প্রতিনিধি

রাজশাহী: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চলতি জুন মাসেই মৃত্যুর সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়ে গেছে। এর প্রায় অর্ধেক মারা গেছেন করোনা আক্রান্ত হয়ে। কিছু মারা গেছেন করোনার উপসর্গ নিয়ে। করোনা–পরবর্তী জটিলতা নিয়েও মারা গেছেন অনেকে।
সর্বশেষ গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা ছিল ১০। এ নিয়ে গত ৩১ মে সকাল ৮টা থেকে ২৮ জুন সকাল ৮টা পর্যন্ত হাসপাতালে মোট ৩১১ জনের মৃত্যু হলো।
নতুন করে মারা যাওয়া ১৪ জনের মধ্যে ৭ জন করোনা আক্রান্ত ছিলেন। অন্য ৭ জন মারা গেছেন উপসর্গ নিয়ে। করোনা আক্রান্ত ৭ জনের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের চার ও তিনজন রাজশাহীর বাসিন্দা ছিলেন। উপসর্গ নিয়ে রাজশাহীর চার এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর ও নওগাঁয় একজন করে মারা গেছেন।
সোমবার সকালে হাসপাতালের এক প্রতিবেদনে মৃত্যুর এই হিসাব তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১৪ জনের মধ্যে ১১ জন পুরুষ ও তিনজন নারী। বয়স বিবেচনায় ৩১-৪০ বছরের মধ্যে দুজন পুরুষ ও একজন নারী, ৫১-৬০ বছরের মধ্যে চারজন পুরুষ ও একজন নারী এবং ষাটোর্ধ্ব পাঁচজন পুরুষ ও একজন নারী মারা গেছেন।
এর আগে ১ জুন (সকাল ৮টার আগের ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত) সাত, ২ জুন সাত, ৩ জুন নয়, ৪ জুন ১৬, ৫ জুন আট, ৬ জুন ছয়, ৭ জুন সাত, ৮ ও ৯ জুন আটজন করে; ১০ জুন আট, ১১ জুন ১৫, ১২ জুন চার, ১৩ জুন ১৩, ১৪ ও ১৫ জুন ১২ জন করে; ১৬ জুন ১৩ জন, ১৭, ১৮ ও ১৯ জুন ১০ জন করে; ২০, ২১ ও ২২ জুন ১৩ জন করে, ২৩ জুন ১৬, ২৪ জুন ১৮, ২৫ জুন ১৪, ২৬ জুন ১৭ ও ২৭ জুন ১০ জনের মৃত্যু হয়।
হাসপাতালে করোনা রোগীদের রাখতে একের পর এক সাধারণ ওয়ার্ড ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। সর্বশেষ ১৪ নম্বর ওয়ার্ডটি করোনা ওয়ার্ড করা হয়েছে। এর ফলে সোমবার সকালে মোট করোনা ডেডিকেটেড শয্যার সংখ্যা বেড়ে ৪০৫টি হয়েছে। তবে সোমবার সকালে মোট রোগী ভর্তি ছিলেন সর্বোচ্চ ৪৪২ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ইউনিট থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৭ জন। নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৭৮ জন রোগী। এর মধ্যে রাজশাহীর ৫২, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১০, নাটোরের আট, নওগাঁর চার, পাবনার দুই এবং চুয়াডাঙ্গার দুজন রোগী ভর্তি হয়েছেন
সোমবার সকালে রাজশাহীর ৩০৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪৯, নাটোরের ৩২, নওগাঁর ৩২, পাবনার ১৫, কুষ্টিয়ার তিন, চুয়াডাঙ্গার দুই, দিনাজপুরের দুই ও ঢাকার একজন করে রোগী ভর্তি ছিলেন। তাদের মধ্যে নমুনা পরীক্ষায় ১৯২ জনের দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি মিলেছে। আর ১৯৪ জন ছিলেন করোনার উপসর্গ নিয়ে।
এ ছাড়া করোনা নেগেটিভ হলেও শারীরিক নানা জটিলতায় করোনা ইউনিটে ছিলেন ৫৬ জন।

রাজশাহী: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চলতি জুন মাসেই মৃত্যুর সংখ্যা ৩০০ ছাড়িয়ে গেছে। এর প্রায় অর্ধেক মারা গেছেন করোনা আক্রান্ত হয়ে। কিছু মারা গেছেন করোনার উপসর্গ নিয়ে। করোনা–পরবর্তী জটিলতা নিয়েও মারা গেছেন অনেকে।
সর্বশেষ গতকাল রোববার সকাল ৮টা থেকে আজ সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় মৃতের সংখ্যা ছিল ১০। এ নিয়ে গত ৩১ মে সকাল ৮টা থেকে ২৮ জুন সকাল ৮টা পর্যন্ত হাসপাতালে মোট ৩১১ জনের মৃত্যু হলো।
নতুন করে মারা যাওয়া ১৪ জনের মধ্যে ৭ জন করোনা আক্রান্ত ছিলেন। অন্য ৭ জন মারা গেছেন উপসর্গ নিয়ে। করোনা আক্রান্ত ৭ জনের মধ্যে চাঁপাইনবাবগঞ্জের চার ও তিনজন রাজশাহীর বাসিন্দা ছিলেন। উপসর্গ নিয়ে রাজশাহীর চার এবং চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর ও নওগাঁয় একজন করে মারা গেছেন।
সোমবার সকালে হাসপাতালের এক প্রতিবেদনে মৃত্যুর এই হিসাব তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় মারা যাওয়া ১৪ জনের মধ্যে ১১ জন পুরুষ ও তিনজন নারী। বয়স বিবেচনায় ৩১-৪০ বছরের মধ্যে দুজন পুরুষ ও একজন নারী, ৫১-৬০ বছরের মধ্যে চারজন পুরুষ ও একজন নারী এবং ষাটোর্ধ্ব পাঁচজন পুরুষ ও একজন নারী মারা গেছেন।
এর আগে ১ জুন (সকাল ৮টার আগের ২৪ ঘণ্টা পর্যন্ত) সাত, ২ জুন সাত, ৩ জুন নয়, ৪ জুন ১৬, ৫ জুন আট, ৬ জুন ছয়, ৭ জুন সাত, ৮ ও ৯ জুন আটজন করে; ১০ জুন আট, ১১ জুন ১৫, ১২ জুন চার, ১৩ জুন ১৩, ১৪ ও ১৫ জুন ১২ জন করে; ১৬ জুন ১৩ জন, ১৭, ১৮ ও ১৯ জুন ১০ জন করে; ২০, ২১ ও ২২ জুন ১৩ জন করে, ২৩ জুন ১৬, ২৪ জুন ১৮, ২৫ জুন ১৪, ২৬ জুন ১৭ ও ২৭ জুন ১০ জনের মৃত্যু হয়।
হাসপাতালে করোনা রোগীদের রাখতে একের পর এক সাধারণ ওয়ার্ড ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। সর্বশেষ ১৪ নম্বর ওয়ার্ডটি করোনা ওয়ার্ড করা হয়েছে। এর ফলে সোমবার সকালে মোট করোনা ডেডিকেটেড শয্যার সংখ্যা বেড়ে ৪০৫টি হয়েছে। তবে সোমবার সকালে মোট রোগী ভর্তি ছিলেন সর্বোচ্চ ৪৪২ জন।
গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা ইউনিট থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন ৪৭ জন। নতুন করে ভর্তি হয়েছেন ৭৮ জন রোগী। এর মধ্যে রাজশাহীর ৫২, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ১০, নাটোরের আট, নওগাঁর চার, পাবনার দুই এবং চুয়াডাঙ্গার দুজন রোগী ভর্তি হয়েছেন
সোমবার সকালে রাজশাহীর ৩০৬, চাঁপাইনবাবগঞ্জের ৪৯, নাটোরের ৩২, নওগাঁর ৩২, পাবনার ১৫, কুষ্টিয়ার তিন, চুয়াডাঙ্গার দুই, দিনাজপুরের দুই ও ঢাকার একজন করে রোগী ভর্তি ছিলেন। তাদের মধ্যে নমুনা পরীক্ষায় ১৯২ জনের দেহে করোনাভাইরাসের উপস্থিতি মিলেছে। আর ১৯৪ জন ছিলেন করোনার উপসর্গ নিয়ে।
এ ছাড়া করোনা নেগেটিভ হলেও শারীরিক নানা জটিলতায় করোনা ইউনিটে ছিলেন ৫৬ জন।

১৩ ঘণ্টা অবরুদ্ধ থাকার পরে অবশেষে মুক্ত হলেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবিপ্রবি) উপাচার্য (ভিসি) ও উপ উপাচার্য (প্রো-ভিসি)। গতকাল সোমবার দিবাগত রাত ১ টায় শাকসুর দাবিতে আন্দোলনকারীরা কর্মসূচি সাময়িক স্থগিত করে আন্দোলনস্থল ত্যাগ করলে তারা মুক্ত হন।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ যাত্রাবাড়ী ও ডেমরা থানা নিয়ে গঠিত ঢাকা-৫ আসন। ২০২৪ সালের বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে বিরাট ভূমিকা পালন করেন এই এলাকার শিক্ষার্থীসহ সাধারণ মানুষ। ওই আন্দোলনের বিজয়ে তাঁরা যেমন বলিষ্ঠ ভূমিকা পালন করেন তেমনি আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনেও জয়-পরাজয়ের হিসাব নির্ধারণে শিক্ষার্থীসহ তরুণ ভোট
৬ ঘণ্টা আগে
নাটোর পৌরবাসীকে দ্রুত ও আধুনিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ভারত সরকার উপহার হিসেবে দিয়েছিল প্রায় সাড়ে ৪ কোটি টাকার লাইফসাপোর্ট (আইসিইউ) অ্যাম্বুলেন্স। মুমূর্ষু রোগীদের জীবন বাঁচানোর সে বাহনটি এখন ব্যবহার করা হচ্ছে গণভোটের প্রচারণায়। নির্বাচনকে সামনে রেখে নাটোর পৌর কর্তৃপক্ষ অ্যাম্বুলেন্সটি প্
৭ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহে জলাতঙ্ক (র্যাবিস) রোগপ্রতিরোধী ভ্যাকসিনের (টিকা) সংকট দেখা দিয়েছে। সদরসহ জেলার পাঁচটি সরকারি হাসপাতালে ভ্যাকসিনের সরবরাহ নেই। চিকিৎসকেরা রোগীদের বাইরে থেকে ভ্যাকসিন সংগ্রহের পরামর্শ দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তবে জেলার ফার্মেসিগুলোতেও এই ভ্যাকসিন পাওয়া যাচ্ছে না।
৭ ঘণ্টা আগে