নাটোর প্রতিনিধি

নাটোরের সিংড়া উপজেলার ডাহিয়া ইউনিয়নের বেড়াবাড়ী গ্রামে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ১২ জন গুলিবিদ্ধসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। গুলিবিদ্ধ ১২ জনকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের ৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
আজ শনিবার ভোর থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চলনবিলের দুর্গম বেড়াবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নাটোর জেলার পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান।
পুলিশ ও এলাকাবাসী বলছে, ২০১৬ সালে বেড়াবাড়ী গ্রামে রেজাউল নামের একজনকে হত্যা করা হয়। হত্যা মামলার আসামিরা বাদী রেজাউলের পরিবারকে মামলা তুলে নিতে ও সাক্ষী না দিতে বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এ ঘটনায় প্রায়ই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিত। সম্প্রতি স্থানীয় মসজিদের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বিরোধের বিষয়টি জোরালো হয়। গতকাল শুক্রবার মসজিদের কমিটি গঠন হওয়ার কথা থাকলেও দুই পক্ষের সাংঘর্ষিক অবস্থানের কারণে সম্ভব হয়নি। কমিটি গঠন বিলম্বিত হওয়ার জন্য এক পক্ষ আরেক পক্ষকে দোষারোপ করে দিনভর। শনিবার ভোরে রেজাউল হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি সাইফুলের নেতৃত্বে রেজাউলের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায় প্রতিপক্ষ। এ সময় রেজাউলের পরিবারের সদস্য মোজাম্মেল, লাকী বেগম ও শিরিনা বেগমকে কুপিয়ে জখম করে প্রতিপক্ষ সাইফুল গ্রুপ। তখন রেজাউলের পরিবারের সদস্যরা বেরিয়ে এলে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শামীম প্রামাণিক, মনসুর রহমান, আলী আজগর, আ. মান্নান, সাইদুর, সবুজ, শুভ, আব্দুর রউফ, দীপন, জামাল, বাবু সরকার, আমিরুল তালুকদার গুলিবিদ্ধ হন। কয়েক ঘণ্টা এভাবে থেমে থেমে সংঘর্ষ চলে। পরে তাঁদের উদ্ধার করে সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে স্থানীয়রা। বেলা ১১টায় গুলিবিদ্ধদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ছয় বছর আগে নিহত রেজাউলের স্ত্রী মনিরা বেগম বলেন, ‘সাইফুলের সঙ্গে ২০-৩০ জন তাদের ওপর হামলা চালায়। তারা প্রথমে বাড়ির নারী সদস্যদের কোপাতে শুরু করে এবং পুরুষদের ওপর গুলি চালায়।’ এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাইফুলের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ডাহিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল মজিদ মামুন বলেন, ‘বেড়াবাড়ী গ্রামে দুই গ্রুপের দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিন যাবৎ। আমরা বারবার চেষ্টা করেও সমাধান করতে পারিনি। প্রশাসনের কাছে আবেদন, এলাকায় শান্তি ফেরানোর জন্য তারা যেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।’
সিংড়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জামিল আখতার বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ বেড়াবাড়ী গ্রামে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় উভয় পক্ষের ৯ জনকে আটক করা হয়েছে।’
নাটোর জেলা পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান বলেন, ‘হত্যা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়াকে কেন্দ্র করে গোলাগুলোর ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, শটগান থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে। অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার ও এগুলোর উৎস সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’

নাটোরের সিংড়া উপজেলার ডাহিয়া ইউনিয়নের বেড়াবাড়ী গ্রামে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ১২ জন গুলিবিদ্ধসহ ১৫ জন আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। গুলিবিদ্ধ ১২ জনকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে ভর্তি করা হয়েছে। সংঘর্ষের ঘটনায় উভয় পক্ষের ৯ জনকে আটক করেছে পুলিশ।
আজ শনিবার ভোর থেকে সাড়ে ১০টা পর্যন্ত চলনবিলের দুর্গম বেড়াবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে। এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন নাটোর জেলার পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান।
পুলিশ ও এলাকাবাসী বলছে, ২০১৬ সালে বেড়াবাড়ী গ্রামে রেজাউল নামের একজনকে হত্যা করা হয়। হত্যা মামলার আসামিরা বাদী রেজাউলের পরিবারকে মামলা তুলে নিতে ও সাক্ষী না দিতে বিভিন্ন সময় হুমকি দিয়ে আসছিলেন। এ ঘটনায় প্রায়ই দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দিত। সম্প্রতি স্থানীয় মসজিদের কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে বিরোধের বিষয়টি জোরালো হয়। গতকাল শুক্রবার মসজিদের কমিটি গঠন হওয়ার কথা থাকলেও দুই পক্ষের সাংঘর্ষিক অবস্থানের কারণে সম্ভব হয়নি। কমিটি গঠন বিলম্বিত হওয়ার জন্য এক পক্ষ আরেক পক্ষকে দোষারোপ করে দিনভর। শনিবার ভোরে রেজাউল হত্যা মামলার ৩ নম্বর আসামি সাইফুলের নেতৃত্বে রেজাউলের বাড়িতে অতর্কিত হামলা চালায় প্রতিপক্ষ। এ সময় রেজাউলের পরিবারের সদস্য মোজাম্মেল, লাকী বেগম ও শিরিনা বেগমকে কুপিয়ে জখম করে প্রতিপক্ষ সাইফুল গ্রুপ। তখন রেজাউলের পরিবারের সদস্যরা বেরিয়ে এলে দুই পক্ষের সংঘর্ষে শামীম প্রামাণিক, মনসুর রহমান, আলী আজগর, আ. মান্নান, সাইদুর, সবুজ, শুভ, আব্দুর রউফ, দীপন, জামাল, বাবু সরকার, আমিরুল তালুকদার গুলিবিদ্ধ হন। কয়েক ঘণ্টা এভাবে থেমে থেমে সংঘর্ষ চলে। পরে তাঁদের উদ্ধার করে সিংড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে স্থানীয়রা। বেলা ১১টায় গুলিবিদ্ধদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ছয় বছর আগে নিহত রেজাউলের স্ত্রী মনিরা বেগম বলেন, ‘সাইফুলের সঙ্গে ২০-৩০ জন তাদের ওপর হামলা চালায়। তারা প্রথমে বাড়ির নারী সদস্যদের কোপাতে শুরু করে এবং পুরুষদের ওপর গুলি চালায়।’ এ ঘটনায় অভিযুক্ত সাইফুলের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।
ডাহিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল মজিদ মামুন বলেন, ‘বেড়াবাড়ী গ্রামে দুই গ্রুপের দ্বন্দ্ব দীর্ঘদিন যাবৎ। আমরা বারবার চেষ্টা করেও সমাধান করতে পারিনি। প্রশাসনের কাছে আবেদন, এলাকায় শান্তি ফেরানোর জন্য তারা যেন প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।’
সিংড়া সার্কেলের সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার জামিল আখতার বলেন, ‘খবর পেয়ে পুলিশ বেড়াবাড়ী গ্রামে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় উভয় পক্ষের ৯ জনকে আটক করা হয়েছে।’
নাটোর জেলা পুলিশ সুপার সাইফুর রহমান বলেন, ‘হত্যা মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দেওয়াকে কেন্দ্র করে গোলাগুলোর ঘটনা ঘটেছে। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে, শটগান থেকে গুলি ছোড়া হয়েছে। অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার ও এগুলোর উৎস সম্পর্কে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে। বর্তমানে এলাকার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।’

অন্তর্বর্তী সরকারের এই উপদেষ্টা বলেন, ‘এই গণভোট শত বছরের দিকনির্দেশনা দেবে। জুলাই শহীদদের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের মধ্য দিয়ে নতুন বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যাতে ফ্যাসিবাদ আর ফিরে না আসে, আয়নাঘরের মতো নিপীড়নের পুনরাবৃত্তি না হয়, লুটপাট ও বিদেশে অর্থ পাচার বন্ধ হয়।’
৮ মিনিট আগে
পারিবারিক কলহের জেরে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ নম্বরে যোগাযোগ করে স্ত্রীর নামে ব্ল্যাকমেইলিংয়ের অভিযোগ তুলেছেন রাজধানীর উত্তরায় বসবাসরত এক পাকিস্তানি নাগরিক। পুলিশ জানায়, ওই ব্যক্তি আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলেছিলেন বলে ফোনে জানিয়েছিলেন।
১২ মিনিট আগে
কুলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, আনন্দ বাজার এলাকায় দেশীয় অস্ত্রসহ ঘোরাফেরা করতে দেখে আনোয়ারকে আটক করে স্থানীয় লোকজন ইউপি কার্যালয়ে এনে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।
১ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বদলি করা হয়। আজ বুধবার সকালে ইউএনও মাসুদুর রহমান নিজেই বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
২ ঘণ্টা আগে