রাবি সংবাদদাতা

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আরবি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা ফল প্রকাশসহ চার দফা দাবিতে অফিস কক্ষে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করেছেন। আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা বিভাগের সামনে এই বিক্ষোভ করেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, গত এপ্রিলে চতুর্থ বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের পরীক্ষা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ অনুযায়ী এক মাসের মধ্যে ফল প্রকাশের কথা। কিন্তু পরীক্ষা নেওয়ার চার মাসেও ফল প্রকাশ করা হয়নি। এ বিষয়ে চার থেকে পাঁচবার পরীক্ষা কমিটির সভাপতি ও বিভাগের সভাপতির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের আলোচনা হয়। তবে কোনো ফল মেলেনি। এ আগেও প্রথম বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের ফল প্রকাশ করতে পাঁচ মাস সময় নেয় বিভাগের পরীক্ষা কমিটি।
শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো এক সপ্তাহের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করা, পরীক্ষা কমিটির সভাপতিকে ক্ষমা চাওয়া, সময়মতো চতুর্থ বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা নেওয়া এবং ফল প্রকাশ করা।
বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ বলেন, ‘পরীক্ষা শেষ হওয়ায় চার মাস কেটে গেলেও ফল এখনো প্রকাশ হয়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরীক্ষা কমিটির সভাপতি ও সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক বেলাল হোসাইন অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন। এমনকি পরীক্ষা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হোসেন আমাদের হুমকি দিয়েছেন। তিনি “সাত দিনের মধ্যেও রেজাল্ট দেব না; যা পারো তোমরা করো”—আমাদের এমন কথা বলেছেন।’
ফল প্রকাশে দেরি হওয়ার বিষয়ে পরীক্ষা কমিটির সভাপতি আরবি বিভাগে অধ্যাপক মো. বেলাল হোসেন বলেন, ‘রেজাল্ট দিতে দেরি হচ্ছে। কিন্তু আমরা চেষ্টা করছি যাতে দ্রুত হয়। আমরা একটা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।’
আরবি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, ‘ফল প্রকাশে দেরি হলেও আমরা চেষ্টা করছি যাতে দ্রুত প্রকাশ করা যায়। শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হয়েছে এবং আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে ফল প্রকাশের চেষ্টা করা হবে। ভবিষ্যতে পরীক্ষার ফল সময়মতো প্রকাশের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) আরবি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থীরা ফল প্রকাশসহ চার দফা দাবিতে অফিস কক্ষে তালা দিয়ে বিক্ষোভ করেছেন। আজ সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে শিক্ষার্থীরা বিভাগের সামনে এই বিক্ষোভ করেন।
শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, গত এপ্রিলে চতুর্থ বর্ষের প্রথম সেমিস্টারের পরীক্ষা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় অধ্যাদেশ অনুযায়ী এক মাসের মধ্যে ফল প্রকাশের কথা। কিন্তু পরীক্ষা নেওয়ার চার মাসেও ফল প্রকাশ করা হয়নি। এ বিষয়ে চার থেকে পাঁচবার পরীক্ষা কমিটির সভাপতি ও বিভাগের সভাপতির সঙ্গে শিক্ষার্থীদের আলোচনা হয়। তবে কোনো ফল মেলেনি। এ আগেও প্রথম বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের ফল প্রকাশ করতে পাঁচ মাস সময় নেয় বিভাগের পরীক্ষা কমিটি।
শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো এক সপ্তাহের মধ্যে ফলাফল প্রকাশ করা, পরীক্ষা কমিটির সভাপতিকে ক্ষমা চাওয়া, সময়মতো চতুর্থ বর্ষের দ্বিতীয় সেমিস্টারের পরীক্ষা নেওয়া এবং ফল প্রকাশ করা।
বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আল ফাহাদ বলেন, ‘পরীক্ষা শেষ হওয়ায় চার মাস কেটে গেলেও ফল এখনো প্রকাশ হয়নি। এ বিষয়ে জানতে চাইলে পরীক্ষা কমিটির সভাপতি ও সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক বেলাল হোসাইন অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন। এমনকি পরীক্ষা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. বেলাল হোসেন আমাদের হুমকি দিয়েছেন। তিনি “সাত দিনের মধ্যেও রেজাল্ট দেব না; যা পারো তোমরা করো”—আমাদের এমন কথা বলেছেন।’
ফল প্রকাশে দেরি হওয়ার বিষয়ে পরীক্ষা কমিটির সভাপতি আরবি বিভাগে অধ্যাপক মো. বেলাল হোসেন বলেন, ‘রেজাল্ট দিতে দেরি হচ্ছে। কিন্তু আমরা চেষ্টা করছি যাতে দ্রুত হয়। আমরা একটা প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।’
আরবি বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক জাহিদুল ইসলাম বলেছেন, ‘ফল প্রকাশে দেরি হলেও আমরা চেষ্টা করছি যাতে দ্রুত প্রকাশ করা যায়। শিক্ষার্থীদের আশ্বস্ত করা হয়েছে এবং আগামী বৃহস্পতিবারের মধ্যে ফল প্রকাশের চেষ্টা করা হবে। ভবিষ্যতে পরীক্ষার ফল সময়মতো প্রকাশের জন্য কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে