নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

টাকা দিয়েও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে আউটসোর্সিংয়ে চাকরি না পাওয়ার অভিযোগে কয়েকজন নারী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার হাসপাতালের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। একপর্যায়ে হাসপাতালের দায়িত্বরত পুলিশ ও আনসার সদস্যরা এই নারীদের বাধা দেন। তাঁদের মানববন্ধনের ব্যানার কেড়ে নিয়ে যায় পুলিশ।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া নারীরা আগেও চতুর্থ শ্রেণির বিভিন্ন পদে হাসপাতালেই কর্মরত ছিলেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আউটসোর্সিংয়ে নিয়োগ পেয়েছিলেন তাঁরা। আগের ঠিকাদারের মেয়াদ শেষে অন্যজন কাজ পেলে এই নারীরা বাদ পড়েন। তাঁদের অভিযোগ, চাকরির জন্য তাঁরা হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার রাসেল আলীকে টাকা দিয়েছেন। কিন্তু রাসেল তাঁদের চাকরি দিতে পারেননি। এখন টাকাও ফেরত দিচ্ছেন না। তবে ওয়ার্ড মাস্টার রাসেল টাকা নেওয়ার বিষয় অস্বীকার করেন।
মানববন্ধনে অংশ নিয়ে লাকি, ডেইজি ও সালেহাসহ কয়েকজন নারী অভিযোগ করেন, হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার রাসেল ১০ থেকে ১৫ জনের কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নিয়েছেন। একেকজন এক থেকে দুই লাখ টাকা করে দিয়েছেন। কিন্তু বছর গড়ালেও রাসেল তাঁদের চাকরি দিতে পারেননি। এমনকি যাঁরা চাকরিতে ছিলেন, রাসেল তাঁদের মধ্যে অনেককে বাদ দিয়ে পুনরায় টাকা নিয়ে নতুন লোক নিয়োগ দিয়েছেন। বিষয়টি হাসপাতালের সাবেক পরিচালককে অবহিত করা হলেও তিনি রাসেলের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।
মানববন্ধন চলাকালে প্রথমে এই নারীরা পুলিশি বাধার সম্মুখীন হন। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই মানববন্ধনের অনুমতি নেই। তা ছাড়া সিটি নির্বাচনের আগে কোনো ধরনের মানববন্ধন করা যাবে না। এ সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে পুলিশ ব্যানার নিয়ে চলে যায়। এ নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কেউ বক্তব্য দিতে চাননি।
অভিযুক্ত ওয়ার্ড মাস্টার রাসেল আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কারা মানববন্ধন করেছেন তা আমি জানি না। চাকরির জন্য আমি কারও কাছ থেকে কোনো টাকাও নিইনি। এসব বিষয়ের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। টাকা নিয়ে থাকলে তাঁরা প্রমাণ দেখাক। প্রমাণ দেখাতে পারবে না।’
এ বিষয়ে রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ এম শামীম আহাম্মদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ওয়ার্ড মাস্টার রাসেলের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ আছে। চাকরির নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ আছে। এসব অভিযোগের তদন্ত চলছে। তদন্ত কমিটিরও কাজ প্রায় শেষের দিকে। দ্রুতই হয়তো আমি রিপোর্ট পাব। এতে যদি দেখি রাসেল দোষী, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

টাকা দিয়েও রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে আউটসোর্সিংয়ে চাকরি না পাওয়ার অভিযোগে কয়েকজন নারী মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছেন। আজ বৃহস্পতিবার হাসপাতালের সামনে এ কর্মসূচি পালন করা হয়। একপর্যায়ে হাসপাতালের দায়িত্বরত পুলিশ ও আনসার সদস্যরা এই নারীদের বাধা দেন। তাঁদের মানববন্ধনের ব্যানার কেড়ে নিয়ে যায় পুলিশ।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া নারীরা আগেও চতুর্থ শ্রেণির বিভিন্ন পদে হাসপাতালেই কর্মরত ছিলেন। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আউটসোর্সিংয়ে নিয়োগ পেয়েছিলেন তাঁরা। আগের ঠিকাদারের মেয়াদ শেষে অন্যজন কাজ পেলে এই নারীরা বাদ পড়েন। তাঁদের অভিযোগ, চাকরির জন্য তাঁরা হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার রাসেল আলীকে টাকা দিয়েছেন। কিন্তু রাসেল তাঁদের চাকরি দিতে পারেননি। এখন টাকাও ফেরত দিচ্ছেন না। তবে ওয়ার্ড মাস্টার রাসেল টাকা নেওয়ার বিষয় অস্বীকার করেন।
মানববন্ধনে অংশ নিয়ে লাকি, ডেইজি ও সালেহাসহ কয়েকজন নারী অভিযোগ করেন, হাসপাতালের ওয়ার্ড মাস্টার রাসেল ১০ থেকে ১৫ জনের কাছ থেকে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা নিয়েছেন। একেকজন এক থেকে দুই লাখ টাকা করে দিয়েছেন। কিন্তু বছর গড়ালেও রাসেল তাঁদের চাকরি দিতে পারেননি। এমনকি যাঁরা চাকরিতে ছিলেন, রাসেল তাঁদের মধ্যে অনেককে বাদ দিয়ে পুনরায় টাকা নিয়ে নতুন লোক নিয়োগ দিয়েছেন। বিষয়টি হাসপাতালের সাবেক পরিচালককে অবহিত করা হলেও তিনি রাসেলের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি।
মানববন্ধন চলাকালে প্রথমে এই নারীরা পুলিশি বাধার সম্মুখীন হন। পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, এই মানববন্ধনের অনুমতি নেই। তা ছাড়া সিটি নির্বাচনের আগে কোনো ধরনের মানববন্ধন করা যাবে না। এ সময় পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে পুলিশ ব্যানার নিয়ে চলে যায়। এ নিয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে কেউ বক্তব্য দিতে চাননি।
অভিযুক্ত ওয়ার্ড মাস্টার রাসেল আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘কারা মানববন্ধন করেছেন তা আমি জানি না। চাকরির জন্য আমি কারও কাছ থেকে কোনো টাকাও নিইনি। এসব বিষয়ের সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। টাকা নিয়ে থাকলে তাঁরা প্রমাণ দেখাক। প্রমাণ দেখাতে পারবে না।’
এ বিষয়ে রামেক হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফ এম শামীম আহাম্মদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ওয়ার্ড মাস্টার রাসেলের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ আছে। চাকরির নামে টাকা হাতিয়ে নেওয়ারও অভিযোগ আছে। এসব অভিযোগের তদন্ত চলছে। তদন্ত কমিটিরও কাজ প্রায় শেষের দিকে। দ্রুতই হয়তো আমি রিপোর্ট পাব। এতে যদি দেখি রাসেল দোষী, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে নিয়ম অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
২ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি) প্রধান ও সহপ্রধান নিয়োগের ক্ষেত্রে পরীক্ষাভিত্তিক ব্যবস্থা চালু করতে যাচ্ছে বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষ (এনটিআরসিএ)। এ ব্যবস্থায় ওই দুই পদের প্রার্থীদের লিখিত বা বাছাই এবং মৌখিক পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে।
৩ ঘণ্টা আগে