ডের জঙ্গল সলিমপুর, আলীনগর ও ছিন্নমূল; এসব এলাকার হাজারো পাহাড় মাটির সঙ্গে মিশিয়ে দেওয়ার সঙ্গে সন্ত্রাসী আলী আক্কাস, কাজী মশিউর রহমান, ইয়াসিন মিয়া, গোলাম গফুর, রোকন উদ্দিন ওরফে রোকন মেম্বার, রিদোয়ান ও গাজী সাদেকের নাম ঘুরেফিরে আসে। চার দশক ধরে ওই সব এলাকার সরকারি পাহাড় কেটে আবাসন...
৪ ঘণ্টা আগে
সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যায়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে আগামীকাল বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুপুর ১২টায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। একই সঙ্গে বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন তাঁরা।
৪ ঘণ্টা আগে
মিয়ানমার সীমান্তের ওপারে পাচারের অপেক্ষায় জড়ো করে রাখা হয়েছে অন্তত ৭ হাজার বার্মিজ গরু। এর মধ্যে গত কয়েক দিনে বাংলাদেশে অন্তত ৫০০ গরু ঢুকিয়েছে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি সীমান্ত ঘিরে সক্রিয় চোরাকারবারি চক্র। আর গত পাঁচ দিনে অভিযান চালিয়ে ৫৫টি জব্দ করেছে বিজিবি সদস্যরা।
৪ ঘণ্টা আগে