শরীফুল ইসলাম ইন্না, সিরাজগঞ্জ

২৪ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও আয়া পদে নিয়োগ দেওয়ার পাঁয়তারা অভিযোগ উঠেছে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ধাপ ওয়াশীন উচ্চবিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নুর মোহাম্মদ ও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হাবিলুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে আজ সোমবার তাড়াশ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও আয়া পদে আবেদনকারী পাঁচ প্রার্থী।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, তাড়াশ উপজেলার ধাপ ওয়াশীন উচ্চবিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও আয়া পদে নিয়োগ দেওয়ার জন্য ২০২৩ সালের ১২ জুলাই (প্রথম দফা), একই বছরের ৩০ অক্টোবর (২য় দফা) ও চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি (৩য় দফা) নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে স্কুল কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর পরিচ্ছন্নতাকর্মী পদে তাড়াশ উপজেলার উত্তর মথুরাপুর গ্রামের লিখন আহমেদ, আবু হাসেম, ফিরোজ আহমেদ, নাঈম হোসেন ও মো. সুমন আহমেদ আবেদন করেন।
আর আয়া পদে উত্তর মথুরাপুর গ্রামের রোজিনা খাতুন এবং ওয়াশীন গ্রামের মৌসুমী খাতুন আবেদন করেন। আবেদন করার সময়সীমা গত ২০ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়েছে এবং আগামী ৪ মে লিখিত পরীক্ষার জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।
কিন্তু বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও মাধাইনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাবিলুর রহমান হাবিব ও প্রধান শিক্ষক নূর মোহাম্মদ তাঁদের পছন্দের প্রার্থী সুমন আহমেদ (পরিচ্ছন্নতাকর্মী) ও মৌসুমী খাতুনকে (আয়া পদে) ২৪ লাখ টাকা উৎকোচের বিনিময়ে তড়িঘড়ি করে নিয়োগ দেওয়ার পাঁয়তারা করছেন। বিষয়টি এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে জানাজানি হয়। এ অবস্থায় সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক ঘুষের মাধ্যমে যে নিয়োগ দেওয়ার পাঁয়তারা করছেন তা বাতিলের দাবি করা হয়।
অভিযোগকারী লিখন আহমেদ বলেন, ‘স্কুলের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক তাঁদের পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য ২৪ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন। বিষয়টি আমরা জানার পর লিখিত অভিযোগ দাখিল করি। টাকা নেওয়ার বিষয়টি আমরা অন্যের মাধ্যমে জেনেছি। তবে টাকা লেনদেনের সময় আমরা ছিলাম না। গোপনে অন্যের মাধ্যমে জেনেছি। দুবার তাঁরা নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করেছেন।’
ঘুষ দেওয়ার বিষয়ে জানতে প্রার্থী সুমনের মোবাইলে কল করে বন্ধ পাওয়া যায়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর মোহাম্মদ আজকের পত্রিকা বলেন, ‘পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জনকারী ব্যক্তিকেই নিয়োগ দেওয়া হবে। টাকা লেনদেনের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। এটি অপপ্রচার। মিথ্যা অভিযোগ।’
বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান হাবিলুর রহমান হাবিব ঘুষের মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘বিধি মোতাবেক নিয়োগ হবে। যে পরীক্ষায় ভালো করবে তাকেই নিয়োগ দেওয়া হবে।’
অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘নিয়োগ দেওয়ার পরিবেশ তৈরি হলে নিয়োগ হবে। সমস্য থাকলে নিয়োগ দেব না।’
নিয়োগ কমিটির জেলা প্রশাসকের (ডিসি) প্রতিনিধি ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. খালিদ হাসান বলেন, ‘অভিযোগ এখনো পাইনি। অভিযোগ পেলে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

২৪ লাখ টাকা ঘুষ নিয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও আয়া পদে নিয়োগ দেওয়ার পাঁয়তারা অভিযোগ উঠেছে সিরাজগঞ্জের তাড়াশে ধাপ ওয়াশীন উচ্চবিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নুর মোহাম্মদ ও বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হাবিলুর রহমান হাবিবের বিরুদ্ধে।
এ বিষয়ে আজ সোমবার তাড়াশ উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও আয়া পদে আবেদনকারী পাঁচ প্রার্থী।
