বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই সিরাজগঞ্জের বেলকুচির হুড়াসাগর নদীর ওপর নির্মিত সেতুর পিলারে ফাটল দেখা দিয়েছে। গতকাল রোববার রাত ১টার দিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাতের আঁধারে ওই ফাটল মেরামত করতে গেলে গ্রামবাসী তাতে বাধা দেয়। পরে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয় ঠিকাদারের লোকজন।
বেলকুচি উপজেলার চর জোকনালা গ্রামের আব্দুর রহমান বলেন, ‘ব্রিজের নিচে মোবাইলের আলো দেখে আমরা চোর মনে কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে যাই। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা লোকজন পালানোর চেষ্টা করলে তাদের ধরে ফেলি। তখন তারা জানায় যে, পিলারের ফাটল মেরামত করতে এসেছেন।’
পিলার মেরামতের কাজ করছিলেন রাজমিস্ত্রি শফিকুল ও স্বাধীন। তাঁরা বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ২০ হাজার টাকা চুক্তিতে রাতের বেলায় বালু ও সিমেন্ট দিয়ে পিলারের ফাটলের স্থান মেরামত করতে গিয়েছিলেন তাঁরা।
স্থানীয় ভাঙ্গাবাড়ী ইউপির ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নুরুল ইসলাম তুহিন জানান, ব্রিজটি নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। যে কারণে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই ব্রিজের চারটি পিলারের মধ্যে একটির নিচের অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঠিকাদার ও দায়িত্বরত ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে বেলকুচি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) অফিসের সার্ভেয়ার রোকনুজ্জামান বলেন, ‘৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০২১ সালে ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। দায়িত্বরত উপ-সহকারী প্রকৌশলী অন্যত্র বদলি হয়ে যাওয়ায় ২০২৩ সাল থেকে আমি ব্রিজের নির্মাণকাজ দেখভাল করছি। ব্রিজের ওই পিলার আমি দায়িত্ব পাওয়ার অনেক আগেই নির্মাণ হয়েছে। যখন পিলার নির্মাণ হয়েছে, তখন সেখানে অনেক পানি ছিল। বর্তমানে কাজের সুবিধার্থে সেচ দেওয়ার পর ফাটলের স্থানটি নজরে আসে।’
রোকনুজ্জামান আরও বলেন, ‘গ্রামবাসীর বাধার কারণে রোববার থেকে নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। বেলকুচি উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার ছুটিতে ঢাকায় রয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবগত করা হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা ও সাগর কনস্ট্রাকশন জেবি ব্রিজের নির্মাণকাজ করছে।’
সাগর কনস্ট্রাকশনের প্রোপ্রাইটর নুরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে ঠিকাদার জহরুল ইসলাম ব্রিজের কাজটি করছেন। বর্ষা মৌসুমে স্টিলের ফর্মা দিয়ে পিলার ঢালাই করার সময় হানিকম্ব হওয়ায় সমস্যাটি দেখা দিয়েছিল। পরবর্তীতে প্রকৌশলীদের পরামর্শে পানি সেচে পিলারটি মেরামত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। গ্রামবাসী এ কাজে বাধা দিতে পারেন এ জন্য পিলারটি মেরামতের জন্য রাতে মিস্ত্রিদের পাঠানো হয়েছিল।’
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘হুড়াসাগর নদীর ওপর নির্মাণাধীন ব্রিজের পিলারের সমস্যার কথা শুনেছি। সরেজমিন গিয়ে বিষয়টি দেখব। তারপর প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই সিরাজগঞ্জের বেলকুচির হুড়াসাগর নদীর ওপর নির্মিত সেতুর পিলারে ফাটল দেখা দিয়েছে। গতকাল রোববার রাত ১টার দিকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাতের আঁধারে ওই ফাটল মেরামত করতে গেলে গ্রামবাসী তাতে বাধা দেয়। পরে নির্মাণকাজ বন্ধ করে দেয় ঠিকাদারের লোকজন।
বেলকুচি উপজেলার চর জোকনালা গ্রামের আব্দুর রহমান বলেন, ‘ব্রিজের নিচে মোবাইলের আলো দেখে আমরা চোর মনে কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে যাই। এ সময় ঘটনাস্থলে থাকা লোকজন পালানোর চেষ্টা করলে তাদের ধরে ফেলি। তখন তারা জানায় যে, পিলারের ফাটল মেরামত করতে এসেছেন।’
পিলার মেরামতের কাজ করছিলেন রাজমিস্ত্রি শফিকুল ও স্বাধীন। তাঁরা বলেন, ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ২০ হাজার টাকা চুক্তিতে রাতের বেলায় বালু ও সিমেন্ট দিয়ে পিলারের ফাটলের স্থান মেরামত করতে গিয়েছিলেন তাঁরা।
স্থানীয় ভাঙ্গাবাড়ী ইউপির ৮ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য নুরুল ইসলাম তুহিন জানান, ব্রিজটি নির্মাণে নিম্নমানের সামগ্রী ব্যবহার করা হয়েছে। যে কারণে নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার আগেই ব্রিজের চারটি পিলারের মধ্যে একটির নিচের অংশে ফাটল দেখা দিয়েছে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে ঠিকাদার ও দায়িত্বরত ইঞ্জিনিয়ারের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান তিনি।
এ বিষয়ে বেলকুচি স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) অফিসের সার্ভেয়ার রোকনুজ্জামান বলেন, ‘৯ কোটি ২৮ লাখ টাকা ব্যয়ে ২০২১ সালে ব্রিজটির নির্মাণ কাজ শুরু হয়। দায়িত্বরত উপ-সহকারী প্রকৌশলী অন্যত্র বদলি হয়ে যাওয়ায় ২০২৩ সাল থেকে আমি ব্রিজের নির্মাণকাজ দেখভাল করছি। ব্রিজের ওই পিলার আমি দায়িত্ব পাওয়ার অনেক আগেই নির্মাণ হয়েছে। যখন পিলার নির্মাণ হয়েছে, তখন সেখানে অনেক পানি ছিল। বর্তমানে কাজের সুবিধার্থে সেচ দেওয়ার পর ফাটলের স্থানটি নজরে আসে।’
রোকনুজ্জামান আরও বলেন, ‘গ্রামবাসীর বাধার কারণে রোববার থেকে নির্মাণ কাজ বন্ধ রয়েছে। বেলকুচি উপজেলা ইঞ্জিনিয়ার ছুটিতে ঢাকায় রয়েছেন। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের অবগত করা হয়েছে। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা ও সাগর কনস্ট্রাকশন জেবি ব্রিজের নির্মাণকাজ করছে।’
সাগর কনস্ট্রাকশনের প্রোপ্রাইটর নুরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের লাইসেন্স ব্যবহার করে ঠিকাদার জহরুল ইসলাম ব্রিজের কাজটি করছেন। বর্ষা মৌসুমে স্টিলের ফর্মা দিয়ে পিলার ঢালাই করার সময় হানিকম্ব হওয়ায় সমস্যাটি দেখা দিয়েছিল। পরবর্তীতে প্রকৌশলীদের পরামর্শে পানি সেচে পিলারটি মেরামত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। গ্রামবাসী এ কাজে বাধা দিতে পারেন এ জন্য পিলারটি মেরামতের জন্য রাতে মিস্ত্রিদের পাঠানো হয়েছিল।’
এ বিষয়ে সিরাজগঞ্জ এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘হুড়াসাগর নদীর ওপর নির্মাণাধীন ব্রিজের পিলারের সমস্যার কথা শুনেছি। সরেজমিন গিয়ে বিষয়টি দেখব। তারপর প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নেওয়া হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে