বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে অবৈধ বেশ কিছু প্রসেস মিলের দূষিত কেমিক্যাল বর্জ্য পানিতে মিশে মারা যাচ্ছে বিলের মাছ। গত কয়েক দিন ধরে উপজেলার সেন ভাঙ্গাবাড়ী গ্রামে বিলের পানিতে মাছগুলো মরে ভেসে উঠতে থাকে। এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে উপজেলার সেন ভাঙ্গাবাড়ী গ্রামের মৎস্যচাষি আব্দুল আলীম সিরাজগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে মৎস্যচাষি আব্দুল আলীম বলেন, উপজেলার তামাই গ্রামে হাজি সিরাজুল রিঅ্যাকটিভ ডাইং মিল, বাশার আলী রিঅ্যাকটিভ ডাইং মিল, হাবিবুল্লা রিঅ্যাকটিভ ডাইং মিল, হিরণ মুন্সি প্রসেস মিল, হাফেজ মুন্সি ডাইং মিল, শওকত ফিরোজা ডাইং মিলসহ বেশ কয়েকটি অবৈধ কারখানার কেমিক্যালের বর্জ্য বিলের পানিতে মিশছে। মিলের দূষিত কেমিক্যাল বর্জ্যের কারণে বিলের মাছ মরে যাচ্ছে। সরকারি ও পরিবেশ অধিদপ্তরের নিয়ম রয়েছে প্রতিটি কারখানায় বর্জ্য শোধনাগারের জন্য ইটিপি প্ল্যান্ট বাধ্যতামূলক। কিন্তু এসব অবৈধভাবে গড়ে ওঠা কলকারখানায় ইটিপি প্ল্যান্ট চালু না করেই দূষিত বর্জ্য রাতের আঁধারে মোটরচালিত পাম্প সেট করে বিলের মধ্যে ফেলছে। কারখানার দূষিত বর্জ্য বিলের পানিতে মিশে মাছ মরে যাচ্ছে। কয়েক দিন ধরে ব্যাপক হারে মাছ মারা যাচ্ছে। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আল মাসুদ বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। সরেজমিন গিয়ে পরিদর্শন করে বিলের দূষণ বন্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব।’
সিরাজগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক তুহিন আলম বলেন, ‘অবৈধ প্রসেস মিলের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে। বেলকুচিতে বিলে কেমিক্যালের বর্জ্যে মাছ মরে যাচ্ছে, এমন অভিযোগ পেয়েছি। সেখানে গিয়ে অবৈধ প্রসেস মিলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেব।’

সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে অবৈধ বেশ কিছু প্রসেস মিলের দূষিত কেমিক্যাল বর্জ্য পানিতে মিশে মারা যাচ্ছে বিলের মাছ। গত কয়েক দিন ধরে উপজেলার সেন ভাঙ্গাবাড়ী গ্রামে বিলের পানিতে মাছগুলো মরে ভেসে উঠতে থাকে। এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে উপজেলার সেন ভাঙ্গাবাড়ী গ্রামের মৎস্যচাষি আব্দুল আলীম সিরাজগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তর ও উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তাকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে মৎস্যচাষি আব্দুল আলীম বলেন, উপজেলার তামাই গ্রামে হাজি সিরাজুল রিঅ্যাকটিভ ডাইং মিল, বাশার আলী রিঅ্যাকটিভ ডাইং মিল, হাবিবুল্লা রিঅ্যাকটিভ ডাইং মিল, হিরণ মুন্সি প্রসেস মিল, হাফেজ মুন্সি ডাইং মিল, শওকত ফিরোজা ডাইং মিলসহ বেশ কয়েকটি অবৈধ কারখানার কেমিক্যালের বর্জ্য বিলের পানিতে মিশছে। মিলের দূষিত কেমিক্যাল বর্জ্যের কারণে বিলের মাছ মরে যাচ্ছে। সরকারি ও পরিবেশ অধিদপ্তরের নিয়ম রয়েছে প্রতিটি কারখানায় বর্জ্য শোধনাগারের জন্য ইটিপি প্ল্যান্ট বাধ্যতামূলক। কিন্তু এসব অবৈধভাবে গড়ে ওঠা কলকারখানায় ইটিপি প্ল্যান্ট চালু না করেই দূষিত বর্জ্য রাতের আঁধারে মোটরচালিত পাম্প সেট করে বিলের মধ্যে ফেলছে। কারখানার দূষিত বর্জ্য বিলের পানিতে মিশে মাছ মরে যাচ্ছে। কয়েক দিন ধরে ব্যাপক হারে মাছ মারা যাচ্ছে। এতে প্রায় ১০ লাখ টাকার আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। বিষয়টি দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের প্রতি জোর দাবি জানাচ্ছি।
এ বিষয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আল মাসুদ বলেন, ‘লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। সরেজমিন গিয়ে পরিদর্শন করে বিলের দূষণ বন্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব।’
সিরাজগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক তুহিন আলম বলেন, ‘অবৈধ প্রসেস মিলের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত আছে। বেলকুচিতে বিলে কেমিক্যালের বর্জ্যে মাছ মরে যাচ্ছে, এমন অভিযোগ পেয়েছি। সেখানে গিয়ে অবৈধ প্রসেস মিলের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেব।’

সোমবার বিকেলে র্যাব-৭-এর একটি আভিযানিক দল মেজর জালিস মাহমুদ খানের নেতৃত্বে সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় অস্ত্রধারী সন্ত্রাসীকে গ্রেপ্তারের উদ্দেশ্যে অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় র্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাইকে ঘোষণা দিয়ে ৪০০ থেকে ৫০০ দুষ্কৃতকারী র্যাব সদস্যদের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।
১২ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধি লঙ্ঘন করায় শেরপুর-১ (সদর) আসনে বিএনপি, জামায়াত, স্বতন্ত্রসহ তিন প্রার্থীকে শোকজ (কারণ দর্শানোর নোটিশ) করেছে নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক কমিটি। গতকাল সোমবার (১৯ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় শোকজের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেরপুর-১ আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান ও বিচারিক...
২৭ মিনিট আগে
১৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পরে অবশেষে মুক্ত হলেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য (ভিসি) ও উপ-উপাচার্য (প্রোভিসি)। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ১টায় শাকসুর দাবিতে আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি সাময়িক স্থগিত করে আন্দোলনস্থল ত্যাগ করলে তাঁরা মুক্ত হন।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৮ ঘণ্টা আগে