লিখিত অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, তাড়াশ উপজেলার ধাপ ওয়াশীন উচ্চবিদ্যালয়ে পরিচ্ছন্নতাকর্মী ও আয়া পদে নিয়োগ দেওয়ার জন্য ২০২৩ সালের ১২ জুলাই (প্রথম দফা), একই বছরের ৩০ অক্টোবর (২য় দফা) ও চলতি বছরের ৫ ফেব্রুয়ারি (৩য় দফা) নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে স্কুল কর্তৃপক্ষ।
বিজ্ঞপ্তি প্রকাশের পর পরিচ্ছন্নতাকর্মী পদে তাড়াশ উপজেলার উত্তর মথুরাপুর গ্রামের লিখন আহমেদ, আবু হাসেম, ফিরোজ আহমেদ, নাঈম হোসেন ও মো. সুমন আহমেদ আবেদন করেন।
আর আয়া পদে উত্তর মথুরাপুর গ্রামের রোজিনা খাতুন এবং ওয়াশীন গ্রামের মৌসুমী খাতুন আবেদন করেন। আবেদন করার সময়সীমা গত ২০ ফেব্রুয়ারি শেষ হয়েছে এবং আগামী ৪ মে লিখিত পরীক্ষার জন্য দিন ধার্য করা হয়েছে।
কিন্তু বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও মাধাইনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হাবিলুর রহমান হাবিব ও প্রধান শিক্ষক নূর মোহাম্মদ তাঁদের পছন্দের প্রার্থী সুমন আহমেদ (পরিচ্ছন্নতাকর্মী) ও মৌসুমী খাতুনকে (আয়া পদে) ২৪ লাখ টাকা উৎকোচের বিনিময়ে তড়িঘড়ি করে নিয়োগ দেওয়ার পাঁয়তারা করছেন। বিষয়টি এলাকার সাধারণ মানুষের মধ্যে জানাজানি হয়। এ অবস্থায় সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক ঘুষের মাধ্যমে যে নিয়োগ দেওয়ার পাঁয়তারা করছেন তা বাতিলের দাবি করা হয়।
অভিযোগকারী লিখন আহমেদ বলেন, ‘স্কুলের সভাপতি ও প্রধান শিক্ষক তাঁদের পছন্দের প্রার্থীকে নিয়োগ দেওয়ার জন্য ২৪ লাখ টাকা ঘুষ নিয়েছেন। বিষয়টি আমরা জানার পর লিখিত অভিযোগ দাখিল করি। টাকা নেওয়ার বিষয়টি আমরা অন্যের মাধ্যমে জেনেছি। তবে টাকা লেনদেনের সময় আমরা ছিলাম না। গোপনে অন্যের মাধ্যমে জেনেছি। দুবার তাঁরা নিয়োগ পরীক্ষা স্থগিত করেছেন।’
ঘুষ দেওয়ার বিষয়ে জানতে প্রার্থী সুমনের মোবাইলে কল করে বন্ধ পাওয়া যায়।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক নূর মোহাম্মদ আজকের পত্রিকা বলেন, ‘পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জনকারী ব্যক্তিকেই নিয়োগ দেওয়া হবে। টাকা লেনদেনের কোনো প্রশ্নই ওঠে না। এটি অপপ্রচার। মিথ্যা অভিযোগ।’
বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও ইউপি চেয়ারম্যান হাবিলুর রহমান হাবিব ঘুষের মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন, ‘বিধি মোতাবেক নিয়োগ হবে। যে পরীক্ষায় ভালো করবে তাকেই নিয়োগ দেওয়া হবে।’
অভিযোগ পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আব্দুস সালাম বলেন, ‘নিয়োগ দেওয়ার পরিবেশ তৈরি হলে নিয়োগ হবে। সমস্য থাকলে নিয়োগ দেব না।’
নিয়োগ কমিটির জেলা প্রশাসকের (ডিসি) প্রতিনিধি ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. খালিদ হাসান বলেন, ‘অভিযোগ এখনো পাইনি। অভিযোগ পেলে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সুনামগঞ্জের প্রবাসী অধ্যুষিত জগন্নাথপুর ও শান্তিগঞ্জ উপজেলা নিয়ে গঠিত সুনামগঞ্জ-৩ আসন। এই আসনে এয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৯ জন প্রার্থী মনোনয়ন দাখিল করেন। এর মধ্যে যাচাই-বাছাইকালে ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়। আর প্রার্থীরা প্রবাসী স্ত্রী, ভাই, বোন ও ছেলের টাকায় নির্বাচনী ব্যয় মেটাবেন বলে
৫ ঘণ্টা আগে
সদর, আমতলী ও তালতলী উপজেলা নিয়ে বরগুনা-১ আসন এবং বামনা, পাথরঘাটা ও বেতাগী নিয়ে গঠিত বরগুনা-২ আসন। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আসন দুটিতে মোট বৈধ প্রার্থী ১৮ জন। রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে প্রার্থীদের দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে দেখা গেছে, কোনো প্রার্থীরই বার্ষিক আয় ১ কোটি টাকা নেই।
৫ ঘণ্টা আগে
পাবনা-৩ (চাটমোহর-ভাঙ্গুড়া-ফরিদপুর) আসনে বিএনপির প্রার্থী কৃষিবিদ হাসান জাফির তুহিন। তিনি জাতীয়তাবাদী কৃষক দলের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি। এবারই প্রথম তিনি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সম্প্রতি তিনি আজকের পত্রিকার পাবনা প্রতিনিধি শাহীন রহমানের মুখোমুখি হয়েছিলেন।
৫ ঘণ্টা আগে
দেশে এলপি গ্যাসের তীব্র সংকট শিগগির অবসানের কোনো আভাস নেই। জ্বালানি মন্ত্রণালয় পর্যাপ্ত মজুতের কথা বললেও এলপি গ্যাস আমদানিকারকেরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাঁরা বলছেন, সরবরাহ সংকটই এই অবস্থার কারণ।
৫ ঘণ্টা আগে