রাবি প্রতিনিধি

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাফেটেরিয়ায় খাবারের দাম কমানো, গুণগত মান বাড়ানোসহ কয়েক দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রী ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট। আজ রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
এ সময় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার খাবারের মান বৃদ্ধি, দাম কমানো ও হলের ডাইনিংয়ের খাবারের মান বৃদ্ধি, রিডিং রুম সংস্কারসহ কয়েক দফা দাবি জানায়। কর্মসূচিতে তাঁরা চিরকুটে বিভিন্ন হলের নাম লিখে এবং প্যাকেটে হলের খাবার ঝুলিয়ে প্রতিবাদ জানায়।
একই সঙ্গে তাদের হাতে ‘ডাইনিংয় ও ক্যাফেটেরিয়ায় খাবারের মান বৃদ্ধি করে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি চাহিদা নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড লক্ষ করা যায়।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিভিন্ন সংস্কার কাজে বাজেট বৃদ্ধি করে, কিন্তু আমাদের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের রিডিং রুম যেখানে এত শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে সেটা যেন এক দোজখখানা। এটা সংস্কারের কোনো প্রয়োজন মনে করে না তাঁরা।’
মানববন্ধনে ফরিদা ইয়াসমিন আরও বলেন, ‘প্রশাসন কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তন, কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া দফায় দফায় সংস্কার করছে। কারণ এগুলো সংস্কার করলে তাদের লুটপাট করতে সহজ হয়। কিন্তু শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য, পড়াশোনা বা খাবারের বিষয়ে এই প্রশাসনের কোনো মাথাব্যথা নেই। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মান উন্নয়নের জন্য খাবারের মান বৃদ্ধি করা এবং আমাদের গ্রন্থাগারের রিডিং রুম সংস্কার করার জোর দাবি জানাচ্ছি।’
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি শাকিল হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন খাবারের মান নিম্নমুখী করে ক্রমাগত দাম বাড়াচ্ছে। তারা অবকাঠামো উন্নয়নের দিকে এত বেশি জোর দিচ্ছে। ক্যাফেটেরিয়ায় নাকি এসি লাগাতে হয়। ক্যাফেটেরিয়ায় শিক্ষার্থীরা যেখানে ঠিকমতো খেতে পারে না, সেখানে আমাদের এসি দরকার হয়। এসির দরকার নেই, এসির বদলে আমাদের দরকার পুষ্টিকর খাবার। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেটি নিশ্চিত করছে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘তারা মিলনায়তন সংস্কারে বিশ কোটি টাকা বরাদ্দ করতে পারে। কিন্তু শিক্ষার্থীদের পুষ্টিকর খাবারের নিশ্চয়তা দিতে পারে না। প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়কে লুটপাটের হাতিয়ার বানিয়ে ফেলেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয় কিন্তু স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার জন্য যে খাবারের প্রয়োজন তার নিশ্চয়তা দিতে পারে না।’
কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুলের সঞ্চালনায় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্যাফেটেরিয়ায় খাবারের দাম কমানো, গুণগত মান বাড়ানোসহ কয়েক দফা দাবিতে মানববন্ধন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রী ও সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্ট। আজ রোববার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করে সংগঠনের নেতা-কর্মীরা।
এ সময় শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়ার খাবারের মান বৃদ্ধি, দাম কমানো ও হলের ডাইনিংয়ের খাবারের মান বৃদ্ধি, রিডিং রুম সংস্কারসহ কয়েক দফা দাবি জানায়। কর্মসূচিতে তাঁরা চিরকুটে বিভিন্ন হলের নাম লিখে এবং প্যাকেটে হলের খাবার ঝুলিয়ে প্রতিবাদ জানায়।
একই সঙ্গে তাদের হাতে ‘ডাইনিংয় ও ক্যাফেটেরিয়ায় খাবারের মান বৃদ্ধি করে শিক্ষার্থীদের পুষ্টি চাহিদা নিশ্চিত করাসহ বিভিন্ন দাবি সংবলিত প্ল্যাকার্ড লক্ষ করা যায়।
এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বিভিন্ন সংস্কার কাজে বাজেট বৃদ্ধি করে, কিন্তু আমাদের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের রিডিং রুম যেখানে এত শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে সেটা যেন এক দোজখখানা। এটা সংস্কারের কোনো প্রয়োজন মনে করে না তাঁরা।’
মানববন্ধনে ফরিদা ইয়াসমিন আরও বলেন, ‘প্রশাসন কাজী নজরুল ইসলাম মিলনায়তন, কেন্দ্রীয় ক্যাফেটেরিয়া দফায় দফায় সংস্কার করছে। কারণ এগুলো সংস্কার করলে তাদের লুটপাট করতে সহজ হয়। কিন্তু শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্য, পড়াশোনা বা খাবারের বিষয়ে এই প্রশাসনের কোনো মাথাব্যথা নেই। শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার মান উন্নয়নের জন্য খাবারের মান বৃদ্ধি করা এবং আমাদের গ্রন্থাগারের রিডিং রুম সংস্কার করার জোর দাবি জানাচ্ছি।’
বিশ্ববিদ্যালয় শাখা বিপ্লবী ছাত্রমৈত্রীর সভাপতি শাকিল হোসেন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন খাবারের মান নিম্নমুখী করে ক্রমাগত দাম বাড়াচ্ছে। তারা অবকাঠামো উন্নয়নের দিকে এত বেশি জোর দিচ্ছে। ক্যাফেটেরিয়ায় নাকি এসি লাগাতে হয়। ক্যাফেটেরিয়ায় শিক্ষার্থীরা যেখানে ঠিকমতো খেতে পারে না, সেখানে আমাদের এসি দরকার হয়। এসির দরকার নেই, এসির বদলে আমাদের দরকার পুষ্টিকর খাবার। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন যেটি নিশ্চিত করছে না।’
তিনি আরও বলেন, ‘তারা মিলনায়তন সংস্কারে বিশ কোটি টাকা বরাদ্দ করতে পারে। কিন্তু শিক্ষার্থীদের পুষ্টিকর খাবারের নিশ্চয়তা দিতে পারে না। প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয়কে লুটপাটের হাতিয়ার বানিয়ে ফেলেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয় কিন্তু স্বাভাবিকভাবে বেঁচে থাকার জন্য যে খাবারের প্রয়োজন তার নিশ্চয়তা দিতে পারে না।’
কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের আহ্বায়ক ফুয়াদ রাতুলের সঞ্চালনায় বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে পূর্বশত্রুতার জের ধরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে জিতু মিয়া নামের এক সাবেক ইউপি সদস্য নিহত হয়েছেন। আহত হন অন্তত ২০ জন। গতকাল সোমবার বিকেলে উপজেলার ধরমন্ডল গ্রামে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
২৬ মিনিট আগে
যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৭ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৭ ঘণ্টা আগে